ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম
রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের
শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষায় ‘বলির পাঁঠা’ ৭ শিক্ষক? কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে নজিরবিহীন বদলি
বিএনপি নেতার ঠিকাদারিতে নির্মিত সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল মাত্র ৩ মাসেই
সেনাবাহিনীর মনোগ্রামযুক্ত ল্যান্ড ক্রুজার থেকে বিপুল ইয়াবাসহ সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার
বিএনপি নেতার ঠিকাদারিতে নির্মিত সড়কের ‘ছাল-বাকল’ উঠে বেহাল দশা ২৫ দিনেই!
যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত
জামায়াতের ইসলামীর আমির, ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী রাজাকার মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ও সাঁথিয়া আসনের (পাবনা-১) জামায়াত ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেনের জুমা পড়ানোর কেন্দ্র করে পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকায় একটি মসজিদের হট্টগোল ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের হামলায় অনেক মুসল্লি আহত হন।
আজ ২৪শে জুলাই, শুক্রবার জুমার জামাতের ঠিক আগ মুহূর্তে পৌর এলাকার ‘আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদের’ ভেতরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।
তবে এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপিকে দায়ী করেন জামায়াত-শিবিরের নেতারা। বিএনপি এতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে এমপি মোমেনের বিরুদ্ধে উল্টো মসজিদের ক্ষমতা প্রদর্শনের অভিযোগ তোলে।
স্থানীয়রা জানান, রাজাকার নিজামীর ছেলে
ও জামায়াতের সংসদ সদস্য মোমেন গত শুক্রবার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমা পড়ানোর নামে মসজিদের ভেতরে রাজনীতি ঢোকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের আপত্তির মুখে তা সম্ভব হয়নি। মসজিদের ভেতরে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি ঢোকানোর এই অপচেষ্টা রুখে দেন তারা। পরে আজ (শুক্রবার) আবার তিনি সেখানে জুমা পড়াতে এলে খুতবা শুরুর সময় আবারও মুসল্লিরা বাধা দেন। এসময় মসজিদের ভেতরে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের সাথে স্থানীয়দের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। ঝামেলার আশঙ্কায় আগেই উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে মসজিদের নির্ধারিত ইমামের ইমামতিতে জুমার নামাজ শেষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেনের পিতা- একই দলের
নেতা রাজাকার মতিউর রহমান নিজামীকে জুতাপেটা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছাত্রসমাজ বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এনসিপির সাঁথিয়া উপজেলার সদস্যসচিব ও শিবির কর্মী ফারুক হোসেন বলেন, আমরা এমপির সঙ্গে নামাজ পড়তে যাই। তখন বিএনপির কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করে। পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। তার দাবি, এই হামলায় আহত হয়েছেন এনসিপির সাঁথিয়া পৌরসভার সভাপতি আবু দাউদ ফকির, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মেহেদী হাসান, শিবিরের সাবেক উপজেলা সভাপতি শিখন মোল্লা, পৌর যুব জামায়াতের সেক্রেটারি সাদ্দাম ফকির, জামায়াত নেতা কুতুবউদ্দিন মোল্লা, মাইকেল হোসেন সাদ্দামসহ বেশ কয়েকজন। তবে এই আহতরা কোথাও চিকিৎসা নিয়েছেন, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং মুসল্লিদের অনেককেই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ও
ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. করিম জানান, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্য জামায়াত এমপি গত শুক্রবারেও নামাজ পড়াতে চাইলে মুসল্লিদের আপত্তির মুখে ব্যর্থ হয়। আজ আবার সন্ত্রাসী নিয়ে এসেছিলো। এসে ইমাম থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে মিনিট দশেক বক্তব্য দেন, কেউ কিচ্ছু বলেনি। পরে তিনি খুতবা পড়িয়ে নামাজও পড়াবেন বলে ঘোষণা দিলে মুসল্লিরা আপত্তি করেন। তখন জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা হামলা করে। মুসল্লিরা প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে পুলিশ সবাইকে থামালে মসজিদের ইমাম দিয়েই নামাজ সম্পন্ন হয়। অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এমপি নিজের ইচ্ছায় ক্ষমতা দেখাতে আজকে জুমার মত পবিত্র দিনে ঝামেলাটা করলেন। মসজিদভিত্তিক রাজনীতি
বন্ধ হওয়া উচিৎ। পাল্টা অভিযোগ করে জামায়াতের সংসদ সদস্য মোমেন বলেন, আমি ক্ষমতা দেখাতে সেখানে নামাজ পড়াতে যাইনি। ‘স্থানীয়দের’ দাবিতে গিয়েছি। গত জুমাতেও তারা দাবি জানালে বিএনপির লোকজন ঝামেলা করবে জেনে যাইনি। আজ ঝামেলা হবে না জানিয়ে ‘স্থানীয়রা’ আমাকে আমন্ত্রণ জানালে সেখানে যাই। কিন্তু খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঝামেলা শুরু করে। এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, ঝামেলাটি তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে করেছে। গোপীনাথপুরের বিএনপি নেতা করিম, সেক্রেটারি সিরাজরা বহিরাগতদের এনে ঝামেলাটি করে। আমাদের নেতাকর্মীদের মারধর করে। নামাজ পড়ে জামায়াতের এক কর্মীর দোকানে আক্রমণ, লুটপাট ও মারধরও করার অভিযোগ তুলে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও দাবি করেন মোমেন। সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, এমপির নামাজ
পড়ানো কেন্দ্র করে ঝামেলা হতে পারে, খবর ছিল পুলিশের কাছে। তাই পুলিশ মোতায়েন হয়। এরপরও নামাজের আগ মুহূর্তে মসজিদের ভেতরে কথা কাটাকাটি ও হালকা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। মারধর বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ও জামায়াতের সংসদ সদস্য মোমেন গত শুক্রবার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমা পড়ানোর নামে মসজিদের ভেতরে রাজনীতি ঢোকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের আপত্তির মুখে তা সম্ভব হয়নি। মসজিদের ভেতরে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি ঢোকানোর এই অপচেষ্টা রুখে দেন তারা। পরে আজ (শুক্রবার) আবার তিনি সেখানে জুমা পড়াতে এলে খুতবা শুরুর সময় আবারও মুসল্লিরা বাধা দেন। এসময় মসজিদের ভেতরে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের সাথে স্থানীয়দের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। ঝামেলার আশঙ্কায় আগেই উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে মসজিদের নির্ধারিত ইমামের ইমামতিতে জুমার নামাজ শেষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেনের পিতা- একই দলের
নেতা রাজাকার মতিউর রহমান নিজামীকে জুতাপেটা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছাত্রসমাজ বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এনসিপির সাঁথিয়া উপজেলার সদস্যসচিব ও শিবির কর্মী ফারুক হোসেন বলেন, আমরা এমপির সঙ্গে নামাজ পড়তে যাই। তখন বিএনপির কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করে। পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। তার দাবি, এই হামলায় আহত হয়েছেন এনসিপির সাঁথিয়া পৌরসভার সভাপতি আবু দাউদ ফকির, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মেহেদী হাসান, শিবিরের সাবেক উপজেলা সভাপতি শিখন মোল্লা, পৌর যুব জামায়াতের সেক্রেটারি সাদ্দাম ফকির, জামায়াত নেতা কুতুবউদ্দিন মোল্লা, মাইকেল হোসেন সাদ্দামসহ বেশ কয়েকজন। তবে এই আহতরা কোথাও চিকিৎসা নিয়েছেন, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং মুসল্লিদের অনেককেই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ও
ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. করিম জানান, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্য জামায়াত এমপি গত শুক্রবারেও নামাজ পড়াতে চাইলে মুসল্লিদের আপত্তির মুখে ব্যর্থ হয়। আজ আবার সন্ত্রাসী নিয়ে এসেছিলো। এসে ইমাম থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে মিনিট দশেক বক্তব্য দেন, কেউ কিচ্ছু বলেনি। পরে তিনি খুতবা পড়িয়ে নামাজও পড়াবেন বলে ঘোষণা দিলে মুসল্লিরা আপত্তি করেন। তখন জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা হামলা করে। মুসল্লিরা প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে পুলিশ সবাইকে থামালে মসজিদের ইমাম দিয়েই নামাজ সম্পন্ন হয়। অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এমপি নিজের ইচ্ছায় ক্ষমতা দেখাতে আজকে জুমার মত পবিত্র দিনে ঝামেলাটা করলেন। মসজিদভিত্তিক রাজনীতি
বন্ধ হওয়া উচিৎ। পাল্টা অভিযোগ করে জামায়াতের সংসদ সদস্য মোমেন বলেন, আমি ক্ষমতা দেখাতে সেখানে নামাজ পড়াতে যাইনি। ‘স্থানীয়দের’ দাবিতে গিয়েছি। গত জুমাতেও তারা দাবি জানালে বিএনপির লোকজন ঝামেলা করবে জেনে যাইনি। আজ ঝামেলা হবে না জানিয়ে ‘স্থানীয়রা’ আমাকে আমন্ত্রণ জানালে সেখানে যাই। কিন্তু খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঝামেলা শুরু করে। এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, ঝামেলাটি তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে করেছে। গোপীনাথপুরের বিএনপি নেতা করিম, সেক্রেটারি সিরাজরা বহিরাগতদের এনে ঝামেলাটি করে। আমাদের নেতাকর্মীদের মারধর করে। নামাজ পড়ে জামায়াতের এক কর্মীর দোকানে আক্রমণ, লুটপাট ও মারধরও করার অভিযোগ তুলে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও দাবি করেন মোমেন। সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, এমপির নামাজ
পড়ানো কেন্দ্র করে ঝামেলা হতে পারে, খবর ছিল পুলিশের কাছে। তাই পুলিশ মোতায়েন হয়। এরপরও নামাজের আগ মুহূর্তে মসজিদের ভেতরে কথা কাটাকাটি ও হালকা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। মারধর বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।



