ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল
বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে
ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি
মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক
ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা”
গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য
যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না’— ড. ইউনূসকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের কড়া হুঁশিয়ারি
আওয়ামী লীগ সরকার পতন: ইউএসএইডের ২৯ মিলিয়ন ডলারের একাংশ পেয়েছিল সমকাল, বিটনিক ও দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট
বাংলাদেশে ‘রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালীকরণ’ (এসপিএল) শীর্ষক একটি প্রকল্পে
যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএইড) দেওয়া
প্রায় ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন (২ কোটি ৯৯ লাখ) ডলারের একটি তহবিল নিয়ে নতুন তথ্য
সামনে এসেছে। ফাঁস হওয়া নথিপত্রের ভিত্তিতে দাবি করা হচ্ছে, এই তহবিলের একটি
অংশ ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে হা-মীম গ্রুপের কর্ণধার এ. কে.
আজাদের মালিকানাধীন দৈনিক সমকাল, মীর শাহাদৎ হোসেনের (কো-ফাউন্ডার ও
সিইও) বিটনিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড এবং দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের
কাছে গিয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের
পতনের পেছনে এই মার্কিন তহবিলের ভূমিকা ছিল বলে একটি মহলে আলোচনা চলছে।
যেভাবে বাড়ে তহবিলের আকার ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ইউএসএইড-অফিস অব মিশন (USAID-OM)
এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি কো-অপারেটিভ এগ্রিমেন্ট
(AID388A1700003) সই
হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালী করা’। এই প্রকল্পের সাথে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাও (ডিএফআইডি) যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৩ জানুয়ারি এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ সময় প্রকল্পটির মোট আর্থিক বরাদ্দ ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১৫৫৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার করা হয়। অনুদানটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের তহবিল থেকে ‘আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা’ খাতে দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পটির ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক দলের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা কমানো। কারা কত পেলেন সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজ-এর হাতে আসা নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও ইউএসএইড-এর মাধ্যমে ঢাকাভিত্তিক একটি
এনজিও, একটি পত্রিকা এবং একটি মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানের কাছে এই অর্থ হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। নথি অনুযায়ী: - সমকাল (মালিক: এ. কে. আজাদ): হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকাশক এ. কে. আজাদের মালিকানাধীন বাংলা দৈনিক সমকালকে প্রায় ২৯ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছিল। নারী ও তরুণ রাজনৈতিক নেতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে সমসাময়িক জাতীয় বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক আয়োজনের জন্য এই উপ-অনুদান বরাদ্দ ছিল। - বিটনিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড (মালিক/সিইও: মীর শাহাদৎ হোসেন): সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কো-ফাউন্ডার ও সিইও মীর শাহাদৎ হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হয় প্রায় ১ লাখ
২ হাজার ২০০ ডলার। তাদের কাজ ছিল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক দল গঠন এবং সংঘাত নিরসন বিষয়ে একটি ডিজিটাল জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি করা। - দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট: তহবিলের সবচেয়ে বড় অংশটি পায় বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট। তাদের দায়িত্ব ছিল রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলো নথিভুক্ত করা, তা প্রকাশ করা এবং দলগুলোকে শান্তিপূর্ণ বিকল্প গ্রহণে উৎসাহিত করা। নথির তথ্য বলছে, অর্থ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউএসএইড/বাংলাদেশ ২০২৩ সালের ১১ জুন ৫ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন
ডলার বিতরণ করে। মোট ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়নের মধ্যে বিভিন্ন বছরে প্রায় ২৮ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে। ট্রাম্পের সমালোচনা ও মাস্কের পদক্ষেপ এই ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলারের তহবিলের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ওয়াশিংটনে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে (সিপিএসি) দেওয়া এক ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অনুদানের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালী করার নামে দেওয়া এই ২৯ মিলিয়ন ডলার মূলত একজন ‘র্যাডিক্যাল বামপন্থী কমিউনিস্ট’-কে ক্ষমতায় বসাতে সহায়তা করেছে। ওই একই সময়ে ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডোজ) নির্বাচন ও রাজনীতি সংক্রান্ত এই অনুদান কর্মসূচিটি বাতিল ঘোষণা করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন
ও সেনাবাহিনীর একাংশের ভূমিকা নথিপত্রে দাবি করা হয়েছে, এই পুরো পরিকল্পনাটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়েছিল। এই পরিকল্পনায় উল্লিখিত সংস্থাগুলোর ভূমিকা থাকলেও, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার গোপন সংশ্লিষ্টতা, যারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, গ্রামীণ গ্রুপের একটি নোটিফিকেশন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ফাঁস হওয়া নথির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি তাঁকে পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য প্রস্তুত করার একটি ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য নথিতে সমকাল, বিটনিক এবং দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টে অর্থ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ থাকলেও সরকারিভাবে এর কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশি কোনো সংস্থার এই ধরনের অর্থ গ্রহণের বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড নেই।
হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালী করা’। এই প্রকল্পের সাথে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাও (ডিএফআইডি) যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৩ জানুয়ারি এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ সময় প্রকল্পটির মোট আর্থিক বরাদ্দ ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১৫৫৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার করা হয়। অনুদানটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের তহবিল থেকে ‘আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা’ খাতে দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পটির ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক দলের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা কমানো। কারা কত পেলেন সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজ-এর হাতে আসা নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও ইউএসএইড-এর মাধ্যমে ঢাকাভিত্তিক একটি
এনজিও, একটি পত্রিকা এবং একটি মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানের কাছে এই অর্থ হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। নথি অনুযায়ী: - সমকাল (মালিক: এ. কে. আজাদ): হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকাশক এ. কে. আজাদের মালিকানাধীন বাংলা দৈনিক সমকালকে প্রায় ২৯ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছিল। নারী ও তরুণ রাজনৈতিক নেতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে সমসাময়িক জাতীয় বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক আয়োজনের জন্য এই উপ-অনুদান বরাদ্দ ছিল। - বিটনিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড (মালিক/সিইও: মীর শাহাদৎ হোসেন): সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কো-ফাউন্ডার ও সিইও মীর শাহাদৎ হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হয় প্রায় ১ লাখ
২ হাজার ২০০ ডলার। তাদের কাজ ছিল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক দল গঠন এবং সংঘাত নিরসন বিষয়ে একটি ডিজিটাল জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি করা। - দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট: তহবিলের সবচেয়ে বড় অংশটি পায় বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট। তাদের দায়িত্ব ছিল রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলো নথিভুক্ত করা, তা প্রকাশ করা এবং দলগুলোকে শান্তিপূর্ণ বিকল্প গ্রহণে উৎসাহিত করা। নথির তথ্য বলছে, অর্থ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউএসএইড/বাংলাদেশ ২০২৩ সালের ১১ জুন ৫ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন
ডলার বিতরণ করে। মোট ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়নের মধ্যে বিভিন্ন বছরে প্রায় ২৮ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে। ট্রাম্পের সমালোচনা ও মাস্কের পদক্ষেপ এই ২৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলারের তহবিলের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ওয়াশিংটনে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে (সিপিএসি) দেওয়া এক ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অনুদানের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালী করার নামে দেওয়া এই ২৯ মিলিয়ন ডলার মূলত একজন ‘র্যাডিক্যাল বামপন্থী কমিউনিস্ট’-কে ক্ষমতায় বসাতে সহায়তা করেছে। ওই একই সময়ে ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডোজ) নির্বাচন ও রাজনীতি সংক্রান্ত এই অনুদান কর্মসূচিটি বাতিল ঘোষণা করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন
ও সেনাবাহিনীর একাংশের ভূমিকা নথিপত্রে দাবি করা হয়েছে, এই পুরো পরিকল্পনাটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়েছিল। এই পরিকল্পনায় উল্লিখিত সংস্থাগুলোর ভূমিকা থাকলেও, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার গোপন সংশ্লিষ্টতা, যারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, গ্রামীণ গ্রুপের একটি নোটিফিকেশন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ফাঁস হওয়া নথির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি তাঁকে পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য প্রস্তুত করার একটি ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য নথিতে সমকাল, বিটনিক এবং দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টে অর্থ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ থাকলেও সরকারিভাবে এর কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশি কোনো সংস্থার এই ধরনের অর্থ গ্রহণের বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড নেই।



