ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গুলিস্তান
১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২ লাশ: আনোয়ারায় গৃহবধূ ও জেলের রহস্যজনক মৃত্যু
মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি
ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক
সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই
বিচারকের বাড়ি থেকে ১৯ লাখ টাকার সোনাসহ মামালাল চুরি: বিএনপির ২ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০
সুনামগঞ্জের ছাতকে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন ও নজমুল হক নসিবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কাইল্যাচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চরমহল্লা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী নেতা আল আমিন এবং ফুলতলী সংগঠন আল ইসলাহ নেতা নজমুল হক নসিবের মধ্যে পূর্ব থেকেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে গত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা কটূক্তিমূলক মন্তব্য ও পোস্ট দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে
ওঠে। রাতে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একপর্যায়ে নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাহিন মিয়া (২০), নুরুল আমিন (৩৫), আব্দুস সোবহান (৫৫), সুফিয়ান (২০), নাছির উদ্দিন (৩৮), সালা উদ্দিন (৩৫), আকছার আলী (২২), এমাদ উদ্দিন (২৫), জয়ন উদ্দিন, আব্দুল আজিজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়েই মূলত
বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে তা ফেসবুকে পালটাপালটি পোস্ট ও গালাগালের মাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তা পরবর্তীতে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ বিষয়ে নজমুল হক নসিব বলেন, ভিজিএফের কার্ডের সুবিধাভোগী হওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন সমর্থকরা আমাকে বিদ্রুপ করে ও ফেসবুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে আল আমিনের দাবি, ভিজিএফের চাল নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয় এবং আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি
শান্ত রয়েছে।
ওঠে। রাতে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একপর্যায়ে নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাহিন মিয়া (২০), নুরুল আমিন (৩৫), আব্দুস সোবহান (৫৫), সুফিয়ান (২০), নাছির উদ্দিন (৩৮), সালা উদ্দিন (৩৫), আকছার আলী (২২), এমাদ উদ্দিন (২৫), জয়ন উদ্দিন, আব্দুল আজিজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়েই মূলত
বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে তা ফেসবুকে পালটাপালটি পোস্ট ও গালাগালের মাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তা পরবর্তীতে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ বিষয়ে নজমুল হক নসিব বলেন, ভিজিএফের কার্ডের সুবিধাভোগী হওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন সমর্থকরা আমাকে বিদ্রুপ করে ও ফেসবুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে আল আমিনের দাবি, ভিজিএফের চাল নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয় এবং আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি
শান্ত রয়েছে।



