ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
অ্যামেরিকার সঙ্গে কিউবার বৈঠক সম্পন্ন: প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
ট্রাম্পের গঠিত রিলিজিয়াস ফ্রিডম কমিশনের একমাত্র মুসলিম নারী সদস্যর পদত্যাগ
জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
কাতারে ইসরাইলের প্রধান টার্গেট কে এই খলিল আল-হাইয়া
দোহায় ইসরাইলের হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন সিনিয়র হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়া। কিন্তু কে এই আল-হাইয়া এবং হামাসের ভেতরে তার ভূমিকা কী?
আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, ইসমাইল হানিয়া ও ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিহত হওয়ার পর আল-হাইয়া হামাসের ভেতরে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি এখন গাজার নির্বাসিত প্রধান হিসেবে দোহায় অবস্থান করছেন এবং গাজা শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনায় হামাসের শীর্ষ প্রধান সমঝোতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।
আল-হাইয়ার জন্ম ১৯৬০ সালে গাজায়। ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হওয়ার সময় থেকেই তিনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন।
ইসরাইলের বিভিন্ন হামলায় তিনি তার পরিবারের বহু সদস্যকে হারিয়েছেন।
২০০৭ সালে গাজার সেজাইয়া এলাকায় তার বাড়িতে ইসরাইলি
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।
বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন স্বজন নিহত হন। ২০১৪ সালের যুদ্ধে তার বড় ছেলে ওসামার বাড়ি বোমায় ধ্বংস হয়। এতে ওসামা, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান মারা যান। তবে এই হামলাগুলোর সময় আল-হাইয়া বাড়িতে ছিলেন না। কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে দোহায় চলে আসেন। বর্তমানে তিনি হামাসের অন্যতম প্রভাবশালী নির্বাসিত নেতা। দোহা থেকেই তিনি আরব ও ইসলামি বিশ্বের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ইসরাইল দাবি করেছে, ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকরী তিনি। তাই তাকে লক্ষ্য করে কাতারে হামলা করা হয়েছে। তবে হামাসের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তিনি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন।



