ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
কাতারে ইসরাইলের প্রধান টার্গেট কে এই খলিল আল-হাইয়া
দোহায় ইসরাইলের হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন সিনিয়র হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়া। কিন্তু কে এই আল-হাইয়া এবং হামাসের ভেতরে তার ভূমিকা কী?
আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, ইসমাইল হানিয়া ও ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিহত হওয়ার পর আল-হাইয়া হামাসের ভেতরে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি এখন গাজার নির্বাসিত প্রধান হিসেবে দোহায় অবস্থান করছেন এবং গাজা শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনায় হামাসের শীর্ষ প্রধান সমঝোতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।
আল-হাইয়ার জন্ম ১৯৬০ সালে গাজায়। ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হওয়ার সময় থেকেই তিনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন।
ইসরাইলের বিভিন্ন হামলায় তিনি তার পরিবারের বহু সদস্যকে হারিয়েছেন।
২০০৭ সালে গাজার সেজাইয়া এলাকায় তার বাড়িতে ইসরাইলি
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।



