ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
মহাকাশে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল চীন
ইরান নিয়ে আগেই সতর্ক করেছিল এফবিআই, পাত্তা দেয়নি ওয়াশিংটন
ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছিল মার্কিন গোয়েন্দাসংস্থা এফবিআই। কিন্তু সেসব বিষয় পাত্তা দেয়নি ওয়াশিংটন।
গত মাসে এফবিআই দেশটির অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইরানের ‘অব্যাহত হুমকি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছে। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা একটি আইনশৃঙ্খলা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
২০ মার্চের ওই প্রতিবেদনে এফবিআই এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, গুরুত্বপূর্ণ ভবন, ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের ওপর ইরান সরকারের পক্ষ থেকে হামলার ঝুঁকি রয়েছে।
তবে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এফবিআই এবং ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টার (এনসিটিসি) এখনো সাধারণ জনগণের ওপর বড় ধরনের কোনো হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য
পায়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন মাটিতে ইরানি হামলার সম্ভাবনাকে জনসমক্ষে গুরুত্ব দেননি। গত ১১ মার্চ হোয়াইট হাউজের বাইরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরানি হামলা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। ২০ মার্চের এই প্রতিবেদনটি মূলত একটি ‘পাবলিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস রিপোর্ট’। এর আগে রয়টার্সসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে, হোয়াইট হাউজ একই ধরনের একটি গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশে বাধা দিয়েছিল। তখন হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, প্রকাশের আগে সব তথ্যের যথাযথ যাচাই নিশ্চিত করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন দেশ ও জনগণকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। ব্যক্তিগত
স্তরের কোনো আইনশৃঙ্খলা স্মারকলিপি নিয়ে রিপোর্ট করে সংবাদমাধ্যমের উচিত হবে না দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়ানো।’ এছাড়াও গত মাসে রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপ অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা উচিত। জনমত যুদ্ধের বিপক্ষে থাকায় যে কোনো ধরনের হুমকির খবর এখন বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
পায়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন মাটিতে ইরানি হামলার সম্ভাবনাকে জনসমক্ষে গুরুত্ব দেননি। গত ১১ মার্চ হোয়াইট হাউজের বাইরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরানি হামলা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। ২০ মার্চের এই প্রতিবেদনটি মূলত একটি ‘পাবলিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস রিপোর্ট’। এর আগে রয়টার্সসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে, হোয়াইট হাউজ একই ধরনের একটি গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশে বাধা দিয়েছিল। তখন হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, প্রকাশের আগে সব তথ্যের যথাযথ যাচাই নিশ্চিত করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন দেশ ও জনগণকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। ব্যক্তিগত
স্তরের কোনো আইনশৃঙ্খলা স্মারকলিপি নিয়ে রিপোর্ট করে সংবাদমাধ্যমের উচিত হবে না দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়ানো।’ এছাড়াও গত মাসে রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপ অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা উচিত। জনমত যুদ্ধের বিপক্ষে থাকায় যে কোনো ধরনের হুমকির খবর এখন বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।



