ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়
রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?
বিনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আ.লীগ নেতা আব্দুর রহমান মিয়া’র মৃত্যু
ফ্যাসিস্ট ইউনূসকে বাংলা ওয়াশ করলো ক্ষুব্ধ নারী
এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রাম। এক সময় শান্ত এই জনপদটি এখন পরিণত হয়েছে আতঙ্কের অপর নাম। গত এক সপ্তাহে গ্রামটির হিন্দুপাড়ায় অন্তত আটবার অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খড়ের গাদা, রান্নাঘর থেকে শুরু করে বসতবাড়ি—আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাদ যাচ্ছে না কিছুই। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বেছে বেছে কেবল হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট করেই এই ‘অগ্নিসন্ত্রাস’ চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ঘটনাগুলোর ধরণ ও সময়কাল স্পষ্ট করে দেয় যে এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। গত সাত দিনে খড়ের গাদা, শুকনা পাতার স্তূপ, রান্নাঘর এবং সর্বশেষ বসতঘরের একাংশে আগুন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগুনের লক্ষ্যবস্তু ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থাপনা। একাধিক ঘটনায় ঘরে নারী ও শিশুরা অবস্থান
করাকালীন আগুন দেওয়া হয়, যা বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি করেছিল। ভাগ্যক্রমে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে। নিরাপত্তাহীনতায় ২ শতাধিক পরিবার জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ায় প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বাস। ধারাবাহিক এই হামলার মুখে গ্রামটি এখন ভয়ের জনপদ। রাষ্ট্র বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর নিরাপত্তা না পেয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাসিন্দারা। জীবন ও সম্পদ রক্ষায় বাধ্য হয়ে গ্রামবাসী নিজেরাই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। লাঠি ও বাঁশি হাতে পালাক্রমে চলছে এই পাহারা, তবুও আতঙ্ক কাটছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এই দেশের নাগরিক, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে আমাদের কোনো অভিভাবক নেই। এক সপ্তাহে ৮ বার আগুন লাগল, অথচ আমরা কোনো প্রতিকার
পেলাম না। রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন জানি আমাদের জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়।” প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশি তৎপরতা দৃশ্যমান কোনো ফল বয়ে আনেনি। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধে নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। প্রশাসনের একাংশের ধারণা, সামনে কোনো নির্বাচন বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘুদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করতে এই ভীতি প্রদর্শন করা হতে পারে। তবে ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন—কারণ রাজনৈতিক হোক বা সাম্প্রদায়িক, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া। সেই নিরাপত্তা আজ কোথায়? সংখ্যালঘু নির্যাতনের নতুন প্রতীক ‘জাফরাবাদ’ মিরসরাইয়ের এই ঘটনা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের চলমান পরিস্থিতির
একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাফরাবাদ এখন আর কেবল একটি গ্রামের নাম নয়, এটি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতীকে রূপ নিচ্ছে। ধারাবাহিক এই হামলার ঘটনাগুলো আবারও আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ১. হিন্দুদের ঘরবাড়ি কেন বারবার টার্গেট হচ্ছে? ২. ধর্মীয় ও আবাসিক স্থাপনা কেন আজ অরক্ষিত? ৩. দোষীরা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে? অবিলম্বে এই অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ না হলে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা গেলে, জাফরাবাদের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
করাকালীন আগুন দেওয়া হয়, যা বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি করেছিল। ভাগ্যক্রমে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে। নিরাপত্তাহীনতায় ২ শতাধিক পরিবার জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ায় প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বাস। ধারাবাহিক এই হামলার মুখে গ্রামটি এখন ভয়ের জনপদ। রাষ্ট্র বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর নিরাপত্তা না পেয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাসিন্দারা। জীবন ও সম্পদ রক্ষায় বাধ্য হয়ে গ্রামবাসী নিজেরাই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। লাঠি ও বাঁশি হাতে পালাক্রমে চলছে এই পাহারা, তবুও আতঙ্ক কাটছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এই দেশের নাগরিক, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে আমাদের কোনো অভিভাবক নেই। এক সপ্তাহে ৮ বার আগুন লাগল, অথচ আমরা কোনো প্রতিকার
পেলাম না। রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন জানি আমাদের জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়।” প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশি তৎপরতা দৃশ্যমান কোনো ফল বয়ে আনেনি। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধে নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। প্রশাসনের একাংশের ধারণা, সামনে কোনো নির্বাচন বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘুদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করতে এই ভীতি প্রদর্শন করা হতে পারে। তবে ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন—কারণ রাজনৈতিক হোক বা সাম্প্রদায়িক, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া। সেই নিরাপত্তা আজ কোথায়? সংখ্যালঘু নির্যাতনের নতুন প্রতীক ‘জাফরাবাদ’ মিরসরাইয়ের এই ঘটনা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের চলমান পরিস্থিতির
একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাফরাবাদ এখন আর কেবল একটি গ্রামের নাম নয়, এটি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতীকে রূপ নিচ্ছে। ধারাবাহিক এই হামলার ঘটনাগুলো আবারও আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ১. হিন্দুদের ঘরবাড়ি কেন বারবার টার্গেট হচ্ছে? ২. ধর্মীয় ও আবাসিক স্থাপনা কেন আজ অরক্ষিত? ৩. দোষীরা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে? অবিলম্বে এই অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ না হলে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা গেলে, জাফরাবাদের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।



