ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাভারে প্রেসার কুকার বোমা নিষ্ক্রিয় করল পুলিশ
গৃহকর্মীকে হত্যায় বাধা, দম্পতিকেও খুন
সাঁকো ভেঙে নদীতে জামায়াত নেতা, রক্ষা পেলেন এমপি
নির্মাণাধীন মাদ্রাসার তদন্তে যাওয়া পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
বরিশাল জেলা জজ আদালতের গেটের সামনে বোমা বিস্ফোরণ
নিউমার্কেটে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৪
কুষ্টিয়ায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
গরুর ফার্মে ২ কোটি টাকার নকল সিগারেট
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গরুর খামারের আড়ালে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিগারেট কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট ও ২ হাজার ১০০ কেজি নকল সিগারেট তৈরির তামাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
এ সময় সিগারেট তৈরির বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের হাবিব মাস্টারের গরুর ফার্মে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।
যৌথ অভিযানে গরুর খামারের ভেতরে গড়ে তোলা অবৈধ সিগারেট তৈরির কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন নামী-দামি ব্র্যান্ডের প্রায় সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেটসহ উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা। তিনি জানান, অভিযান চলাকালে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা অবৈধ মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গরুর ফার্মের মালিক হাবিব মাস্টার জানান, তিনি জয়রামপুর এলাকার শাকিল ও বৈদ্যনাথতলা এলাকার লিওন হোসেন নামের দুই ব্যক্তির কাছে মাসিক ৪০ হাজার টাকা ভাড়ায়
গরুর ফার্মটি ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে নকল সিগারেট তৈরির কার্যক্রম চলছিল—এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, এর আগেও র্যাব ও কাস্টমসের অভিযানে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরে সেটি আবার চালু করা হয়। তার ভাষ্য, প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করার পরও আদালতের মাধ্যমে সেটি পুনরায় চালু হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগতভাবে তার পক্ষে কারখানাটি বন্ধ করার ক্ষমতা ছিল না। এর আগে গত ৯ মে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ও কাস্টমস বিভাগের যৌথ অভিযানে একই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে নকল সিগারেট তৈরির পাঁচটি মেশিন এবং প্রায় ১ লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছিল। তবে
কিছুদিনের মধ্যেই কারখানাটি পুনরায় চালু করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট ও সিগারেট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন নামী-দামি ব্র্যান্ডের প্রায় সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেটসহ উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা। তিনি জানান, অভিযান চলাকালে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা অবৈধ মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গরুর ফার্মের মালিক হাবিব মাস্টার জানান, তিনি জয়রামপুর এলাকার শাকিল ও বৈদ্যনাথতলা এলাকার লিওন হোসেন নামের দুই ব্যক্তির কাছে মাসিক ৪০ হাজার টাকা ভাড়ায়
গরুর ফার্মটি ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে নকল সিগারেট তৈরির কার্যক্রম চলছিল—এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, এর আগেও র্যাব ও কাস্টমসের অভিযানে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরে সেটি আবার চালু করা হয়। তার ভাষ্য, প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করার পরও আদালতের মাধ্যমে সেটি পুনরায় চালু হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগতভাবে তার পক্ষে কারখানাটি বন্ধ করার ক্ষমতা ছিল না। এর আগে গত ৯ মে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ও কাস্টমস বিভাগের যৌথ অভিযানে একই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে নকল সিগারেট তৈরির পাঁচটি মেশিন এবং প্রায় ১ লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছিল। তবে
কিছুদিনের মধ্যেই কারখানাটি পুনরায় চালু করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট ও সিগারেট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।



