ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
জাতিসংঘের টর্চার বিষয়ক স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র অ্যালিস এডওয়ার্ডস বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় (লিঙ্কডইন) লালবাগ কেল্লার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “ঢাকায় এসে খুবই আনন্দিত। এ সপ্তাহে আমি মূল নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করছি, যাতে নতুন সরকারের জন্য একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-টর্চার ও মানবাধিকার এজেন্ডা তৈরিতে সহায়তা করা যায়। আগামী কয়েক মাসে সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, তা প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রাধিকার, আইনি এজেন্ডা এবং সরকারের নৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।”
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, “২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত শত শত মানুষ এবং আহত ও নির্যাতিত হাজার হাজার মানুষের ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে তাদের
কথা আলোচনায় থাকতে হবে। আমি সরকার ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আমার মতামত শেয়ার করব।” কিন্তু এই পোস্টের জবাবে বাংলাদেশের অসংখ্য অ্যাকটিভিস্ট ও সাধারণ নাগরিক তার পোস্টের নিচে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানান। তারা ইউএন স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র এর পোস্টের কমেন্টে তুলে ধরেন ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ১৮ মাস এবং সাম্প্রতিক বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে দুই মাস, বিগত ২০ মাস ধরে বাংলাদেশে চলমান চলা রাজনৈতিক হত্যা, মব সহিংসতা, বেআইনি গ্রেপ্তার, হেফাজতে নির্যাতন, কারাগারে মৃত্যু, জামিন অস্বীকার, বয়স্ক নাগরিক ও মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের দীর্ঘমেয়াদি আটকের ঘটনা। পোস্টের নিচে ছবি, ভিডিও, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও রিপোর্টের লিঙ্কসহ অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়ে। অনেকে উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর
থেকে মব-লিঞ্চিং, অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার, বিরোধীদলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। অথচ এসব বাস্তব চিত্রের সামনে এসে অ্যালিস এডওয়ার্ডস তার পোস্টের জবাবে দেয়া সকল কমেন্ট মুছে দিয়ে, কমেন্টস সেকশন বন্ধ করে দেন এবং এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পূর্বের সকল পোস্টগুলো লুকিয়ে ফেলেন। এলিস তার বায়োতে লিখেছেন: “টর্চার-মুক্ত বিশ্বের জন্য কাজ করছি। প্রো-পিস। প্রো-পিপল। অ্যাপলিটিক্যাল।” কিন্তু তার এই আচরণ দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—তিনি কি শুধু যা দেখতে চান তাই দেখেন, আর বাকি সবকিছু এড়িয়ে যান? বাংলাদেশে বর্তমানে যে মানবিক সংকট চলছে—রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মবোক্রেসি, আইনের শাসনের অবক্ষয় এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। অথচ
জাতিসংঘের একজন স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র, যার দায়িত্ব সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা, তিনি যদি শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর শোনেন এবং অন্য পক্ষের বাস্তবতাকে এড়িয়ে যান, তাহলে তা জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনেক অ্যাকটিভিস্টের অভিযোগ, অ্যালিস এডওয়ার্ডস শুধু ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে নিহতদের কথা তুলে ধরছেন, কিন্তু তার পরবর্তী সময়ে ঘটে চলা হাজারো ঘটনা—বিশেষ করে আওয়ামীলীগের হাজারো কর্মী, সাধারণ নাগরিক ও সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান সহিংসতা—সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছেন। এ ধরনের আচরণ জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ‘ন্যারেটিভ’ নিয়ন্ত্রণের প্রবণতাকে তুলে ধরে বলে সমালোচকরা মনে করেন। টর্চারের বিরুদ্ধে লড়াই যদি একপাক্ষিক হয়ে যায়, তাহলে সেই লড়াই আর সবার জন্য থাকে না।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন প্রশ্ন তুলছে—জাতিসংঘের প্রতিনিধি কি সত্যিই সব নির্যাতিতের পক্ষে, নাকি তিনি শুধু তাই দেখেন ও দেখতে চান, যা তাকে বলে দেয়া হয়েছে? এভাবে কি মানবাধিকার, শান্তি অর্জিত হয়? এটা প্রো-পিপল না হয়ে প্রো-পাওয়ার হয়ে যায় কিনা, যেখানে জনমানুষের বক্তব্য প্রাধান্য পায় না, প্রাধান্য পায় ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্য, এমন প্রশ্ন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
কথা আলোচনায় থাকতে হবে। আমি সরকার ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আমার মতামত শেয়ার করব।” কিন্তু এই পোস্টের জবাবে বাংলাদেশের অসংখ্য অ্যাকটিভিস্ট ও সাধারণ নাগরিক তার পোস্টের নিচে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানান। তারা ইউএন স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র এর পোস্টের কমেন্টে তুলে ধরেন ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ১৮ মাস এবং সাম্প্রতিক বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে দুই মাস, বিগত ২০ মাস ধরে বাংলাদেশে চলমান চলা রাজনৈতিক হত্যা, মব সহিংসতা, বেআইনি গ্রেপ্তার, হেফাজতে নির্যাতন, কারাগারে মৃত্যু, জামিন অস্বীকার, বয়স্ক নাগরিক ও মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের দীর্ঘমেয়াদি আটকের ঘটনা। পোস্টের নিচে ছবি, ভিডিও, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও রিপোর্টের লিঙ্কসহ অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়ে। অনেকে উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর
থেকে মব-লিঞ্চিং, অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার, বিরোধীদলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। অথচ এসব বাস্তব চিত্রের সামনে এসে অ্যালিস এডওয়ার্ডস তার পোস্টের জবাবে দেয়া সকল কমেন্ট মুছে দিয়ে, কমেন্টস সেকশন বন্ধ করে দেন এবং এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পূর্বের সকল পোস্টগুলো লুকিয়ে ফেলেন। এলিস তার বায়োতে লিখেছেন: “টর্চার-মুক্ত বিশ্বের জন্য কাজ করছি। প্রো-পিস। প্রো-পিপল। অ্যাপলিটিক্যাল।” কিন্তু তার এই আচরণ দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—তিনি কি শুধু যা দেখতে চান তাই দেখেন, আর বাকি সবকিছু এড়িয়ে যান? বাংলাদেশে বর্তমানে যে মানবিক সংকট চলছে—রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মবোক্রেসি, আইনের শাসনের অবক্ষয় এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। অথচ
জাতিসংঘের একজন স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র, যার দায়িত্ব সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা, তিনি যদি শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর শোনেন এবং অন্য পক্ষের বাস্তবতাকে এড়িয়ে যান, তাহলে তা জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনেক অ্যাকটিভিস্টের অভিযোগ, অ্যালিস এডওয়ার্ডস শুধু ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে নিহতদের কথা তুলে ধরছেন, কিন্তু তার পরবর্তী সময়ে ঘটে চলা হাজারো ঘটনা—বিশেষ করে আওয়ামীলীগের হাজারো কর্মী, সাধারণ নাগরিক ও সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান সহিংসতা—সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছেন। এ ধরনের আচরণ জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ‘ন্যারেটিভ’ নিয়ন্ত্রণের প্রবণতাকে তুলে ধরে বলে সমালোচকরা মনে করেন। টর্চারের বিরুদ্ধে লড়াই যদি একপাক্ষিক হয়ে যায়, তাহলে সেই লড়াই আর সবার জন্য থাকে না।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন প্রশ্ন তুলছে—জাতিসংঘের প্রতিনিধি কি সত্যিই সব নির্যাতিতের পক্ষে, নাকি তিনি শুধু তাই দেখেন ও দেখতে চান, যা তাকে বলে দেয়া হয়েছে? এভাবে কি মানবাধিকার, শান্তি অর্জিত হয়? এটা প্রো-পিপল না হয়ে প্রো-পাওয়ার হয়ে যায় কিনা, যেখানে জনমানুষের বক্তব্য প্রাধান্য পায় না, প্রাধান্য পায় ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্য, এমন প্রশ্ন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে বলে অনেকেই মনে করছেন।



