ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির
ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত
এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল
আইনি মারপ্যাঁচে আসন হারাতে পারেন জামায়াত জোটের প্রার্থী
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ফারজানা সিঁথি
চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী
আ.লীগের ১৯ নেতাকর্মী আটক
লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার দুপুরে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।
থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শিমুল ভূঁইয়াসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়। তারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ জানান, লক্ষ্মীপুরে গত ৪ আগস্ট চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে
জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। হত্যা ও ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলায় এ পর্যন্ত ২ শতাধিক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, ৪ আগস্ট শহরের মাদাম ও তমিজ মার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলি চালায়। এতে ছাত্র সাদ আলম আফনান, কাউছার হোসেন বিজয়, সাব্বির হোসেন ও ওসমান গনি নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। যদিও একই দিন সন্ধ্যায় যুবলীগ নেতা একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুর বাসা থেকে পালানোর সময় পিটিয়ে ও কুপিয়ে আটজনকে হত্যা করা হয়। তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। হত্যা ও ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলায় এ পর্যন্ত ২ শতাধিক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, ৪ আগস্ট শহরের মাদাম ও তমিজ মার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলি চালায়। এতে ছাত্র সাদ আলম আফনান, কাউছার হোসেন বিজয়, সাব্বির হোসেন ও ওসমান গনি নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। যদিও একই দিন সন্ধ্যায় যুবলীগ নেতা একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুর বাসা থেকে পালানোর সময় পিটিয়ে ও কুপিয়ে আটজনকে হত্যা করা হয়। তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।



