ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামের টিকাদানের ব্যর্থতায় হাসিনা সরকারের কোনো দায় নেই : ডা. রাকিব
‘গোলামী’ চুক্তি আর গোলামের চুক্তি
পেটের দায়ে প্রতিবন্ধী নাতিকে শিকলে বেঁধে টিসিবির লাইনে নানি, অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি
চাকরিচ্যুতির হুমকিতে কর্মচারীরা: নেত্রকোণায় সাব রেজিস্ট্রি অফিসের চার্টারে বঙ্গবন্ধুর উক্তি, চটলেন ডেপুটি স্পিকার কামাল কায়সার
দেশে ভোটার বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার
বাইকার-অটোরিকশাচালকদের জন্য দুঃসংবাদ
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
আদানির ইউনিট বন্ধ, জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং বেড়েই চলেছে
দেশজুড়ে তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ভারতীয় কোম্পানি আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং বেড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির ঝাড়খণ্ডের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ এক ধাক্কায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। আগে যেখানে কেন্দ্রটি থেকে গড়ে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছিল, এখন তা নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, ইউনিটটি চালু হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। ফলে এর মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে জ্বালানি সংকট, গ্যাসের ঘাটতি এবং একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
বন্ধ থাকায় উৎপাদন এমনিতেই চাহিদার তুলনায় অনেক কম। বুধবার দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াটে, বিপরীতে উৎপাদন ঘাটতির কারণে এক সময় আড়াই হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং দিতে হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড সূত্রে জানা গেছে, দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও গ্যাস সংকট, জ্বালানির অভাব ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। গ্যাস থেকে উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সরবরাহ সংকটে অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও কৃষিখাতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। পাবনা সদর হাসপাতালে গরমে অসুস্থ এক শিশুকে লোডশেডিংয়ের মধ্যে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করার দৃশ্য ইতিমধ্যে জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিনের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও আমদানিনির্ভরতার কারণে
এমন সংকট তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এদিকে আদানির সঙ্গে বকেয়া বিল ও কয়লার দাম নিয়ে টানাপোড়েনও নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বকেয়া পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সমন্বয়হীনতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং নির্ভরতার ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখন চাপের মুখে। এর সরাসরি খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে—লোডশেডিং আর দুর্ভোগে।
বন্ধ থাকায় উৎপাদন এমনিতেই চাহিদার তুলনায় অনেক কম। বুধবার দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াটে, বিপরীতে উৎপাদন ঘাটতির কারণে এক সময় আড়াই হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং দিতে হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড সূত্রে জানা গেছে, দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও গ্যাস সংকট, জ্বালানির অভাব ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। গ্যাস থেকে উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সরবরাহ সংকটে অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও কৃষিখাতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। পাবনা সদর হাসপাতালে গরমে অসুস্থ এক শিশুকে লোডশেডিংয়ের মধ্যে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করার দৃশ্য ইতিমধ্যে জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিনের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও আমদানিনির্ভরতার কারণে
এমন সংকট তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এদিকে আদানির সঙ্গে বকেয়া বিল ও কয়লার দাম নিয়ে টানাপোড়েনও নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বকেয়া পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সমন্বয়হীনতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং নির্ভরতার ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখন চাপের মুখে। এর সরাসরি খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে—লোডশেডিং আর দুর্ভোগে।



