ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তদবির–চাঁদাবাজির অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি, তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে কোটি টাকার বাণিজ্যের গুঞ্জন
স্টাফ রিপোর্টার ।
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই পুরোনো দুর্নীতি, তদবির ও প্রভাব খাটানোর রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এমন বিস্ফোরক অভিযোগে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে গুঞ্জন, তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্য এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের পদ ‘ম্যানেজ’ করার তৎপরতা চলছে জোরেশোরে।
বিভিন্ন সূত্রের দাবি, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানসহ রাষ্ট্রের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কৌশলগত পদগুলোকে ঘিরে তদবির বাণিজ্য গড়ে উঠেছে। এসব
তদবিরের সঙ্গে বগুড়া অঞ্চলের কয়েকজন ব্যক্তি, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং তারেক রহমানের স্ত্রী পক্ষের কিছু আত্মীয়-স্বজন জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে, তবে তা শুধু একটি দলের অভ্যন্তরীণ সংকট নয়—বরং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। অতীতে যেসব অনিয়ম, দখলদারি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রাজনীতিকে কলুষিত করেছিল, সেগুলো কি আবারও ফিরে আসছে—সে আশঙ্কাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।
তদবিরের সঙ্গে বগুড়া অঞ্চলের কয়েকজন ব্যক্তি, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং তারেক রহমানের স্ত্রী পক্ষের কিছু আত্মীয়-স্বজন জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে, তবে তা শুধু একটি দলের অভ্যন্তরীণ সংকট নয়—বরং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। অতীতে যেসব অনিয়ম, দখলদারি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রাজনীতিকে কলুষিত করেছিল, সেগুলো কি আবারও ফিরে আসছে—সে আশঙ্কাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।



