ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
একই পরিবারের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে সিআইডির মানিলন্ডারিং মামলা
‘সুরভি স্কুলে’ মার্কিন বিশেষ দূত, শিশু কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী
২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব
শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন
উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ক্ষমতা ছাড়ার পূর্ব মুহূর্তে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশে দুর্নীতি ও লুটপাটের এক চরম মহোৎসবে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অনিয়ম এবং অসংলগ্ন ব্যয়ের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঘাটতি মেটাতে সরকার এখন বেপরোয়াভাবে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। একদিকে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি এবং ব্যাংকিং খাত ‘স্বাভাবিক’ রয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের টাকা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যা দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান এই ভয়াবহ চিত্রটি সামনে এনেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই (জুলাই থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত) সরকার
ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিট ঋণ নিয়েছে ৫৯ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরের অর্ধেক পার হতেই সরকার পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার ৫৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ অর্থ খরচ করে ফেলেছে। উল্লেখ্য যে, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের মোট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। যেভাবে ঋণের বোঝা বাড়ছে, তাতে অর্থবছর শেষ হওয়ার অনেক আগেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে বা সরাসরি ঋণ নেওয়ার প্রবণতা। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৩০ জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের স্থিতি ছিল ৯৮ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা।
মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৪২৯ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এই স্বল্প সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই সরকার অতিরিক্ত ২৪ হাজার ৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; তখন সরকার ঋণ নেওয়ার বদলে ৫৪ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। বর্তমান সরকারের এই বেপরোয়া ঋণ নেওয়ার প্রবণতা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ১০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার একদিকে কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলছে, অন্যদিকে
তলে তলে লুটপাট ও ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষের আমানতের টাকায় হাত দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোতে এখন চরম তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বেসরকারি খাত বা সাধারণ উদ্যোক্তারা ঋণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের এই আর্থিক অব্যবস্থাপনা এবং ‘ফাঁকা বুলি’র আড়ালে সম্পদ পাচার ও লুটপাটের যে চিত্র ফুটে উঠছে, তা দেশের অর্থনীতিকে এক দীর্ঘমেয়াদী ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতা ছাড়ার আগে তড়িঘড়ি করে এত বিপুল পরিমাণ ঋণের টাকা কোথায় যাচ্ছে এবং কেনই বা সাধারণ জনগণের ওপর ঋণের এই বিশাল বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিট ঋণ নিয়েছে ৫৯ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরের অর্ধেক পার হতেই সরকার পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার ৫৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ অর্থ খরচ করে ফেলেছে। উল্লেখ্য যে, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের মোট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। যেভাবে ঋণের বোঝা বাড়ছে, তাতে অর্থবছর শেষ হওয়ার অনেক আগেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে বা সরাসরি ঋণ নেওয়ার প্রবণতা। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৩০ জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের স্থিতি ছিল ৯৮ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা।
মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৪২৯ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এই স্বল্প সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই সরকার অতিরিক্ত ২৪ হাজার ৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; তখন সরকার ঋণ নেওয়ার বদলে ৫৪ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। বর্তমান সরকারের এই বেপরোয়া ঋণ নেওয়ার প্রবণতা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ১০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার একদিকে কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলছে, অন্যদিকে
তলে তলে লুটপাট ও ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষের আমানতের টাকায় হাত দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোতে এখন চরম তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বেসরকারি খাত বা সাধারণ উদ্যোক্তারা ঋণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের এই আর্থিক অব্যবস্থাপনা এবং ‘ফাঁকা বুলি’র আড়ালে সম্পদ পাচার ও লুটপাটের যে চিত্র ফুটে উঠছে, তা দেশের অর্থনীতিকে এক দীর্ঘমেয়াদী ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতা ছাড়ার আগে তড়িঘড়ি করে এত বিপুল পরিমাণ ঋণের টাকা কোথায় যাচ্ছে এবং কেনই বা সাধারণ জনগণের ওপর ঋণের এই বিশাল বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।



