ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সার সংকট নিয়ে উদ্বেগ সংসদে
এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে
রুমিন ফারহানার যে বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকান্ড: ৪০ ঘন্টা ধরে পুড়েছে সার্ভার রুম ও গুরুত্বপূর্ণ নথি
“এক দেশের উপর হামলা মানেই তিন দেশের উপর হামলা”: সৌদিতে হুতিদের হামলায় শুধুই সমবেদনা ‘মক্কা জোট’ মিত্রদের
নোয়াখালীতে মাদ্রাসায় শিশু ছাত্রী ধর্ষণঃ ধর্ষক ‘মুহতারাম’-কে আচ্ছামতো গণধোলাই দিলো এলাকাবাসী
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে দুর্নীতি ও অনিয়ম এর দায়ে গুপ্ত সংগঠন নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদকে বহিষ্কার
এলএনজি ক্রয়ে লেজেগোবরে অবস্থা, অপরিকল্পিত লাখ লাখ ডলার খরচ কিন্তু কাটছে না গ্যাস সংকট
দেশের গ্যাস খাতে ভয়াবহ সংকট চলছে দীর্ঘ ২৬ দিন ধরে। গত ২১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই সংকট এখনো কাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহে প্রস্তুত থাকলেও আগামী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত কোনো এলএনজিবাহী কার্গো না থাকায় আরও অন্তত এক সপ্তাহ সারা দেশে গ্যাস সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রাজনৈতিক তদবিরে ভুল সিদ্ধান্তেই সংকট, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের
জ্বালানি বিভাগ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ৬টি কার্গো আমদানির সিদ্ধান্তই মূলত এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। আজ এর একটি কার্গো আসার কথা থাকলেও তা আসছে না বলে জানা গেছে।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা
জানান, নির্ধারিত সময়ে এসব কার্গো না আসার আশঙ্কা থেকেই স্পট মার্কেট থেকে ১৭ ও ২৪ আগস্টের জন্য ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম সিঙ্গাপুর থেকে কার্গো কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ আগস্ট এই প্রস্তাব ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু কমিটি সেই প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে উল্টো সরাসরি ক্রয়নীতিতে কেনা ৬টি কার্গো আগে আমদানির নির্দেশ দেয়। সেই সিদ্ধান্তের খেসারত এখন দিচ্ছে সারা দেশের মানুষ। জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে ৫ কার্গো কেনার দরপত্র পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে ৫টি এলএনজি কার্গো কেনার জরুরি দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার। এ বিষয়ে আজ সন্ধ্যায় জরুরি ভিত্তিতে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি জুম মিটিং
ডাকা হয়েছে। “জনগণ ক্ষুব্ধ, পরিচয় দেওয়াই মুশকিল” জ্বালানি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মহল বিশেষ তদবিরকারীরাই বর্তমান গ্যাস সংকটের জন্য দায়ী। তাদের কারণে বাইরে কোথাও জ্বালানি বিভাগের পরিচয় দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ সাধারণ মানুষ এই সংকট নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। কর্মকর্তারা মন্তব্য করেন, সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করলেও গ্যাস সংকটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এর দায় গিয়ে পড়বে সরকারের ওপরই এবং তাতে সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। লাখ লাখ ডলার ব্যয় করেও কেন গ্যাস সংকট কাটছে না—এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলেও ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এবং সংশ্লিষ্টদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসতে পারে।
জানান, নির্ধারিত সময়ে এসব কার্গো না আসার আশঙ্কা থেকেই স্পট মার্কেট থেকে ১৭ ও ২৪ আগস্টের জন্য ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম সিঙ্গাপুর থেকে কার্গো কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ আগস্ট এই প্রস্তাব ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু কমিটি সেই প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে উল্টো সরাসরি ক্রয়নীতিতে কেনা ৬টি কার্গো আগে আমদানির নির্দেশ দেয়। সেই সিদ্ধান্তের খেসারত এখন দিচ্ছে সারা দেশের মানুষ। জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে ৫ কার্গো কেনার দরপত্র পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে ৫টি এলএনজি কার্গো কেনার জরুরি দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার। এ বিষয়ে আজ সন্ধ্যায় জরুরি ভিত্তিতে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি জুম মিটিং
ডাকা হয়েছে। “জনগণ ক্ষুব্ধ, পরিচয় দেওয়াই মুশকিল” জ্বালানি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মহল বিশেষ তদবিরকারীরাই বর্তমান গ্যাস সংকটের জন্য দায়ী। তাদের কারণে বাইরে কোথাও জ্বালানি বিভাগের পরিচয় দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ সাধারণ মানুষ এই সংকট নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। কর্মকর্তারা মন্তব্য করেন, সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করলেও গ্যাস সংকটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এর দায় গিয়ে পড়বে সরকারের ওপরই এবং তাতে সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। লাখ লাখ ডলার ব্যয় করেও কেন গ্যাস সংকট কাটছে না—এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলেও ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এবং সংশ্লিষ্টদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসতে পারে।



