ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
চানখারপুলের রায় ‘পূর্বনির্ধারিত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নয়, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ধ্বংসযজ্ঞ: ছাত্রলীগ
চানখারপুল মামলার রায়কে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান।
বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ ও দখলদার’ উল্লেখ, রায়কে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ দাবি।
জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘বিদেশি শক্তির নকশা’ বলে অভিহিত।
৫ আগস্টের ক্ষমতার পালাবদল কোনো গণঅভ্যুত্থান ছিল না, বরং এটি ছিল বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ও দেশবিরোধী চক্রের নকশায় পরিচালিত পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ। চানখারপুল মামলার রায় প্রত্যাখ্যান করে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটির দাবি, সত্যকে চাপা দেওয়া ও ইতিহাস বিকৃত করতেই ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বসিয়ে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ওই বিবৃতিতে
সই করেন। বিবৃতিতে ছাত্রলীগ ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কঠোর ভাষায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছে, ৫ আগস্ট কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়। এটি ছিল বিদেশি শক্তির ইন্ধনে, দেশবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের মেটিকুলাস ডিজাইনে পরিচালিত একটি পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ।’ তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করা এবং গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠাতেই এই নকশা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। চানখারপুল মামলার সদ্য ঘোষিত রায়কে ‘সাজানো প্রহসন’ ও ‘সত্য বিকৃতির নগ্ন প্রচেষ্টা’ আখ্যা দিয়ে তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই রায় কোনো ন্যায়বিচারের প্রতিফলন নয়। সাক্ষী, প্রমাণ ও ঘটনাপ্রবাহের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার
জন্য আদালতকে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বিচার নয়, আইনের মোড়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বাস্তবায়ন। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত সহিংসতার বিষয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছিল দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকার সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পায়। তাই তারা সুষ্ঠু তদন্ত না করে পূর্বনির্ধারিত রায় চাপিয়ে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ, অসাংবিধানিক ও জনবিচ্ছিন্ন দখলদার’ হিসেবে অভিহিত করে ছাত্রলীগ জানিয়েছে, এই সরকারের অধীনে দেওয়া কোনো রায়কে তারা রাজনৈতিক বা মানসিকভাবে বৈধ বলে স্বীকার করে না। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আজ যে ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় দেওয়া হচ্ছে, আগামী দিনে সেগুলোকেই ইতিহাস বাতিলের রায়ে পরিণত করবে।’ বিবৃতিতে দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান,
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
সই করেন। বিবৃতিতে ছাত্রলীগ ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কঠোর ভাষায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছে, ৫ আগস্ট কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়। এটি ছিল বিদেশি শক্তির ইন্ধনে, দেশবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের মেটিকুলাস ডিজাইনে পরিচালিত একটি পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ।’ তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করা এবং গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠাতেই এই নকশা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। চানখারপুল মামলার সদ্য ঘোষিত রায়কে ‘সাজানো প্রহসন’ ও ‘সত্য বিকৃতির নগ্ন প্রচেষ্টা’ আখ্যা দিয়ে তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই রায় কোনো ন্যায়বিচারের প্রতিফলন নয়। সাক্ষী, প্রমাণ ও ঘটনাপ্রবাহের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার
জন্য আদালতকে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বিচার নয়, আইনের মোড়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বাস্তবায়ন। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত সহিংসতার বিষয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছিল দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকার সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পায়। তাই তারা সুষ্ঠু তদন্ত না করে পূর্বনির্ধারিত রায় চাপিয়ে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ, অসাংবিধানিক ও জনবিচ্ছিন্ন দখলদার’ হিসেবে অভিহিত করে ছাত্রলীগ জানিয়েছে, এই সরকারের অধীনে দেওয়া কোনো রায়কে তারা রাজনৈতিক বা মানসিকভাবে বৈধ বলে স্বীকার করে না। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আজ যে ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় দেওয়া হচ্ছে, আগামী দিনে সেগুলোকেই ইতিহাস বাতিলের রায়ে পরিণত করবে।’ বিবৃতিতে দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান,
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।



