ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে মোট ৯৭২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী ও কার্গো পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং বিমান চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের প্রভাবে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত করে দেয়। ফলে এসব রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনস বাধ্য হয়ে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট বাতিল করে।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, সংকটের শুরুর দিকে বাতিলের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ৩৩৯টি ফ্লাইট
বাতিল হয়। এরপর ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ২৭৫টি, ২০ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ২২৬টি এবং ৩০ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭২টিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আকাশসীমা ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে ফ্লাইট পরিচালনার পূর্ণ স্বাভাবিকতা। এদিকে, ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে। বিমানবন্দর
কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
বাতিল হয়। এরপর ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ২৭৫টি, ২০ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ২২৬টি এবং ৩০ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭২টিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আকাশসীমা ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে ফ্লাইট পরিচালনার পূর্ণ স্বাভাবিকতা। এদিকে, ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে। বিমানবন্দর
কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।



