ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা
ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আজও বাতিল হলো ২৪ ফ্লাইট
গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি অগ্রহণযোগ্য: ইউরোপীয় নেতারা
যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ড কেনার অনুমতি না দিলে ইউরোপের আটটি দেশের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে এমন হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় নেতারা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ ভুল ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই হুমকিকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
স্টারমার বলেছেন, ন্যাটো মিত্রদের সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করা সম্পূর্ণ ভুল। এ বিষয়ে আমরা অবশ্যই মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করব।
ম্যাক্রোঁ বলেছেন, এই প্রেক্ষাপটে শুল্ক আরোপের হুমকি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। আমরা কোনও ধরনের ভীতি প্রদর্শনে ভীত হব
না। সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসন বলেছেন, আমরা নিজেদেরকে ব্ল্যাকমেইল হতে দেব না। ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন রক্ষার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময়ই অত্যন্ত দৃঢ় থাকবে। এই অবস্থান অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভূখণ্ড থেকেই শুরু হবে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও গ্রেট ব্রিটেন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে শুল্ক আরও বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড কেনার কোনও চুক্তিতে পৌঁছানো না পর্যন্ত এটি চালু থাকবে। ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়া আরও বলেছেন, এই দেশগুলো
অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলায় জড়িত হয়েছে এবং তারা এমন ঝুঁকি তৈরি করেছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড ছাড়া অন্য কোনও সমাধান তিনি গ্রহণ করবেন না। তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয় এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না। রয়টার্সের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকির পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রবিবার ব্রাসেলসে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। ওই বৈঠকে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা অংশ নেবেন। শনিবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের হুমকির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিজস্বভাবে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।
না। সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসন বলেছেন, আমরা নিজেদেরকে ব্ল্যাকমেইল হতে দেব না। ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন রক্ষার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময়ই অত্যন্ত দৃঢ় থাকবে। এই অবস্থান অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভূখণ্ড থেকেই শুরু হবে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও গ্রেট ব্রিটেন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে শুল্ক আরও বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড কেনার কোনও চুক্তিতে পৌঁছানো না পর্যন্ত এটি চালু থাকবে। ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়া আরও বলেছেন, এই দেশগুলো
অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলায় জড়িত হয়েছে এবং তারা এমন ঝুঁকি তৈরি করেছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড ছাড়া অন্য কোনও সমাধান তিনি গ্রহণ করবেন না। তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয় এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না। রয়টার্সের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকির পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রবিবার ব্রাসেলসে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। ওই বৈঠকে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা অংশ নেবেন। শনিবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের হুমকির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিজস্বভাবে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।



