ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
রুমিন, তাহেরী, মুজিবুর ও সালামকে শোকজ
গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ
আওয়ামী লীগের সমর্থকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ফেব্রুয়ারির এই একতরফা নির্বাচন বর্জন করতে হবে
ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়
এজাহারে নাম নেই তবু জাপা প্রার্থী টিপুর মুক্তি মিলছে না
কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তবে নির্বাচনের আগে এমন প্রতিশ্রুতিকে ‘ভোটারদের প্রলুব্ধ করার কৌশল’ ও ‘নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সম্প্রতি বিএনপির পক্ষ থেকে কড়াইল বস্তি পুনর্বাসন ও সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়। এই প্রতিশ্রুতির আইনি ভিত্তি ও এখতিয়ার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় জমিতে বা সরকারি অর্থায়নে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নিজেদের
ব্যক্তিগত বা দলীয় উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করতে পারেন কিনা, তা নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটারদের সরাসরি কোনো আর্থিক বা বস্তুগত সুবিধার আশ্বাস দেওয়া নিষিদ্ধ। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, “রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারেক রহমান কি ব্যক্তিগত অর্থে এই ফ্ল্যাট বানাবেন, নাকি রাষ্ট্রীয় অর্থে? যদি রাষ্ট্রীয় অর্থে হয়, তবে নির্বাচনের আগে এমন সুনির্দিষ্ট বস্তুগত সুবিধার প্রতিশ্রুতি আচরণবিধির লঙ্ঘন।” নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “ছোট দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সামান্য ত্রুটিতে শোকজ করা
হলেও, বড় দলগুলোর গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কমিশন নীরব থাকছে। এই দ্বিমুখী আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিডিয়া এবং প্রশাসন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। ঢাকার রাজনীতিতে বস্তি পুনর্বাসন একটি পুরনো ও স্পর্শকাতর ইস্যু। অতীতে আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর ও কড়াইলসহ বিভিন্ন বস্তি নিয়ে নানা সময় নানা সরকার ও দল প্রতিশ্রুতি দিলেও, বাস্তবে বস্তিবাসীদের ভাগ্যে জুটেছে উচ্ছেদ ও অনিশ্চয়তা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন এলেই বস্তিবাসীদের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি থেকে দলগুলো এখনো বের হতে পারেনি। কড়াইলের ফ্ল্যাট নির্মাণের এই প্রতিশ্রুতি কি সত্যিই বাস্তবায়িত হবে, নাকি এটি কেবল নির্বাচনী
বৈতরণী পার হওয়ার কৌশল—সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সচেতন মহল।
ব্যক্তিগত বা দলীয় উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করতে পারেন কিনা, তা নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটারদের সরাসরি কোনো আর্থিক বা বস্তুগত সুবিধার আশ্বাস দেওয়া নিষিদ্ধ। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, “রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারেক রহমান কি ব্যক্তিগত অর্থে এই ফ্ল্যাট বানাবেন, নাকি রাষ্ট্রীয় অর্থে? যদি রাষ্ট্রীয় অর্থে হয়, তবে নির্বাচনের আগে এমন সুনির্দিষ্ট বস্তুগত সুবিধার প্রতিশ্রুতি আচরণবিধির লঙ্ঘন।” নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “ছোট দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সামান্য ত্রুটিতে শোকজ করা
হলেও, বড় দলগুলোর গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কমিশন নীরব থাকছে। এই দ্বিমুখী আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিডিয়া এবং প্রশাসন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। ঢাকার রাজনীতিতে বস্তি পুনর্বাসন একটি পুরনো ও স্পর্শকাতর ইস্যু। অতীতে আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর ও কড়াইলসহ বিভিন্ন বস্তি নিয়ে নানা সময় নানা সরকার ও দল প্রতিশ্রুতি দিলেও, বাস্তবে বস্তিবাসীদের ভাগ্যে জুটেছে উচ্ছেদ ও অনিশ্চয়তা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন এলেই বস্তিবাসীদের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি থেকে দলগুলো এখনো বের হতে পারেনি। কড়াইলের ফ্ল্যাট নির্মাণের এই প্রতিশ্রুতি কি সত্যিই বাস্তবায়িত হবে, নাকি এটি কেবল নির্বাচনী
বৈতরণী পার হওয়ার কৌশল—সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সচেতন মহল।



