ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ |
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের স্বাধীন ভোটাধিকার। কিন্তু যখন নির্বাচন একটি পূর্বনির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়, তখন সেই ভোট আর জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন থাকে না—বরং তা ক্ষমতাসীন বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বৈধতা অর্জনের একটি কৌশলে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনুসকে কেন্দ্র করে যে তথাকথিত নির্বাচনী উদ্যোগের কথা আলোচনায় আসছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর অনাস্থা ও সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। যে নির্বাচনে প্রার্থিতা বাছাই থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইন প্রয়োগ ও রাজনৈতিক পরিবেশ সবকিছুই একপাক্ষিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, সেখানে ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাই বা কোথায়? জনগণ যখন আগেই বুঝে ফেলে যে ফলাফল নির্ধারিত, তখন ব্যালট বাক্সে ভোট দেওয়া কেবল

একটি আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। এ ধরনের “পাতানো নির্বাচন” গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে না; বরং জনগণের রাজনৈতিক অনাগ্রহ, হতাশা ও ক্ষোভ আরও গভীর করে তোলে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ধরনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভিন্নমত দমন, প্রশাসনের অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গণতন্ত্রের নামে যদি কেবল নিয়ন্ত্রিত অংশগ্রহণ আর সাজানো প্রতিযোগিতা চলতে থাকে, তবে সেই ব্যবস্থায় ভোট দেওয়ার নৈতিক গুরুত্ব সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যায়। প্রকৃত নির্বাচন মানে শুধু ভোটের দিন নয়; এটি একটি সার্বিক প্রক্রিয়া, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমান সুযোগ, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত থাকতে হয়।

এই মৌলিক শর্তগুলো অনুপস্থিত থাকলে নির্বাচন আয়োজন করা মানে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা। সুতরাং, ইউনুসের পাতানো নির্বাচনের মতো ব্যবস্থায় ভোটের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন রয়েছে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলার, যেখানে জনগণ নিজের ভোটকে অর্থবহ বলে বিশ্বাস করতে পারে। আর যদি সেই পরিবেশ বারবার বাধাগ্রস্ত করা হয়, তবে ইতিহাস সাক্ষী—পাতানো নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রতিহত করবে পাড়া-মহল্লার সচেতন মানুষই। ভোট তখনই মূল্যবান, যখন তা জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগের প্রকৃত হাতিয়ার হয়, কোনো সাজানো নাটকের অংশ নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চাঁদার দাবিতে জমির মালিককে হত্যার হুমকি দিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করলেন জামায়াত নেতা ২১ মাস পর জামিন, জেলগেট থেকে আবার গ্রেপ্তার: বাবার জানাজায় যেতে দেওয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা সজিবকে অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা অর্থনৈতিক বিপর্যয়: এনপিএল খাতে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন, দ্বিতীয় বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধার নতুন আবেদনের ২০০টি ভুয়া, ৬০০টির তথ্য বিকৃতিসহ মিলেছে অনিয়ম-অসংগতি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অভ জাপান আমাদের ওপর ১১১টি মিসাইল ছুড়েছে’, বললেন ট্রাম্প ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে জার্মান চিকিৎসকের যাবজ্জীবন, আরও হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলা, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ন্যাটো সম্মেলনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ৯০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি কানাডা-ইউরোপের কুষ্টিয়ায় হাসপাতালের ওটি থেকে রোগীর এক পা গায়েব! তুমুল সমালোচনার পর গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সেই বিতর্কিত রেফারি রাস্তায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা জার্মানিতে ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে চিকিৎসকের যাবজ্জীবন রামমন্দির হলেও তহবিল সংকটে বাবরি মসজিদের বিকল্প প্রকল্প ছোট করার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চার দিনে ৩৮ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৪ সন্ত্রাসী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৭৪৫ সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব রেলস্টেশনে হামলা-লুটের শিকার বাক্‌প্রতিবন্ধী বুবি বেগম আর নেই Y ক্রোমোজোম হ্রাসে পুরুষ জাতি বিলুপ্তির শঙ্কা কতটা যৌক্তিক, বিজ্ঞান কী বলছে