ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের মব হামলায় ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু: পুলিশি অবহেলার অভিযোগ পরিবারের
বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের মব হামলার জেরে চট্টগ্রাম মহানগরের ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিশ্ব কলোনির তরুণ ছাত্রলীগ কর্মী মো. রাকিব (১৭) নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান রাকিব ছিলেন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কর্মী। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত হয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় পুলিশি হেফাজতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেছেন এই কিশোর, পরিবারের বক্তব্যে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০শে অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাকিবকে সেভেন মার্কেট এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে মারধর করে। নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় যুবদল নেতা লিটন ওরফে “জুতাচোর লিটন” এবং তার সহযোগীরা। নির্যাতনের পর গুরুতর আহত রাকিবকে তারা আকবর শাহ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
রাকিবের নামে কোনো মামলা
না থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। পুলিশ বিধি অনুযায়ী আহত আসামিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও, রাকিবকে চিকিৎসা না দিয়েই সরাসরি জেলহাজতে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে—২১শে অক্টোবর ভোর ৪টায় রাকিবের মৃত্যু হয়। রাকিবের মৃত্যু সংবাদে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ কান্নায় ভরে ওঠে। মা-বাবা ও স্বজনদের আহাজারিতে শোক নেমে আসে বিশ্ব কলোনি এলাকায়। তাদের অভিযোগ—একদিকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা রাকিবকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে, অন্যদিকে পুলিশের অবহেলায় বাঁচানো যায়নি তাদের একমাত্র সন্তানকে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “রাকিবের নামে মামলা না থাকা সত্ত্বেও
পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও চিকিৎসা না দেওয়া—এটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।” মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যে, একজন আহত কিশোরকে চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে পাঠানো রাষ্ট্রীয় দায়িত্বহীনতার নজির। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলছে, রাকিবের মৃত্যু সেই দুঃখজনক ধারাবাহিকতারই অংশ। এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
না থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। পুলিশ বিধি অনুযায়ী আহত আসামিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও, রাকিবকে চিকিৎসা না দিয়েই সরাসরি জেলহাজতে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে—২১শে অক্টোবর ভোর ৪টায় রাকিবের মৃত্যু হয়। রাকিবের মৃত্যু সংবাদে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ কান্নায় ভরে ওঠে। মা-বাবা ও স্বজনদের আহাজারিতে শোক নেমে আসে বিশ্ব কলোনি এলাকায়। তাদের অভিযোগ—একদিকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা রাকিবকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে, অন্যদিকে পুলিশের অবহেলায় বাঁচানো যায়নি তাদের একমাত্র সন্তানকে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “রাকিবের নামে মামলা না থাকা সত্ত্বেও
পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও চিকিৎসা না দেওয়া—এটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।” মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যে, একজন আহত কিশোরকে চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে পাঠানো রাষ্ট্রীয় দায়িত্বহীনতার নজির। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলছে, রাকিবের মৃত্যু সেই দুঃখজনক ধারাবাহিকতারই অংশ। এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



