ইউনূসের দুঃশাসনে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনিত, নিরাপদ না আদালতও – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৪:২৬ অপরাহ্ণ

ইউনূসের দুঃশাসনে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনিত, নিরাপদ না আদালতও

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৪:২৬ 62 ভিউ
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের দুঃশাসনে দেশের আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। আজ রোববার একদিনেই দেশে দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। কু‌ড়িগ্রা‌মের না‌গেশ্বরী উপ‌জেলায় জ‌মিজমা সংক্রান্ত বি‌রো‌ধের জে‌রে দুই পক্ষের সংঘ‌র্ষে এক নারীসহ তিন জন নিহত হ‌য়ে‌ছেন। একইদিন দুপু‌রে উপ‌জেলার স‌ন্তোষপুর ইউ‌নিয়‌নের হাইলাটারী গ্রা‌মে এ ঘটনা ঘ‌টে। দেশের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির ভয়াবহ অবস্থা আরও স্পষ্ট বুঝা যায় মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) প্রতিবেদনে। সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নভেম্বর মাসে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে ৪৩টি। এ মাসে গণপিটুনিতে মারা

যায় ৩৮ জন। নভেম্বর মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিলো ৩৪৫টি। নভেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েছে। এ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ৭২টি। নভেম্বর মাসে রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক মামলার সংখ্যা একই থাকলেও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের ব্যাপক গ্রেফতার প্রবণতা দেখা গেছে। এছাড়া এ মাসে সারা দেশে ১১টি প্রতিমা ভাঙা হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিনের সংবাদে চোখ রাখলেই দেখা যায় হত্যা, চুরি, সন্ত্রাস কিংবা সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার খবর যেন এখন নিয়মিত বিষয়। সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে, আর প্রশাসনের ভেতরে তৈরি হয়েছে ভীতি, হতাশা ও অনিশ্চয়তার এক অচলাবস্থা। এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হলো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নেতৃত্বের শূন্যতা।

দেশের পুলিশ বাহিনী বর্তমানে এমন এক নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে, যা এর আগে দেখা যায়নি বাংলাদেশে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিনের সংবাদে চোখ রাখলেই দেখা যায় হত্যা, চুরি, সন্ত্রাস কিংবা সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার খবর যেন এখন নিয়মিত বিষয়। সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে, আর প্রশাসনের ভেতরে তৈরি হয়েছে ভীতি, হতাশা ও অনিশ্চয়তার এক অচলাবস্থা। এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হলো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নেতৃত্বের শূন্যতা। দেশের পুলিশ বাহিনী বর্তমানে এমন এক নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে, যা এর আগে দেখা যায়নি। সর্বোচ্চ দায়িত্বে রয়েছেন এমন একজন আইজিপি যিনি অনেক আগে অবসর নিয়েছেন। রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারও অবসরোত্তর সময়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি যেমন কমে গেছে, তেমনি নেতৃত্বে অনুপ্রেরণা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর তদারকির অভাব প্রকটভাবে ধরা পড়ছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মনোবলহীনতা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পুলিশের বেশ কিছু সদস্য হত্যার শিকার হয়েছেন, কিন্তু তার বিচার হয়নি বা তদন্তে অগ্রগতি দেখা যায়নি। এর ফলে এসআই থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত অনেকেই এখন অপরাধীদের মোকাবিলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। তারা মনে করেন, যেকোনো বিপদের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। এই হতাশা পুলিশের সামগ্রিক দক্ষতা ও কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অবস্থাও কম শোচনীয় নয়। কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুম বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে তাদের প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয়েছে, এমনকি কেউ কেউ

গ্রেফতারও হয়েছেন। এর ফলে গোয়েন্দা কাঠামোর ভেতরে চরম ভীতিকর নীরবতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যে শৃঙ্খলা, আস্থা ও গোপনীয়তার ওপর ভিত্তি করে এই সংস্থাগুলো কাজ করত, তা এখন ভাঙনের মুখে। চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়লে গোয়েন্দা তৎপরতা অকার্যকর হয়ে পড়ে, আর রাষ্ট্র হারায় তার প্রতিরোধক্ষমতা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্র বা সংখ্যা নয় এর প্রকৃত ভিত্তি হলো মনোবল, শৃঙ্খলা এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা যদি নিশ্চিত না হন যে তাদের ঊর্ধ্বতনরা ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নেবেন, বা নেওয়া সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত নয় তাহলে সেই বাহিনী আর কার্যকর থাকতে পারে না। ফলাফল হয় একটিই, আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, অপরাধ বাড়ে, আর নাগরিক নিরাপত্তা

বিলীন হয়ে যায়। রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আস্থা হারিয়ে গেলে সেটি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, এটি জাতীয় স্থিতিশীলতারও সংকেত। তাই এখন সময় এসেছে, অবসরপ্রাপ্ত নয় দক্ষ, যোগ্য ও নিরপেক্ষ নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়ার। প্রয়োজন বাহিনীর ভেতরে আস্থা পুনর্গঠন, বিচার নিশ্চিত করা এবং যাদের দায়িত্ব আইন রক্ষা করা তাদের পেশাগত মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশের ইতিহাস সাক্ষী, যখনই চেইন অব কমান্ড দুর্বল হয়েছে, তখনই আইনশৃঙ্খলার পতন ঘটেছে। তাই আজ সবচেয়ে জরুরি হলো এই নেতৃত্বহীনতার অবসান ঘটিয়ে একটি পেশাদার, জবাবদিহিমূলক ও সম্মানজনক প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা। কারণ, আইনশৃঙ্খলার পতন কেবল অপরাধ বাড়ায় না এটি রাষ্ট্রের মনোবলও হত্যা করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী