ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তারল্যচাপে অর্থনীতিতে বাড়ছে উদ্বেগ, ৪২ দিনে ৪১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ
নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন: বিপাকে সাধারণ মানুষ, প্রকাশ্যেই ঝাড়ছেন ক্ষোভ
ড. মামুনুর রশীদ: জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ২.৮%-তে
দেশে আজ সোনার ভরি কত
৮০% পর্যন্ত বিশাল ছাড়ে শুরু হলো ‘দারাজ বৈশাখী মেলা’
দেশে জ্বালানি মজুত রয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন
ঢাকায় পরীক্ষামূলক ফুয়েল পাস চালু, যেভাবে নিবন্ধন করবেন
এলপিজি সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য: প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা আদায়
রান্নায় ব্যবহৃত গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে অস্থিরতা যেন থামছেই না। সরকার নির্ধারিত দামকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রতি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা বেশি আদায় করছেন খুচরা বিক্রেতারা। সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচের বাজেটে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
এই নৈরাজ্যের পেছনে সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্য, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে ভোক্তা পর্যায়ে দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে।
ঘটনাস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাজারে তা পাওয়া যাচ্ছে না।
সরেজমিনে শহরের উত্তর পৈরতলা, কাউতলী, পাইকপাড়া ও মেড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে:
• বিইআরসি নির্ধারিত দাম: ১,৭২৮ টাকা।
•
বর্তমান বাজার দর: ১,৯০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা। • অতিরিক্ত আদায়: ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা (গত মাসের তুলনায়)। ভোক্তাদের হাহাকার: খরচ বেড়েছে ৩ গুণ শহরের কলেজপাড়ার শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “এক মাসের ব্যবধানে সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ টাকা। আমাদের আয় তো বাড়েনি, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।” একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন দাতিয়ারার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন। তার ৮ সদস্যের পরিবারে মাসে দুটি সিলিন্ডার লাগে, যার পেছনে এখন তাকে গুণতে হচ্ছে ৪ হাজার টাকা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তারা নিজেরা নিরুপায়। উত্তর পৈরতলার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও সুব্রত সাহার দাবি— কোম্পানিগুলোই ডিলারদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সরবরাহ করছে। এর সাথে যুক্ত
হচ্ছে পরিবহন খরচ ও দোকান ভাড়া। ফলে ১ হাজার ৮০০ টাকায় কিনে ১ হাজার ৭২৮ টাকায় বিক্রি করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর সমিতির সভাপতি শেখ ফরিদ জানিয়েছেন, “আন্তর্জাতিক বাজার ও যুদ্ধ পরিস্থিতির অজুহাতে কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করতে গিয়ে প্রশাসনের জরিমানার শিকার হচ্ছি। বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি প্রয়োজন।” বাজারের এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ডিলারদের দাবি, খুচরা পর্যায়ে অভিযান না চালিয়ে মূল সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণ করলে তবেই সাধারণ মানুষ সুফল পাবে।
বর্তমান বাজার দর: ১,৯০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা। • অতিরিক্ত আদায়: ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা (গত মাসের তুলনায়)। ভোক্তাদের হাহাকার: খরচ বেড়েছে ৩ গুণ শহরের কলেজপাড়ার শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “এক মাসের ব্যবধানে সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ টাকা। আমাদের আয় তো বাড়েনি, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।” একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন দাতিয়ারার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন। তার ৮ সদস্যের পরিবারে মাসে দুটি সিলিন্ডার লাগে, যার পেছনে এখন তাকে গুণতে হচ্ছে ৪ হাজার টাকা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তারা নিজেরা নিরুপায়। উত্তর পৈরতলার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও সুব্রত সাহার দাবি— কোম্পানিগুলোই ডিলারদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সরবরাহ করছে। এর সাথে যুক্ত
হচ্ছে পরিবহন খরচ ও দোকান ভাড়া। ফলে ১ হাজার ৮০০ টাকায় কিনে ১ হাজার ৭২৮ টাকায় বিক্রি করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর সমিতির সভাপতি শেখ ফরিদ জানিয়েছেন, “আন্তর্জাতিক বাজার ও যুদ্ধ পরিস্থিতির অজুহাতে কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করতে গিয়ে প্রশাসনের জরিমানার শিকার হচ্ছি। বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি প্রয়োজন।” বাজারের এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ডিলারদের দাবি, খুচরা পর্যায়ে অভিযান না চালিয়ে মূল সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণ করলে তবেই সাধারণ মানুষ সুফল পাবে।



