ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইন্টারপোলের সাহায্যে হত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনল পিবিআই
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেফতার আরিফ সরকার উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিন সরকারের ছেলে। বুধবার (৬ মে) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আরিফ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি।
পিবিআই বলছে, গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় আরিফকে বুধবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শিবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় হারুন অর রশিদ খানকে গুলি করা হয়। শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর ১৩ এপ্রিল ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার একটি অস্ত্রোপচার শেষে ১ মে দেশে আনা হয়েছিল। এরপর ৭ মে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে হারুন অর রশিদ মারা যান। গুলির ঘটনার দুইদিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে আমিনুর রশীদ খান তাপস শিবপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন, যেখানে ৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৪ জন দুবাইয়ে অবস্থান করছিল
বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পিবিআইয়ের নরসিংদীর বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম মোস্তাইন হোসেন বলেন, আরিফকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে হারুন অর রশিদ হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর ১৩ এপ্রিল ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার একটি অস্ত্রোপচার শেষে ১ মে দেশে আনা হয়েছিল। এরপর ৭ মে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে হারুন অর রশিদ মারা যান। গুলির ঘটনার দুইদিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে আমিনুর রশীদ খান তাপস শিবপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন, যেখানে ৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৪ জন দুবাইয়ে অবস্থান করছিল
বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পিবিআইয়ের নরসিংদীর বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম মোস্তাইন হোসেন বলেন, আরিফকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে হারুন অর রশিদ হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।



