ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: পোশাক রপ্তানিতে নতুন চাপ, ঝুঁকিতে এয়ারকার্গো
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে: ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা অব্যাহত, মৃতের সংখ্যা ৭৮৭; হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
ইরানকে সমর্থন জানাল চীন
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি
সংঘাতে জড়াতে চায় না যুক্তরাজ্য, চটলেন ট্রাম্প
ইসরায়েলে আবারও হামলা, সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী ভোজনই আনলো বিপদ: দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে “কিচেন কেবিনেট” বিতর্কের রেশ না কাটতেই দুর্নীতি দমন কমিশনে বড় পরিবর্তন এসেছে। দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করেছেন।
একই সঙ্গে কমিশনের দুই সদস্য মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও হাফিজ আহ্সান ফরিদ দায়িত্ব ছাড়েন।
দুদকের পদত্যাগকারী এক কমিশনার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বেলা আড়াইটার দিকে চেয়ারম্যানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দিকে যেতে এবং কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।
এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল ঠিক সেই সময়, যখন সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস–এর সঙ্গে সাবেক উপদেষ্টাদের এক ইফতার ও নৈশভোজ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে।
মিন্টো রোডের একটি সরকারি বাসভবনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক
সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী গভর্নর আনসান এইচ মুনসুরসহ অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক সদস্য। সেই বিদায়ী ইফতারের পরে গভর্নর আনসান এইচ মুনসুরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের ভেতরে “কিচেন কেবিনেট” থাকার অভিযোগ সামনে আনেন সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তার দাবি ছিল, সরকারপ্রধানের আস্থাভাজন কয়েকজন সদস্য অনানুষ্ঠানিক পরিসরে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন, যা সব সদস্যের কাছে উন্মুক্ত ছিল না। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় থাকার কথাও উঠে আসে। আলোচনায় যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার এবং তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের
একাংশ মনে করছেন, দুদকের শীর্ষ নেতৃত্বের একযোগে পদত্যাগ কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়; এর পেছনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বিদায়ী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকাশ্য পুনর্মিলনী এবং অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক—এই দুই প্রেক্ষাপট মিলিয়ে ঘটনাটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তবে দুদক বা সংশ্লিষ্ট কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কারণ জানায়নি। সরকারও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই উপদেষ্টা পরিষদ বিদায় নেয়। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুদকের শীর্ষ পর্যায়ে এই পরিবর্তন প্রশাসনিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী গভর্নর আনসান এইচ মুনসুরসহ অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক সদস্য। সেই বিদায়ী ইফতারের পরে গভর্নর আনসান এইচ মুনসুরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের ভেতরে “কিচেন কেবিনেট” থাকার অভিযোগ সামনে আনেন সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তার দাবি ছিল, সরকারপ্রধানের আস্থাভাজন কয়েকজন সদস্য অনানুষ্ঠানিক পরিসরে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন, যা সব সদস্যের কাছে উন্মুক্ত ছিল না। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় থাকার কথাও উঠে আসে। আলোচনায় যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার এবং তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের
একাংশ মনে করছেন, দুদকের শীর্ষ নেতৃত্বের একযোগে পদত্যাগ কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়; এর পেছনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বিদায়ী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকাশ্য পুনর্মিলনী এবং অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক—এই দুই প্রেক্ষাপট মিলিয়ে ঘটনাটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তবে দুদক বা সংশ্লিষ্ট কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কারণ জানায়নি। সরকারও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই উপদেষ্টা পরিষদ বিদায় নেয়। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুদকের শীর্ষ পর্যায়ে এই পরিবর্তন প্রশাসনিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



