ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
ভাগ না পেয়ে কাজ বন্ধ করলেন এমপি চাঁদ!
সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা
বিদেশিদের অপরাধের জাল
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
একপাক্ষিক বিচারে লজ্জিত’: বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরে দাঁড়ালেন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ উপদেষ্টা টোবি ক্যাডম্যান
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে চিফ প্রসিকিউটরের ‘স্পেশাল অ্যাডভাইজার’ বা বিশেষ উপদেষ্টার পদ থেকে আকস্মিকভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টোবি ক্যাডম্যান। তিনি ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
জুলাই বিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই ব্রিটিশ আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এই দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নিলেন।
বিব্রত ও লজ্জিত ক্যাডম্যান
পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া না হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে
যে, বর্তমান বিচার প্রক্রিয়ার ধরন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না। বিশেষ করে চলমান বিচার কার্যক্রমকে তিনি ‘একপাক্ষিক’ বলে মনে করছেন এবং এর ফলে তিনি ‘লজ্জিত’ ও ‘বিব্রত’ বোধ করছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই আইনজীবী মনে করছেন, বর্তমান প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। পদত্যাগের তাৎপর্যপূর্ণ সময়কাল টোবি ক্যাডম্যানের পদত্যাগের সময়টি অত্যন্ত নাটকীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শেখ হাসিনা সরকারের পতনকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল আগামীকাল (মঙ্গলবার) তাদের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় রায় বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ঠিক এমন একটি মুহূর্তের আগের দিনই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই আইনজীবীর সরে দাঁড়ানো ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন
করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সংকট জুলাই বিপ্লবের গণহত্যার বিচার যেন বিশ্বমানে উত্তীর্ণ হয় এবং কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেজন্যই টোবি ক্যাডম্যানের মতো বিশেষজ্ঞকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার এই আকস্মিক প্রস্থান এবং বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ‘বিব্রত’ হওয়ার বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামীকালের ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের ওপর এই পদত্যাগ কোনো প্রভাব ফেলে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
যে, বর্তমান বিচার প্রক্রিয়ার ধরন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না। বিশেষ করে চলমান বিচার কার্যক্রমকে তিনি ‘একপাক্ষিক’ বলে মনে করছেন এবং এর ফলে তিনি ‘লজ্জিত’ ও ‘বিব্রত’ বোধ করছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই আইনজীবী মনে করছেন, বর্তমান প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। পদত্যাগের তাৎপর্যপূর্ণ সময়কাল টোবি ক্যাডম্যানের পদত্যাগের সময়টি অত্যন্ত নাটকীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শেখ হাসিনা সরকারের পতনকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল আগামীকাল (মঙ্গলবার) তাদের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় রায় বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ঠিক এমন একটি মুহূর্তের আগের দিনই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই আইনজীবীর সরে দাঁড়ানো ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন
করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সংকট জুলাই বিপ্লবের গণহত্যার বিচার যেন বিশ্বমানে উত্তীর্ণ হয় এবং কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেজন্যই টোবি ক্যাডম্যানের মতো বিশেষজ্ঞকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার এই আকস্মিক প্রস্থান এবং বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ‘বিব্রত’ হওয়ার বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামীকালের ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের ওপর এই পদত্যাগ কোনো প্রভাব ফেলে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



