ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বদলাতে গাড়িতে এআই
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
বিদেশি ভাষা বলতে পারবেন সহজেই, গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হলো নতুন ফিচার
যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে
এআই’র প্রসারে সংকুচিত হচ্ছে মৌলিক চিন্তার পরিসর
ঐতিহাসিক সোশ্যাল মিডিয়া মামলায় সাক্ষ্য দেবেন মার্ক জাকারবার্গ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর-কিশোরীদের উপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে দায়ের করা এক ঐতিহাসিক মামলায় ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টের বিচারক ক্যারোলিন কুল এই সপ্তাহে মেটা প্ল্যাটফর্মসের যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন যে জাকারবার্গের সরাসরি হাজিরা অপ্রয়োজনীয়।
এই আদেশের আওতায় আরও পড়েছেন স্ন্যাপচ্যাটের প্রধান নির্বাহী ইভান স্পিগেল এবং ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মসেরি।
আসন্ন জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া এই বিচারটি সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দায়ের করা অসংখ্য মামলার মধ্যে প্রথমগুলোর একটি, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে এসব অ্যাপ ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্তিকরভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যদিও প্রতিষ্ঠানগুলো জানত এগুলো তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে
পারে। মেটা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। স্ন্যাপের প্রতিনিধিত্বকারী আইন সংস্থা কার্কল্যান্ড অ্যান্ড এলিস জানিয়েছে, আদালতের এই সিদ্ধান্ত মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না। সংস্থাটি বলেছে, তারা আদালতে প্রমাণ করতে আগ্রহী যে স্ন্যাপচ্যাটের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বাস্তবতা ও আইনের দিক থেকে ভুল। ২০২২ সালে শত শত অভিভাবক ও স্কুল জেলা কর্তৃপক্ষের করা অভিযোগগুলো একত্রিত করে এই মামলাটি লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব কোম্পানির প্যারেন্টাল কন্ট্রোল দুর্বল এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপর্যাপ্ত। পাশাপাশি “লাইক” এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন তরুণদের প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে। মেটা ও স্ন্যাপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একই ধরনের আরও একটি ফেডারেল মামলায় টিকটক (বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন) ও ইউটিউব (অ্যালফাবেটের
মালিকানাধীন) এর নামও রয়েছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মামলাগুলো বাতিলের আবেদন জানিয়েছিল, যুক্তি দিয়ে যে ১৯৯০-এর দশকে পাস হওয়া একটি ফেডারেল আইন তাদের ব্যবহারকারীদের কনটেন্টের জন্য দায়ী করে না। কিন্তু বিচারক কুল রায় দেন, অ্যাপের নকশাজনিত অবহেলা ও ব্যক্তিগত ক্ষতির অভিযোগগুলো মোকাবিলার দায় কোম্পানিগুলোরই। কিশোরদের পক্ষে থাকা আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, কোম্পানিগুলো সচেতনভাবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনেনি কারণ এতে তাদের ব্যবসায় ক্ষতি হতো। মেটা জানিয়েছিল, জাকারবার্গ ও মসেরি ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন, এবং সরাসরি হাজিরা “বড় ধরনের বোঝা” তৈরি করবে। তবে বিচারক কুল বলেন, কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর সরাসরি সাক্ষ্য “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”, কারণ তাদের জানা তথ্য এবং ঝুঁকি এড়াতে পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়গুলো অবহেলার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। মামলার বাদী
আইন সংস্থা বিসলি অ্যালেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমরা উন্মুখ হয়ে আছি এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব কোম্পানি ও তাদের নির্বাহীদের শিশুদের ক্ষতির জন্য জবাবদিহিতার মুখোমুখি করতে।” সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর আইনি ও রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। গত বছর কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে জাকারবার্গ বলেন, মেটা এই বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং সুরক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সঙ্গে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি—এর সরাসরি সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। গত বছর ইনস্টাগ্রাম বিশেষ “টিন অ্যাকাউন্ট” চালু করে, এবং চলতি মাসে সেই ব্যবস্থা আরও উন্নত করে নতুন একটি ডিফল্ট সেটিং
যুক্ত করেছে যা বয়স-উপযুক্ত কনটেন্ট ফিল্টার করে। অভিভাবকরাও এখন আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবেন।
পারে। মেটা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। স্ন্যাপের প্রতিনিধিত্বকারী আইন সংস্থা কার্কল্যান্ড অ্যান্ড এলিস জানিয়েছে, আদালতের এই সিদ্ধান্ত মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না। সংস্থাটি বলেছে, তারা আদালতে প্রমাণ করতে আগ্রহী যে স্ন্যাপচ্যাটের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বাস্তবতা ও আইনের দিক থেকে ভুল। ২০২২ সালে শত শত অভিভাবক ও স্কুল জেলা কর্তৃপক্ষের করা অভিযোগগুলো একত্রিত করে এই মামলাটি লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব কোম্পানির প্যারেন্টাল কন্ট্রোল দুর্বল এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপর্যাপ্ত। পাশাপাশি “লাইক” এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন তরুণদের প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে। মেটা ও স্ন্যাপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একই ধরনের আরও একটি ফেডারেল মামলায় টিকটক (বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন) ও ইউটিউব (অ্যালফাবেটের
মালিকানাধীন) এর নামও রয়েছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মামলাগুলো বাতিলের আবেদন জানিয়েছিল, যুক্তি দিয়ে যে ১৯৯০-এর দশকে পাস হওয়া একটি ফেডারেল আইন তাদের ব্যবহারকারীদের কনটেন্টের জন্য দায়ী করে না। কিন্তু বিচারক কুল রায় দেন, অ্যাপের নকশাজনিত অবহেলা ও ব্যক্তিগত ক্ষতির অভিযোগগুলো মোকাবিলার দায় কোম্পানিগুলোরই। কিশোরদের পক্ষে থাকা আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, কোম্পানিগুলো সচেতনভাবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনেনি কারণ এতে তাদের ব্যবসায় ক্ষতি হতো। মেটা জানিয়েছিল, জাকারবার্গ ও মসেরি ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন, এবং সরাসরি হাজিরা “বড় ধরনের বোঝা” তৈরি করবে। তবে বিচারক কুল বলেন, কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর সরাসরি সাক্ষ্য “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”, কারণ তাদের জানা তথ্য এবং ঝুঁকি এড়াতে পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়গুলো অবহেলার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। মামলার বাদী
আইন সংস্থা বিসলি অ্যালেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমরা উন্মুখ হয়ে আছি এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব কোম্পানি ও তাদের নির্বাহীদের শিশুদের ক্ষতির জন্য জবাবদিহিতার মুখোমুখি করতে।” সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর আইনি ও রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। গত বছর কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে জাকারবার্গ বলেন, মেটা এই বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং সুরক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সঙ্গে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি—এর সরাসরি সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। গত বছর ইনস্টাগ্রাম বিশেষ “টিন অ্যাকাউন্ট” চালু করে, এবং চলতি মাসে সেই ব্যবস্থা আরও উন্নত করে নতুন একটি ডিফল্ট সেটিং
যুক্ত করেছে যা বয়স-উপযুক্ত কনটেন্ট ফিল্টার করে। অভিভাবকরাও এখন আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবেন।



