ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
যশোর-২ আসনে পরাজয়: বিএনপিতে প্রকাশ্য কোন্দল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বিএনপি ও জামায়াত ভেতরে ভেতরে এক, মাঠে তারা কৃত্রিম দ্বন্দ্ব দেখাচ্ছে।” শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মহাসচিব, জাতীয় পার্টি।
শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে তৈরি সেই পাইপলাইনই এখন বিএনপির ভরসা
‘আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করলেও কাজ করেছে, এরা শুধুই পকেট ভরেছে’—সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়লেন রিকশাচালক
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য এবং সমন্বয়কদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক অটোরিকশা চালক। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের তুলনায় বর্তমান সময়ে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কমেনি বরং আরও বেড়েছে। তার মতে, সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন না হলেও সমন্বয়করা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ওই বক্তব্যে রিকশাচালক অভিযোগ করে বলেন, ‘‘ওনারা নাকি ২ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতি করলেও তারা এলাকার কিছু কাজ করেছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করেছে। কিন্তু এরা (বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তরা) তো কোনো কাজই করেনি। ১৪-১৫ মাসের ব্যবধানে এরা এত টাকা দুর্নীতি করল কীভাবে?’’
সমন্বয়কদের জীবনযাপনের হঠাৎ পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন
তুলে তিনি বলেন, ‘‘যারা মেস থেকে পড়াশোনা করেছে, তাদের অনেকেরই কোনো কর্মসংস্থান নেই। অথচ নেতারা এখন দামি দামি গাড়ি ব্যবহার করছেন। এত অল্প সময়ে তারা কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হলেন? তাদের আয়ের উৎস কী?’’ আন্দোলনে আহত ও নিহতদের প্রতি অবহেলার অভিযোগ এনে তিনি আরও বলেন, ‘‘যারা এই আন্দোলনে জীবন দিল, রক্ত দিল এবং যারা এখনো পঙ্গু হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে—তাদের কোনো খোঁজখবর কেউ নিচ্ছে না। বিনিময়ে তারা (নেতারা) ক্ষমতা পেয়ে লাখ লাখ কোটি টাকা কামাচ্ছে। এতে তাদেরই লাভ হয়েছে, সাধারণ জনগণের কোনো উপকার হয়নি।’’ তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও
প্রাপ্তির ব্যবধান নিয়ে তিনি যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা অনেকের মনেই দাগ কেটেছে।
তুলে তিনি বলেন, ‘‘যারা মেস থেকে পড়াশোনা করেছে, তাদের অনেকেরই কোনো কর্মসংস্থান নেই। অথচ নেতারা এখন দামি দামি গাড়ি ব্যবহার করছেন। এত অল্প সময়ে তারা কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হলেন? তাদের আয়ের উৎস কী?’’ আন্দোলনে আহত ও নিহতদের প্রতি অবহেলার অভিযোগ এনে তিনি আরও বলেন, ‘‘যারা এই আন্দোলনে জীবন দিল, রক্ত দিল এবং যারা এখনো পঙ্গু হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে—তাদের কোনো খোঁজখবর কেউ নিচ্ছে না। বিনিময়ে তারা (নেতারা) ক্ষমতা পেয়ে লাখ লাখ কোটি টাকা কামাচ্ছে। এতে তাদেরই লাভ হয়েছে, সাধারণ জনগণের কোনো উপকার হয়নি।’’ তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও
প্রাপ্তির ব্যবধান নিয়ে তিনি যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা অনেকের মনেই দাগ কেটেছে।



