ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বদলাতে গাড়িতে এআই
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
বিদেশি ভাষা বলতে পারবেন সহজেই, গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হলো নতুন ফিচার
যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে
এআই’র প্রসারে সংকুচিত হচ্ছে মৌলিক চিন্তার পরিসর
আজ রাতেই দেখা যাবে বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল সুপারমুন
আজ রাতেই সারা বিশ্বের আকাশে দেখা মিলবে বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল পূর্ণিমার চাঁদ, যাকে বলা হচ্ছে সুপারমুন (Supermoon)। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই বিশেষ মুহূর্তে চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বড় এবং ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখা যাবে।
এটি হলো ২০২৫ সালের তিনটি ধারাবাহিক সুপারমুনের দ্বিতীয়টি।
বিশেষত যুক্তরাজ্যে আজ রাতেই পালিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘বনফায়ার নাইট’, ফলে আকাশজুড়ে আলো, ঝলক আর রঙের মায়াময় সমাহারে সজ্জিত হবে আজকের রাত।
কেন চাঁদকে আজ সুপারমুন বলা হচ্ছে?
চাঁদ যখন তার উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসে, তখন সেই অবস্থাকে বলা হয় ‘পেরিজি (Perigee)’।
এই সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মাইল দূরে থাকে,
যা সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক কম। ফলে, চাঁদ আকাশে আরও বড়, উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় দেখায়। অন্যদিকে, যখন চাঁদ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে, তখন সেটিকে বলা হয় ‘অ্যাপোজি (Apogee)’, যেখানে দূরত্ব বেড়ে যায় প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মাইল পর্যন্ত। ‘সুপারমুন’ নামের উৎপত্তি ও ইতিহাস জ্যোতিষী রিচার্ড নোল ১৯৭৯ সালে ‘সুপারমুন’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন । তিনি এই নাম দেন সেই সময়ের পূর্ণিমা চাঁদকে, যা পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করেছিল। এরপর থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও আকাশপ্রেমীদের কাছে এই শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নভেম্বরের এই সুপারমুনকে বলা হয় ‘বিভার মুন (Beaver Moon)’। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী এবং প্রাচীন ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে শতাব্দী ধরে এ নাম ব্যবহৃত হচ্ছে। এই সময়ে বিভাররা শীতের প্রস্তুতি
হিসেবে বাঁধ তৈরি ও খাদ্য মজুত করতে ব্যস্ত থাকে, সেই কারণেই এই নামকরণ। আজ রাতের আকাশে মহাজাগতিক সৌন্দর্য আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ রাতেই খালি চোখে দেখা যাবে এই বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় চাঁদ। আকাশ পর্যবেক্ষণপ্রেমীদের জন্য এটি হবে এক অসাধারণ মহাজাগতিক উপহার। রাতের নিস্তব্ধতায় চাঁদের জোছনায় ভরে উঠবে প্রকৃতি, যা পৃথিবীব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে। উল্লেখ্য, এ বছরের শেষ সুপারমুন দেখা যাবে আগামী ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে।
যা সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক কম। ফলে, চাঁদ আকাশে আরও বড়, উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় দেখায়। অন্যদিকে, যখন চাঁদ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে, তখন সেটিকে বলা হয় ‘অ্যাপোজি (Apogee)’, যেখানে দূরত্ব বেড়ে যায় প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মাইল পর্যন্ত। ‘সুপারমুন’ নামের উৎপত্তি ও ইতিহাস জ্যোতিষী রিচার্ড নোল ১৯৭৯ সালে ‘সুপারমুন’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন । তিনি এই নাম দেন সেই সময়ের পূর্ণিমা চাঁদকে, যা পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করেছিল। এরপর থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও আকাশপ্রেমীদের কাছে এই শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নভেম্বরের এই সুপারমুনকে বলা হয় ‘বিভার মুন (Beaver Moon)’। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী এবং প্রাচীন ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে শতাব্দী ধরে এ নাম ব্যবহৃত হচ্ছে। এই সময়ে বিভাররা শীতের প্রস্তুতি
হিসেবে বাঁধ তৈরি ও খাদ্য মজুত করতে ব্যস্ত থাকে, সেই কারণেই এই নামকরণ। আজ রাতের আকাশে মহাজাগতিক সৌন্দর্য আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ রাতেই খালি চোখে দেখা যাবে এই বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় চাঁদ। আকাশ পর্যবেক্ষণপ্রেমীদের জন্য এটি হবে এক অসাধারণ মহাজাগতিক উপহার। রাতের নিস্তব্ধতায় চাঁদের জোছনায় ভরে উঠবে প্রকৃতি, যা পৃথিবীব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে। উল্লেখ্য, এ বছরের শেষ সুপারমুন দেখা যাবে আগামী ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে।



