ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?
বিনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আ.লীগ নেতা আব্দুর রহমান মিয়া’র মৃত্যু
ফ্যাসিস্ট ইউনূসকে বাংলা ওয়াশ করলো ক্ষুব্ধ নারী
“জামায়াত কখনই সনাতনীদের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না; কারণ জামায়াত সনাতনীদের ঘৃণা করে” – সনাতনী কন্ঠ
মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।
যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
চট্টগ্রাম বন্দর কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়। এটি বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানির প্রবেশদ্বার, জাতীয় রাজস্বের অন্যতম প্রধান উৎস এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের ভিত্তি। সেই গুরুত্বপূর্ণ বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ আজ যে সংকট তৈরি করেছে, তা নিছক শ্রমিক অসন্তোষ নয়—এটি সরাসরি বাংলাদেশ ও জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থবিরোধী একটি নীতিগত সিদ্ধান্তের ফল।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের মতো বহুজাতিক করপোরেশনকে এনসিটি লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—
এই সিদ্ধান্ত কি সত্যিই জাতীয় সক্ষমতার ঘাটতির কারণে, নাকি নীতিনির্ধারকদের দূরদর্শিতার অভাব ও বিদেশি চাপের ফল?
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বনাম জনগণের অংশগ্রহণ
হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে
প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট—রাষ্ট্র আইনের কথা বলছে, কিন্তু জনগণের আস্থার প্রশ্নটি এড়িয়ে যাচ্ছে। কোনো বড় রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সম্পদের ব্যবস্থাপনা বদলের আগে শ্রমিক, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও জনগণের সঙ্গে ন্যূনতম পরামর্শও হয়নি—এটাই এই সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। এনসিটি বর্তমানে দেশীয় ব্যবস্থাপনাতেই পরিচালিত হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য রাজস্ব ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। তাহলে হঠাৎ করে বিদেশি অপারেটরের প্রয়োজনীয়তা কোথায়? এই প্রশ্নের কোনো স্বচ্ছ, তথ্যভিত্তিক ও জনসমক্ষে উপস্থাপিত ব্যাখ্যা আজও নেই। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা: সতর্কবার্তা উপেক্ষার মূল্য বিশ্ব অভিজ্ঞতা বলছে—বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি কিংবা যোগাযোগ অবকাঠামো বিদেশি করপোরেট নিয়ন্ত্রণে গেলে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নীতিগত স্বাধীনতা হারায়। শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর, আফ্রিকার একাধিক বন্দর কিংবা
লাতিন আমেরিকার উদাহরণ দেখিয়েছে—প্রথমে ‘দক্ষতা ও বিনিয়োগ’-এর কথা বলা হলেও পরে সেই সম্পদই হয়ে ওঠে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার। বাংলাদেশ কি সেই একই ঝুঁকিপূর্ণ পথে হাঁটছে? ধর্মঘট দমন নয়, নীতিগত সংশোধন জরুরি শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনকে শুধু শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে দেখলে বাস্তবতাকে অস্বীকার করা হয়। তারা যে প্রশ্ন তুলছেন—তা ব্যক্তিস্বার্থের নয়, বরং কর্মসংস্থান, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রশ্ন। কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দিয়ে হয়তো সাময়িকভাবে কার্যক্রম চালু রাখা যাবে, কিন্তু জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো কৌশলগত সিদ্ধান্ত টেকসই হয় না—এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। সার্বিক বার্তা: বন্দর ব্যবস্থাপনা নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দর্শনের প্রশ্ন এনসিটি ইস্যু আজ একটি বড় প্রশ্নের সামনে বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছে— রাষ্ট্র কি নিজের কৌশলগত সম্পদের উপর
আস্থা রাখবে, নাকি ধীরে ধীরে তা করপোরেট বৈশ্বিক ব্যবস্থার হাতে ছেড়ে দেবে? এই সিদ্ধান্ত যদি জনগণের মতামত, স্বচ্ছতা ও জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করেই এগোয়, তবে তা কেবল শ্রমিকদের নয়—সমগ্র জাতির স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবেই ইতিহাসে চিহ্নিত হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, কোনো সরকারের একক সিদ্ধান্তের বিষয়ও নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের সম্পদ—এবং সেই জনগণের স্বার্থ রক্ষাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের প্রথম ও শেষ দায়িত্ব।
প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট—রাষ্ট্র আইনের কথা বলছে, কিন্তু জনগণের আস্থার প্রশ্নটি এড়িয়ে যাচ্ছে। কোনো বড় রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সম্পদের ব্যবস্থাপনা বদলের আগে শ্রমিক, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও জনগণের সঙ্গে ন্যূনতম পরামর্শও হয়নি—এটাই এই সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। এনসিটি বর্তমানে দেশীয় ব্যবস্থাপনাতেই পরিচালিত হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য রাজস্ব ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। তাহলে হঠাৎ করে বিদেশি অপারেটরের প্রয়োজনীয়তা কোথায়? এই প্রশ্নের কোনো স্বচ্ছ, তথ্যভিত্তিক ও জনসমক্ষে উপস্থাপিত ব্যাখ্যা আজও নেই। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা: সতর্কবার্তা উপেক্ষার মূল্য বিশ্ব অভিজ্ঞতা বলছে—বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি কিংবা যোগাযোগ অবকাঠামো বিদেশি করপোরেট নিয়ন্ত্রণে গেলে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নীতিগত স্বাধীনতা হারায়। শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর, আফ্রিকার একাধিক বন্দর কিংবা
লাতিন আমেরিকার উদাহরণ দেখিয়েছে—প্রথমে ‘দক্ষতা ও বিনিয়োগ’-এর কথা বলা হলেও পরে সেই সম্পদই হয়ে ওঠে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার। বাংলাদেশ কি সেই একই ঝুঁকিপূর্ণ পথে হাঁটছে? ধর্মঘট দমন নয়, নীতিগত সংশোধন জরুরি শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনকে শুধু শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে দেখলে বাস্তবতাকে অস্বীকার করা হয়। তারা যে প্রশ্ন তুলছেন—তা ব্যক্তিস্বার্থের নয়, বরং কর্মসংস্থান, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রশ্ন। কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দিয়ে হয়তো সাময়িকভাবে কার্যক্রম চালু রাখা যাবে, কিন্তু জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো কৌশলগত সিদ্ধান্ত টেকসই হয় না—এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। সার্বিক বার্তা: বন্দর ব্যবস্থাপনা নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দর্শনের প্রশ্ন এনসিটি ইস্যু আজ একটি বড় প্রশ্নের সামনে বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছে— রাষ্ট্র কি নিজের কৌশলগত সম্পদের উপর
আস্থা রাখবে, নাকি ধীরে ধীরে তা করপোরেট বৈশ্বিক ব্যবস্থার হাতে ছেড়ে দেবে? এই সিদ্ধান্ত যদি জনগণের মতামত, স্বচ্ছতা ও জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করেই এগোয়, তবে তা কেবল শ্রমিকদের নয়—সমগ্র জাতির স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবেই ইতিহাসে চিহ্নিত হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, কোনো সরকারের একক সিদ্ধান্তের বিষয়ও নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের সম্পদ—এবং সেই জনগণের স্বার্থ রক্ষাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের প্রথম ও শেষ দায়িত্ব।



