গণতন্ত্র নয়, লুটতন্ত্র, বিএনপির তারেক রহমানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

গণতন্ত্র নয়, লুটতন্ত্র, বিএনপির তারেক রহমানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ১০:৪৬ 64 ভিউ
একটি ফাঁস হওয়া মার্কিন কূটনৈতিক কেবল বাংলাদেশের রাজনীতিকে আর কোনো রাখঢাক ছাড়াই অভিযুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ. মরিয়ার্টির স্বাক্ষরিত এই নথিতে তারেক রহমানকে কেবল একজন দুর্নীতিবাজ রাজনীতিক নয়, বরং রাষ্ট্রীয় লুটপাটের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভাষা অস্পষ্ট নয়—তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি বলা হয়েছে। কেবলটিতে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা একটি সম্পূর্ণ মাফিয়া-স্টাইল শাসনব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি। সরকারি নিয়োগ, ঠিকাদারি, ব্যবসায়িক অনুমোদন—সবকিছুই চলত ‘তারেকের রেট’ অনুযায়ী। ক্ষমতার ছায়ায় দাঁড়িয়ে চাঁদাবাজি, ঘুষ আর ভয় দেখানো ছিল নিয়মিত কার্যক্রম। এই কারণেই কেবলটিতে তাকে বাংলাদেশের ক্লেপ্টোক্র্যাটিক রাজনীতির প্রতীক বলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত অনুযায়ী, তারেক রহমান শত শত মিলিয়ন ডলারের

অবৈধ সম্পদের মালিক। সিমেন্স থেকে শুরু করে চীনা হারবিন কোম্পানি—বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যন্ত তার দুর্নীতির শিকার হয়েছে। শুধু অর্থ লুট নয়, তিনি বিচার ব্যবস্থাকেও কিনে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একটি খুন মামলা ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেকের মতো। সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়টি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট। এতিম শিশুদের নামে গঠিত একটি তহবিল থেকে কোটি টাকা আত্মসাৎ—এটি কেবল আর্থিক অপরাধ নয়, এটি মানবিকতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রাজনৈতিক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এতিমের অর্থ ব্যবহার—এর চেয়ে নৈতিক দেউলিয়াপনার বড় উদাহরণ আর হতে পারে না। মার্কিন দূতাবাসের ভাষায়, তারেক রহমানের দুর্নীতি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, আইনের শাসনকে পিষে ফেলেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থাকে

ছিন্নভিন্ন করেছে। দুর্নীতির এই সংস্কৃতি বিনিয়োগ হত্যা করেছে, দারিদ্র্য গভীর করেছে এবং উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের জন্য উর্বর জমি তৈরি করেছে—যার দায় কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ২১২(f) ধারা প্রয়োগের সুপারিশ করে—অর্থাৎ তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার প্রস্তাব দেয়। এটি কোনো কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অভিযোগপত্র। আজ বাংলাদেশের সামনে প্রশ্ন একটাই—যাকে একটি বৈশ্বিক শক্তি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির মুখ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে, তাকে কি গণতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে হাজির করা যায়? অপরাধকে যদি আবারও রাজনীতির বৈধতা দেওয়া হয়, তবে এই দেশের ভবিষ্যৎ আর গণতন্ত্রের হাতে থাকবে না—থাকবে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ আর ক্ষমতার দালালদের দখলে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা” ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Vote টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয় হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার! চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি