ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ইন্টারপোলের সাহায্যে হত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনল পিবিআই
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেফতার আরিফ সরকার উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিন সরকারের ছেলে। বুধবার (৬ মে) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আরিফ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি।
পিবিআই বলছে, গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় আরিফকে বুধবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শিবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় হারুন অর রশিদ খানকে গুলি করা হয়। শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর ১৩ এপ্রিল ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার একটি অস্ত্রোপচার শেষে ১ মে দেশে আনা হয়েছিল। এরপর ৭ মে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে হারুন অর রশিদ মারা যান। গুলির ঘটনার দুইদিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে আমিনুর রশীদ খান তাপস শিবপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন, যেখানে ৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৪ জন দুবাইয়ে অবস্থান করছিল
বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পিবিআইয়ের নরসিংদীর বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম মোস্তাইন হোসেন বলেন, আরিফকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে হারুন অর রশিদ হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর ১৩ এপ্রিল ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার একটি অস্ত্রোপচার শেষে ১ মে দেশে আনা হয়েছিল। এরপর ৭ মে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে হারুন অর রশিদ মারা যান। গুলির ঘটনার দুইদিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি তার ছেলে আমিনুর রশীদ খান তাপস শিবপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন, যেখানে ৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৪ জন দুবাইয়ে অবস্থান করছিল
বলে জানিয়েছিল পুলিশ। পিবিআইয়ের নরসিংদীর বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম মোস্তাইন হোসেন বলেন, আরিফকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে হারুন অর রশিদ হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।



