ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে, সীমান্তে উত্তেজনা
চন্দনাইশে অলির বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল: তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ
গণভোট না মানলে মোনাফেক হয়ে যাবে, জামায়াত নেতা শিশির মনিরের নয়া ‘ফতোয়া’
থানায় ঢুকে ৯ পুলিশ সদস্যকে প্রহার, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের আরও দুই নেতা গ্রেপ্তার
বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট, জ্বালানির অভাবে সমুদ্রে যেতে পারছে না মাছ ধরার ট্রলার
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে কক্সবাজারে প্রায় নয় হাজারের কাছাকাছি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। গত তিন দিনে চারটি শিশু মারা গেছে। জেলা সদর হাসপাতালে এখন একসাথে ৩১ জন শিশু ভর্তি, আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড পর্যন্ত নেই। অথচ ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার এই পুরো সময়টা জুড়ে এমন আচরণ করে গেছে যেন এই দেশে কিছুই ঘটছে না।
এটাকে অবহেলা বললে কম বলা হয়। এটা আসলে একটা রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা, যেটা অনেকটা ইচ্ছাকৃত বলেই মনে হয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কথা বলা হচ্ছে বলে অনেকে হয়তো ভাবছেন এটা "আমাদের" সমস্যা না। কিন্তু কক্সবাজার শহর এবং আশপাশের এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পের বাইরের সাধারণ
বাংলাদেশি পরিবারের শিশুরাও এখন ঝুঁকিতে। হাম এমন একটা রোগ যেটা বাতাসের মধ্য দিয়ে ছড়ায়, সীমানা বোঝে না। একটা গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায় না। তারপরেও সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি ঘোষণা নেই, কোনো জাতীয় টিকাদান অভিযানের কথা নেই, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো বক্তব্য নেই চাপাবাজি করা ছাড়া। বিএনপি এমন একটা দল যার জন্মটাই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির যে স্বাভাবিক ধারা সেটার সাথে এই দলের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন। এবারও ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারির এমন একটা ভোটের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, জনগণ বয়কট করেছে। ফলে যে মন্ত্রিসভা এখন বসে আছে, তাদের কাছে জনগণের কাছে জবাবদিহি
করার কোনো বাধ্যবাধকতা আছে বলে তারা নিজেরাও মনে করে না। আর সেটা এখন এই মহামারির মধ্যে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। একটা বৈধ সরকার হলে এতদিনে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কমপক্ষে একটা জরুরি বিজ্ঞপ্তি বের হতো। কক্সবাজারে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও ওষুধ পাঠানো হতো। শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান ক্যাম্প চালু হতো। মিডিয়ায় সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হতো। কিছুই হয়নি। হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড "করার পরিকল্পনা আছে" এটুকুই পাওয়া গেছে। শিশু মরছে। এবং সরকার পরিসংখ্যান লুকাচ্ছে। ঘটনাটাকে যেভাবে সামনে আনার কথা ছিল সেটা হচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসকরা কথা বলছেন, স্থানীয় হাসপাতাল তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু জাতীয় পর্যায় থেকে কোনো সাড়া নেই। এটা মহামারি লুকানোর আরেকটা রূপ, সরাসরি মিথ্যা না বললেও
নীরব থেকে ঘটনার ভয়াবহতাকে জনমানসে পৌঁছাতে না দেওয়া। যে সরকার নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ছাড়াই ক্ষমতায় বসেছে, সে সরকারের কাছে জনস্বাস্থ্য একটা রাজনৈতিক হিসাবের বিষয়, মানবিক দায়িত্বের বিষয় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুদের মৃত্যু তাদের ভোটব্যাংকে কোনো প্রভাব ফেলে না, কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের আতঙ্কও তাদের ক্ষমতায় কোনো টান দেয় না। তাই বিকার নেই। সত্যিই কোনো বিকার নেই।
বাংলাদেশি পরিবারের শিশুরাও এখন ঝুঁকিতে। হাম এমন একটা রোগ যেটা বাতাসের মধ্য দিয়ে ছড়ায়, সীমানা বোঝে না। একটা গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায় না। তারপরেও সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি ঘোষণা নেই, কোনো জাতীয় টিকাদান অভিযানের কথা নেই, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো বক্তব্য নেই চাপাবাজি করা ছাড়া। বিএনপি এমন একটা দল যার জন্মটাই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির যে স্বাভাবিক ধারা সেটার সাথে এই দলের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন। এবারও ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারির এমন একটা ভোটের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, জনগণ বয়কট করেছে। ফলে যে মন্ত্রিসভা এখন বসে আছে, তাদের কাছে জনগণের কাছে জবাবদিহি
করার কোনো বাধ্যবাধকতা আছে বলে তারা নিজেরাও মনে করে না। আর সেটা এখন এই মহামারির মধ্যে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। একটা বৈধ সরকার হলে এতদিনে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কমপক্ষে একটা জরুরি বিজ্ঞপ্তি বের হতো। কক্সবাজারে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও ওষুধ পাঠানো হতো। শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান ক্যাম্প চালু হতো। মিডিয়ায় সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হতো। কিছুই হয়নি। হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড "করার পরিকল্পনা আছে" এটুকুই পাওয়া গেছে। শিশু মরছে। এবং সরকার পরিসংখ্যান লুকাচ্ছে। ঘটনাটাকে যেভাবে সামনে আনার কথা ছিল সেটা হচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসকরা কথা বলছেন, স্থানীয় হাসপাতাল তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু জাতীয় পর্যায় থেকে কোনো সাড়া নেই। এটা মহামারি লুকানোর আরেকটা রূপ, সরাসরি মিথ্যা না বললেও
নীরব থেকে ঘটনার ভয়াবহতাকে জনমানসে পৌঁছাতে না দেওয়া। যে সরকার নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ছাড়াই ক্ষমতায় বসেছে, সে সরকারের কাছে জনস্বাস্থ্য একটা রাজনৈতিক হিসাবের বিষয়, মানবিক দায়িত্বের বিষয় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুদের মৃত্যু তাদের ভোটব্যাংকে কোনো প্রভাব ফেলে না, কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের আতঙ্কও তাদের ক্ষমতায় কোনো টান দেয় না। তাই বিকার নেই। সত্যিই কোনো বিকার নেই।



