ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার
দরিদ্র ছাত্রের বরাদ্দ সাইকেল নাতনিকে, ধরা পড়ে ফেরত জামায়াত নেতার: ছাগল-ফুটবল-সেলাই মেশিনও লোপাট
হাজারীবাগে বাথরুমের সিলিংয়ে থানা লুটের শটগান: ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ
চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠে গুলি করে যুবককে হত্যা, ধোঁয়াশায় পুলিশ
১ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
রণক্ষেত্র সাতকানিয়া: সশস্ত্র জামায়াত-শিবির কর্মীদের গুলিতে রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
গাবতলী হাটে গরুর দামে ধস, অবিক্রিত পশু নিয়ে বিপাকে ব্যাপারীরা
রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে ক্রেতা কম থাকা এবং পশুর সরবরাহ বেশি হওয়ায় গরুর দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। এতে অনেক খামারি ও ব্যাপারী লোকসানে গরু বিক্রি করে অবিক্রিত পশু ট্রাকে করে বাড়ি ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হাট ঘুরে দেখা যায়, একের পর এক ট্রাকে অবিক্রিত গরু তুলছেন বিক্রেতারা। কেউ আবার পরিবহণ সংকটে হাটজুড়ে ট্রাক খুঁজছেন।
মানিকগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যবসায়ী বলেন, তিনি ৫০টি গরু এনেছিলেন, কিন্তু বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ১৮টি। বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে। এবার আমরা গরুর সঙ্গে নিজেরাও কুরবানি হয়ে গেছি।
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার জানান, ৪০টি গরুর মধ্যে
২০টি বিক্রি হয়নি। ঈদের দুই দিন আগে যে গরুর দাম ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলা হয়েছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। ঋণ করে গরু কিনেছি, টাকা পরিশোধ করতে হবে বলেই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। খামারি ও ব্যাপারীদের অভিযোগ, কয়েকদিনের বৃষ্টি ও কাদার মধ্যে হাটে গরু রাখায় পশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তাই বড় লোকসান মেনেই অনেকে গরু বিক্রি করেছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন, প্রতি গরুতে লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে দাম কমে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। অনেকের মতে, ঈদের আগের দিনের তুলনায় গরুর দাম লাখে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত
কমেছে। গরু কিনতে যাওয়া আবু নাঈম জানান, যে গরুর দাম আগে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল, সেটি তিনি দুই লাখ ৭০ হাজার টাকায় কিনেছেন। আরেক ক্রেতা পরাণ বলেন, ঈদের আগের দিন থেকেই গরুর দাম কমতে শুরু করে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ব্যাপারীদের দাবি, এবার কুরবানির পশুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও শেষ সময়ে প্রত্যাশিত ক্রেতা না থাকায় বাজারে দামের বড় পতন ঘটেছে। বুধবার ভোর থেকেই দাম কমতে শুরু করে। ফার্মগেট থেকে হাটে আসা ক্রেতা সাকিব আল আমিন খান বলেন, ‘ভোর ৬টার দিকে হাটে এসেছি। পর্যাপ্ত গরু আছে, কিন্তু ব্যাপারীরা সহজে দাম ছাড়ছেন না। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ ছোট ও মাঝারি
গরুর দাম অনেকটাই কম মনে হচ্ছে।’ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ঈদুল আজহায় দেশে ৯১ লাখের বেশি পশু কুরবানি হয়েছিল। আর চলতি বছর কুরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ধরা হয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার, যেখানে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি ১ লাখ পশু।
২০টি বিক্রি হয়নি। ঈদের দুই দিন আগে যে গরুর দাম ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলা হয়েছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। ঋণ করে গরু কিনেছি, টাকা পরিশোধ করতে হবে বলেই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। খামারি ও ব্যাপারীদের অভিযোগ, কয়েকদিনের বৃষ্টি ও কাদার মধ্যে হাটে গরু রাখায় পশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তাই বড় লোকসান মেনেই অনেকে গরু বিক্রি করেছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন, প্রতি গরুতে লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে দাম কমে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। অনেকের মতে, ঈদের আগের দিনের তুলনায় গরুর দাম লাখে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত
কমেছে। গরু কিনতে যাওয়া আবু নাঈম জানান, যে গরুর দাম আগে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল, সেটি তিনি দুই লাখ ৭০ হাজার টাকায় কিনেছেন। আরেক ক্রেতা পরাণ বলেন, ঈদের আগের দিন থেকেই গরুর দাম কমতে শুরু করে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ব্যাপারীদের দাবি, এবার কুরবানির পশুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও শেষ সময়ে প্রত্যাশিত ক্রেতা না থাকায় বাজারে দামের বড় পতন ঘটেছে। বুধবার ভোর থেকেই দাম কমতে শুরু করে। ফার্মগেট থেকে হাটে আসা ক্রেতা সাকিব আল আমিন খান বলেন, ‘ভোর ৬টার দিকে হাটে এসেছি। পর্যাপ্ত গরু আছে, কিন্তু ব্যাপারীরা সহজে দাম ছাড়ছেন না। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ ছোট ও মাঝারি
গরুর দাম অনেকটাই কম মনে হচ্ছে।’ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ঈদুল আজহায় দেশে ৯১ লাখের বেশি পশু কুরবানি হয়েছিল। আর চলতি বছর কুরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ধরা হয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার, যেখানে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি ১ লাখ পশু।



