ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত
৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে গুলি: চট্টগ্রামে শিবির সাজ্জাদ গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমছেই না
আবারও সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার
ঢাবির ‘ওসমান হাদি’ হল থেকে দুই সমকামী ছাত্র আটক, হল থেকে বহিষ্কার
পে-স্কেলের গেজেটের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি
সাভারে পাঁচ হাতবোমাসহ যুবক আটক, একটি ভবন ঘিরে সিটিটিসির অভিযান
‘ওসি ফরমান আলী বলছি’, ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা
ভারত-মার্কিন গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যেই সাভারে জেএমবি সদস্য বোমা ও সরঞ্জামসহ আটক
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ার আলোচনার মধ্যেই সাভারে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকসহ নব্য জেএমবির এক সদস্যকে আটকের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
১১ই আগস্ট, মঙ্গলবার রাতে রাজধানী ঢাকার পাশ্ববর্তী সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট নব্য জেএমবির সদস্য আরিফ হোসেনকে আটক করে।
অভিযানে তার আস্তানা থেকে ১৪টি পাইপ বোমা, গানপাউডার ও সায়ানাইড উদ্ধারের কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশের ভাষ্য, এর আগে মতিঝিল ও আশুলিয়া থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গে এসব বোমার মিল রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বিস্ফোরক মজুদের ঘটনা জঙ্গি সংগঠনগুলোর
সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ বাড়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। ভারতের জন্য বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো উগ্রবাদী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেটি নয়াদিল্লির অন্যতম উদ্বেগের বিষয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ দমন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার পুনরুত্থান হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সাভারে জেএমবি
সদস্য আটকের সঙ্গে ভারতীয় বা মার্কিন কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি তথ্য বা সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে— এমন কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়টি সম্ভাবনা বা বিশ্লেষণের পর্যায়েই রয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আন্তঃদেশীয় জঙ্গি নেটওয়ার্ক শনাক্ত, অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধান এবং অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদী কার্যক্রম মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে। সাভারের অভিযানের সময়কালও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নানা ধরনের টানাপোড়েনের মধ্যে রাজধানীর কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরকসহ জঙ্গি সদস্য আটকের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে গুরুত্ব পড়ছে। এদিকে
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাও ঘটছে। এসব ঘটনার উৎস, ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাভারে আটক আরিফ হোসেনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কোথা থেকে এসেছে, এগুলো দিয়ে কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। তবে সামগ্রিকভাবে ঘটনাটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে। আবারও সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার সাভারের একটি মাঠ থেকে বোমাসদৃশ প্রেশার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ ১২ই আগস্ট, বুধবার সকালে ভবানীপুর পুলিশ
ক্যাম্পের আওতাধীন সাধাপুর গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠ থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। আবারও সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার স্থানীয়রা জানান, সকালে মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে ড্রামটি খুলে ভেতরে কাপড়চোপড়ের সঙ্গে একটি প্রেশার কুকার দেখতে পান তারা। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান হোসেন সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের দাবি, রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তি ড্রামটি মাঠে রেখে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়। পরে বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের
নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থলে আসছে। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, সকালে বিষয়টি পুলিশ জানতে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ওসি বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই দুষ্কৃতকারীরা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রেশার কুকারের ভেতরে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে। এর আগে গত ৩১শে জুলাই সাভারের আশুলিয়ায় একটি মুদি দোকানের বেঞ্চে পড়ে থাকা ব্যাগের ভেতর থেকে বোমাসদৃশ বস্তুসহ একটি প্রেশার কুকার উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে। ওই ঘটনায় পুলিশ জানায়, সেদিন সন্ধ্যায় আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মুদি দোকানটিতে এসে একটি ঠান্ডা পানীয় কেনার কথা বলে দোকানিকে ৫০০ টাকার নোট দেন। দোকানি খুচরা টাকা নেই জানালে ওই ব্যক্তি সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় ব্যাগটি দোকানে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে যান তিনি। পরে ব্যাগের ভেতর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু ও প্রেশার কুকার পাওয়া যায়। ওই ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, তিন থেকে পাঁচ লিটারের একটি প্রেশার কুকারের ভেতরে বিয়ারিং বল, স্প্লিন্টার এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করে আইইডিটি তৈরি করা হয়েছিল। বিস্ফোরণ ঘটলে আশপাশে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। উদ্ধার বোমাটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ সত্ত্বেও শকওয়েভের ফলে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ির দেয়াল ধসে পড়ে।
সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে বিষয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ বাড়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। ভারতের জন্য বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো উগ্রবাদী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেটি নয়াদিল্লির অন্যতম উদ্বেগের বিষয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ দমন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার পুনরুত্থান হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সাভারে জেএমবি
সদস্য আটকের সঙ্গে ভারতীয় বা মার্কিন কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি তথ্য বা সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে— এমন কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়টি সম্ভাবনা বা বিশ্লেষণের পর্যায়েই রয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আন্তঃদেশীয় জঙ্গি নেটওয়ার্ক শনাক্ত, অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধান এবং অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদী কার্যক্রম মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে। সাভারের অভিযানের সময়কালও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নানা ধরনের টানাপোড়েনের মধ্যে রাজধানীর কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরকসহ জঙ্গি সদস্য আটকের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে গুরুত্ব পড়ছে। এদিকে
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাও ঘটছে। এসব ঘটনার উৎস, ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাভারে আটক আরিফ হোসেনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কোথা থেকে এসেছে, এগুলো দিয়ে কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। তবে সামগ্রিকভাবে ঘটনাটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে। আবারও সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার সাভারের একটি মাঠ থেকে বোমাসদৃশ প্রেশার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ ১২ই আগস্ট, বুধবার সকালে ভবানীপুর পুলিশ
ক্যাম্পের আওতাধীন সাধাপুর গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠ থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। আবারও সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার স্থানীয়রা জানান, সকালে মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে ড্রামটি খুলে ভেতরে কাপড়চোপড়ের সঙ্গে একটি প্রেশার কুকার দেখতে পান তারা। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান হোসেন সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের দাবি, রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তি ড্রামটি মাঠে রেখে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়। পরে বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের
নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থলে আসছে। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, সকালে বিষয়টি পুলিশ জানতে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ওসি বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই দুষ্কৃতকারীরা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রেশার কুকারের ভেতরে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে। এর আগে গত ৩১শে জুলাই সাভারের আশুলিয়ায় একটি মুদি দোকানের বেঞ্চে পড়ে থাকা ব্যাগের ভেতর থেকে বোমাসদৃশ বস্তুসহ একটি প্রেশার কুকার উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে। ওই ঘটনায় পুলিশ জানায়, সেদিন সন্ধ্যায় আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মুদি দোকানটিতে এসে একটি ঠান্ডা পানীয় কেনার কথা বলে দোকানিকে ৫০০ টাকার নোট দেন। দোকানি খুচরা টাকা নেই জানালে ওই ব্যক্তি সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় ব্যাগটি দোকানে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে যান তিনি। পরে ব্যাগের ভেতর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু ও প্রেশার কুকার পাওয়া যায়। ওই ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, তিন থেকে পাঁচ লিটারের একটি প্রেশার কুকারের ভেতরে বিয়ারিং বল, স্প্লিন্টার এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করে আইইডিটি তৈরি করা হয়েছিল। বিস্ফোরণ ঘটলে আশপাশে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। উদ্ধার বোমাটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ সত্ত্বেও শকওয়েভের ফলে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ির দেয়াল ধসে পড়ে।



