ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
নোয়াখালীতে ‘জয় বাংলা’ মিছিল: শিশু আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৭ম-১০ম শ্রেণীর কোমলমতি শিশুদের গণগ্রেপ্তার
খুলনায় সুপেয় পানির সংকট তীব্রতর
বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, জলাধার নষ্ট হওয়া এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় খুলনার উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ প্রচ- গরমের মধ্যে বিশুদ্ধ পানির অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে খুলনা জেলা প্রশাসন এ সংকটের চিত্র তুলে ধরে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সুন্দরবনসংলগ্ন শিবসা, ভৈরব, হাড়িয়া, কাজিবাছা, কপোতাক্ষ, শৈলমারী, হরিভদ্রা ও আত্রাই নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকার স্বাভাবিক মিঠাপানির উৎস নষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও ডুমুরিয়া এলাকায় বাগদা চিংড়ি চাষের বিস্তারের কারণে লবণাক্ততা বেড়ে গিয়ে পানির সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি
সংকটে রয়েছে পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী, সোলাদানা, দেলুটি, লস্কর, হরিঢালী, লতা ও চাঁদখালী ইউনিয়ন; বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী, জলমা ও বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন এবং কয়রা উপজেলার আমাদী ও বাগালি ইউনিয়ন। চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে গেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনার উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার রায় জানান, কয়রার আমাদী, বাগালি ও মহারাজপুর ইউনিয়নে স্থাপিত অনেক গভীর নলকূপ কার্যকর হয়নি। উত্তর ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে মাত্র ২০ শতাংশ গভীর নলকূপে পানি পাওয়া গেছে। তবে সেখানকার পানিও অনেক ক্ষেত্রে লবণাক্ত। ফলে অধিকাংশ মানুষ বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। সংকট মোকাবিলায় বর্তমানে নতুন
কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দাকোপ উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, তিলডাঙ্গা, পানখালী, সুতারখালী, কামারখোলা, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ ও বানিশান্তা ইউনিয়নের মানুষ বছরের প্রায় আট মাস পানির সংকটে ভোগেন। এ সমস্যা নিরসনে প্রায় এক দশক আগে ৪০ হাজার পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছিল। তবে বাজুয়া ও দাকোপ ইউনিয়নে গভীর নলকূপ তুলনামূলকভাবে সফল হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী রুনা আক্তার সুমি বলেন, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রায় ২৫ ফুট নিচে নেমে গেছে। একই সঙ্গে ওই এলাকাগুলোতে লবণাক্ততার মাত্রাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, শুষ্ক মৌসুমে উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে
ভোগেন। বিশেষ করে শিবসা নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা কয়েক বছর ধরেই এ সমস্যার মুখোমুখি। দেলুটি ও শামুকপোতা ইউনিয়নে সারা বছরই বিশুদ্ধ পানির সংকট বিরাজ করে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি। এপ্রিলে মাত্র ৩৩ দশমিক ৭০ মিলিমিটার এবং মে মাসে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রত্যাশিত বৃষ্টি না হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নিচে নেমে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
সংকটে রয়েছে পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী, সোলাদানা, দেলুটি, লস্কর, হরিঢালী, লতা ও চাঁদখালী ইউনিয়ন; বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী, জলমা ও বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন এবং কয়রা উপজেলার আমাদী ও বাগালি ইউনিয়ন। চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে গেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনার উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার রায় জানান, কয়রার আমাদী, বাগালি ও মহারাজপুর ইউনিয়নে স্থাপিত অনেক গভীর নলকূপ কার্যকর হয়নি। উত্তর ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে মাত্র ২০ শতাংশ গভীর নলকূপে পানি পাওয়া গেছে। তবে সেখানকার পানিও অনেক ক্ষেত্রে লবণাক্ত। ফলে অধিকাংশ মানুষ বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। সংকট মোকাবিলায় বর্তমানে নতুন
কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দাকোপ উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, তিলডাঙ্গা, পানখালী, সুতারখালী, কামারখোলা, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ ও বানিশান্তা ইউনিয়নের মানুষ বছরের প্রায় আট মাস পানির সংকটে ভোগেন। এ সমস্যা নিরসনে প্রায় এক দশক আগে ৪০ হাজার পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছিল। তবে বাজুয়া ও দাকোপ ইউনিয়নে গভীর নলকূপ তুলনামূলকভাবে সফল হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী রুনা আক্তার সুমি বলেন, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রায় ২৫ ফুট নিচে নেমে গেছে। একই সঙ্গে ওই এলাকাগুলোতে লবণাক্ততার মাত্রাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, শুষ্ক মৌসুমে উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে
ভোগেন। বিশেষ করে শিবসা নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা কয়েক বছর ধরেই এ সমস্যার মুখোমুখি। দেলুটি ও শামুকপোতা ইউনিয়নে সারা বছরই বিশুদ্ধ পানির সংকট বিরাজ করে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি। এপ্রিলে মাত্র ৩৩ দশমিক ৭০ মিলিমিটার এবং মে মাসে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রত্যাশিত বৃষ্টি না হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নিচে নেমে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।



