ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
কাওসার-জাফর-পায়া স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে ইরান
আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। স্যাটেলাইট তিনটি হলো-কাওসার, জাফর ও পায়া।
ইরানের মহাকাশ সংস্থা (আইএসএ)-এর প্রধান হোসেইন সালারিয়েহ দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘কাওসার’, ‘জাফর’ এবং ‘পায়া’—নামের তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ইরানি বছরের শেষ (২০ মার্চ ২০২৬) নাগাদ সম্পন্ন হতে পারে।
সম্প্রতি একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ওই ঘটনাটি ইরানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার অবজারভেটরিতে সরাসরি দেখার আয়োজন করা হয় এবং এতে বিজ্ঞানী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
আর এরইমধ্যে এমন ঘোষণা দিলেন ইরানের মহাকাশ সংস্থার প্রধান।
ড. সালারিয়েহ
বলেন, ‘এই ধরনের আয়োজন আমাদের মহাকাশ অভিযানের প্রতি প্রতিশ্রুতি ও জনগণের অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কাওসার’, ‘জাফর’ ও ‘পায়া’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইরানের স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সক্ষমতা আরও জোরদার হবে। সালারিয়েহ জানান, তিনটি স্যাটেলাইটই শরৎকালে উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে রয়েছে, তবে ‘কারিগরি পরীক্ষার জন্য কিছুটা বিলম্ব হতে পারে’। তিনি বলেন, ‘নির্ভুলতা আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে স্যাটেলাইটগুলো সর্বোচ্চ মানদণ্ড পূরণ করে।' ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সালারিয়েহ আরও জানান, এর বাইরে ‘নাহিদ-২’ নামে একটি ন্যারো-ব্যান্ড যোগাযোগ স্যাটেলাইট তৈরি করা হচ্ছে, যা ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সংযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা দেন, শিগগিরই ‘শহীদ সোলেইমানি উপগ্রহব্যবস্থা’ উন্মোচন করা হবে। এটি একটি স্যাটেলাইট নক্ষত্রপুঞ্জ, যা নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই মহাকাশ যোগাযোগ
ব্যবস্থার পথপ্রদর্শক হবে। তিনি বলেন, ‘এটি মহাকাশ প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতার দিকে আমাদের বড় পদক্ষেপ। বর্তমানে এর পরীক্ষামূলক মডেল প্রায় প্রস্তুত।'
বলেন, ‘এই ধরনের আয়োজন আমাদের মহাকাশ অভিযানের প্রতি প্রতিশ্রুতি ও জনগণের অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কাওসার’, ‘জাফর’ ও ‘পায়া’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইরানের স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সক্ষমতা আরও জোরদার হবে। সালারিয়েহ জানান, তিনটি স্যাটেলাইটই শরৎকালে উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে রয়েছে, তবে ‘কারিগরি পরীক্ষার জন্য কিছুটা বিলম্ব হতে পারে’। তিনি বলেন, ‘নির্ভুলতা আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে স্যাটেলাইটগুলো সর্বোচ্চ মানদণ্ড পূরণ করে।' ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সালারিয়েহ আরও জানান, এর বাইরে ‘নাহিদ-২’ নামে একটি ন্যারো-ব্যান্ড যোগাযোগ স্যাটেলাইট তৈরি করা হচ্ছে, যা ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সংযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা দেন, শিগগিরই ‘শহীদ সোলেইমানি উপগ্রহব্যবস্থা’ উন্মোচন করা হবে। এটি একটি স্যাটেলাইট নক্ষত্রপুঞ্জ, যা নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই মহাকাশ যোগাযোগ
ব্যবস্থার পথপ্রদর্শক হবে। তিনি বলেন, ‘এটি মহাকাশ প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতার দিকে আমাদের বড় পদক্ষেপ। বর্তমানে এর পরীক্ষামূলক মডেল প্রায় প্রস্তুত।'



