ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানকে সতর্ক করলেন পাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী: এতেই নাকি সৌদি-ওমানে কম হামলা করেছে ইরান!
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: পোশাক রপ্তানিতে নতুন চাপ, ঝুঁকিতে এয়ারকার্গো
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে: ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা অব্যাহত, মৃতের সংখ্যা ৭৮৭; হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী ভোজনই আনলো বিপদ: দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
ইরানকে সমর্থন জানাল চীন
ইরানে নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত: খামেনিপুত্র মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করলেন
ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত পরিবর্তন ঘটেছে। প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ইরানের এক্সপার্টস অ্যাসেম্বলি (Assembly of Experts) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালসহ একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই নির্বাচন ঘটেছে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে নেতৃত্বের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। সংবিধান অনুসারে একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ (Interim Leadership Council) গঠিত হয়, যাতে ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
জানিয়েছিলেন, এক বা দুই দিনের মধ্যেই নতুন নেতা নির্বাচিত হতে পারে। মোজতবা খামেনির ইতিহাস ও পটভূমি: মোজতবা হোসেইনি খামেনি (জন্ম: প্রায় ১৯৬৯ সাল) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি কোমের ধর্মীয় সেমিনারিতে পড়াশোনা করেছেন এবং ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে তাকে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধি দেওয়া হয়, যা তার পিতার উত্তরসূরি হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হয়। যদিও ধর্মীয় পাণ্ডিত্যের দিক থেকে তিনি অনেকের চেয়ে কম অভিজ্ঞ বলে সমালোচনা রয়েছে। মোজতবা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখেন। তিনি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন ধরে
তাকে পিতার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সরকারিভাবে কখনো ঘোষণা করা হয়নি। তার নির্বাচনে IRGC-এর চাপ ও প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। ইরানের সংবিধানের ১০৭ ও ১১১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম লিডার নির্বাচন করে এক্সপার্টস অ্যাসেম্বলি (৮৮ জনের ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের সংসদ)। খামেনির মৃত্যুর পর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে, IRGC-এর চাপে এ নির্বাচন হয়েছে, যা পরিবারতান্ত্রিক উত্তরাধিকারের অভিযোগ তুলেছে। এই পরিবর্তন ইরানের ভবিষ্যৎ নীতি, বিশেষ করে ইসরায়েল-মার্কিন বিরোধিতা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। নতুন নেতা মোজতবা খামেনি ইতিমধ্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান এখন ৪০
দিনের শোক পালন করছে এবং নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
জানিয়েছিলেন, এক বা দুই দিনের মধ্যেই নতুন নেতা নির্বাচিত হতে পারে। মোজতবা খামেনির ইতিহাস ও পটভূমি: মোজতবা হোসেইনি খামেনি (জন্ম: প্রায় ১৯৬৯ সাল) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি কোমের ধর্মীয় সেমিনারিতে পড়াশোনা করেছেন এবং ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে তাকে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধি দেওয়া হয়, যা তার পিতার উত্তরসূরি হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হয়। যদিও ধর্মীয় পাণ্ডিত্যের দিক থেকে তিনি অনেকের চেয়ে কম অভিজ্ঞ বলে সমালোচনা রয়েছে। মোজতবা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখেন। তিনি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন ধরে
তাকে পিতার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সরকারিভাবে কখনো ঘোষণা করা হয়নি। তার নির্বাচনে IRGC-এর চাপ ও প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। ইরানের সংবিধানের ১০৭ ও ১১১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম লিডার নির্বাচন করে এক্সপার্টস অ্যাসেম্বলি (৮৮ জনের ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের সংসদ)। খামেনির মৃত্যুর পর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে, IRGC-এর চাপে এ নির্বাচন হয়েছে, যা পরিবারতান্ত্রিক উত্তরাধিকারের অভিযোগ তুলেছে। এই পরিবর্তন ইরানের ভবিষ্যৎ নীতি, বিশেষ করে ইসরায়েল-মার্কিন বিরোধিতা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। নতুন নেতা মোজতবা খামেনি ইতিমধ্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান এখন ৪০
দিনের শোক পালন করছে এবং নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।



