ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তা
যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া
ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত
চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার
আবারও কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের আক্রমণে কাতারে মার্কিন রাডার ধ্বংস: মধ্যাপ্রাচ্যের আকাশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “ব্লাইন্ডজোন”
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ রাডার সিস্টেম সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এই রাডারটি AN/FPS-132 (আপগ্রেডেড আর্লি ওয়ার্নিং রাডার) নামে পরিচিত, যার মূল্য প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার এবং এটি ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ব্যালিস্টিক মিসাইল শনাক্ত করতে সক্ষম।
এই আক্রমণটি ইরানের ‘ট্রু প্রমিস ৪’ অপারেশনের অংশ হিসেবে চালানো হয়েছে বলে ইরানি সূত্র জানিয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে চালানো সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন যে, উত্তর কাতারে অবস্থিত এই দীর্ঘ-পাল্লার রাডারে আঘাত হেনেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া
যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা নজরদারির সক্ষমতা হারালো যুক্তরাষ্ট্রের এই রাডার ধ্বংস হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এটি ছিল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনাবাহিনীর (সেন্টকম) প্রধান প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা। ফলে: ইরান বা তার মিত্রদের থেকে আসা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল শনাক্ত করার ক্ষমতা অনেকাংশে কমে গেছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন THAAD ও প্যাট্রিয়ট) এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রারম্ভিক সতর্কতা ও ট্র্যাকিং সময় কমে যাবে, যা মিসাইল আটকানোর সাফল্যের হার কমিয়ে দিতে পারে। আল উদেইদ এয়ার বেস (মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটি) এর নিরাপত্তা দুর্বল হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। এ অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের সতর্কতা ও প্রতিক্রিয়া সময় বেড়ে যাবে, যা ভবিষ্যতে আরও আক্রমণের
ঝুঁকি বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিসাইল প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের ‘অন্ধত্ব’ সৃষ্টি করেছে, যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে। মার্কিন নজরদারি এড়িয়ে ইরানের মিসাইল হামলার সুযোগ ইরানের এই সফল আক্রমণ তাদের জন্য কৌশলগত সুবিধা এনে দিয়েছে: ইরান দেখিয়েছে যে, তারা মার্কিন উন্নত প্রযুক্তির লক্ষ্যবস্তুতে সঠিকভাবে আঘাত হানতে সক্ষম, যা তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও প্রতিশোধের সক্ষমতা প্রমাণ করে। মার্কিন মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করে ইরান ভবিষ্যতে নিজেদের মিসাইল হামলা (বা মিত্রদের মাধ্যমে) আরও কার্যকর করতে পারবে। এটি ইরানের ‘আসিমেট্রিক যুদ্ধ’ কৌশলকে শক্তিশালী করেছে, যেখানে তারা উন্নত মার্কিন প্রযুক্তিকে লক্ষ্য করে দুর্বলতা তৈরি করতে পারে। আঞ্চলিক মিত্র ও সমর্থকদের মধ্যে ইরানের প্রভাব বাড়বে, কারণ এটি দেখায় যে মার্কিন
ঘাঁটিগুলো অজেয় নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও এই ধ্বংসের পুরোপুরি নিশ্চিতকরণ দেয়নি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন দাবি রয়েছে, তবু এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি যুদ্ধকে আরও দীর্ঘ ও জটিল করে তুলতে পারে। (সূত্র: ইরানি রাষ্ট্রীয় মিডিয়া, আল জাজিরা, ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া, প্যালেস্টাইন ক্রনিকল ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম)
যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা নজরদারির সক্ষমতা হারালো যুক্তরাষ্ট্রের এই রাডার ধ্বংস হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এটি ছিল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনাবাহিনীর (সেন্টকম) প্রধান প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা। ফলে: ইরান বা তার মিত্রদের থেকে আসা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল শনাক্ত করার ক্ষমতা অনেকাংশে কমে গেছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন THAAD ও প্যাট্রিয়ট) এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রারম্ভিক সতর্কতা ও ট্র্যাকিং সময় কমে যাবে, যা মিসাইল আটকানোর সাফল্যের হার কমিয়ে দিতে পারে। আল উদেইদ এয়ার বেস (মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটি) এর নিরাপত্তা দুর্বল হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। এ অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের সতর্কতা ও প্রতিক্রিয়া সময় বেড়ে যাবে, যা ভবিষ্যতে আরও আক্রমণের
ঝুঁকি বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিসাইল প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের ‘অন্ধত্ব’ সৃষ্টি করেছে, যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে। মার্কিন নজরদারি এড়িয়ে ইরানের মিসাইল হামলার সুযোগ ইরানের এই সফল আক্রমণ তাদের জন্য কৌশলগত সুবিধা এনে দিয়েছে: ইরান দেখিয়েছে যে, তারা মার্কিন উন্নত প্রযুক্তির লক্ষ্যবস্তুতে সঠিকভাবে আঘাত হানতে সক্ষম, যা তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও প্রতিশোধের সক্ষমতা প্রমাণ করে। মার্কিন মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করে ইরান ভবিষ্যতে নিজেদের মিসাইল হামলা (বা মিত্রদের মাধ্যমে) আরও কার্যকর করতে পারবে। এটি ইরানের ‘আসিমেট্রিক যুদ্ধ’ কৌশলকে শক্তিশালী করেছে, যেখানে তারা উন্নত মার্কিন প্রযুক্তিকে লক্ষ্য করে দুর্বলতা তৈরি করতে পারে। আঞ্চলিক মিত্র ও সমর্থকদের মধ্যে ইরানের প্রভাব বাড়বে, কারণ এটি দেখায় যে মার্কিন
ঘাঁটিগুলো অজেয় নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও এই ধ্বংসের পুরোপুরি নিশ্চিতকরণ দেয়নি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন দাবি রয়েছে, তবু এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি যুদ্ধকে আরও দীর্ঘ ও জটিল করে তুলতে পারে। (সূত্র: ইরানি রাষ্ট্রীয় মিডিয়া, আল জাজিরা, ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া, প্যালেস্টাইন ক্রনিকল ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম)



