ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয়
ভোটার ছিল না, কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে: শেখ হাসিনা
জুলাই সনদ’ গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও তথ্যে বড় গরমিল, এক আসনে ভোট ২৪৪%
সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক
গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনকে ‘সাজানো’ ও ‘গণতন্ত্রহীন’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করলেও, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও তৃণমূলের টিকে থাকার সক্ষমতা নিয়ে অবিচল আস্থা প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, দেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বরং দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ ভোট না দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তারা এখনো আওয়ামী লীগের ওপরই আস্থা রাখেন।
ভোট বর্জনই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন
নির্বাচন কমিশনের দাবিকৃত ‘সুষ্ঠু নির্বাচন’কে চ্যালেঞ্জ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, রাতের অন্ধকারে ভোটকেন্দ্র দখল এবং বিরোধী দলবিহীন এই নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাঁর
মতে, দেশের একটি বিশাল অংশ—অর্ধেকের বেশি ভোটার—ভোটকেন্দ্রে যাননি। এই নীরবতাই প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণ বর্তমান প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখছেন না এবং তারা মূলত আওয়ামী লীগের সমর্থক। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ফেরার প্রশ্ন নয়, আওয়ামী লীগ দেশেই আছে।” উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার ১৬ বছর: এক অনন্য রেকর্ড সজীব ওয়াজেদ জয় গত দেড় বছরের অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির বিপরীতে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬-১৭ বছরের শাসনামলকে বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, উন্নয়ন, শৃঙ্খলা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়েছিল—তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো হয়নি।” তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের
যেকোনো সরকারই আসুক না কেন, আওয়ামী লীগের এই উন্নয়নের রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না এবং সাধারণ মানুষ সেই স্থিতিশীল সময়ের অভাব বোধ করবে। তৃণমূলের লড়াকু মানসিকতা ও দলের ঐক্য দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই বিদেশে অবস্থান করলেও তৃণমূল কর্মীরা যে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন, সাংবাদিকের এমন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত পোষণ করেন জয়। তিনি বলেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার, হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার মতো চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও দলের প্রতি অনুগত রয়েছেন। এই চরম প্রতিকূলতাই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি কতটা মজবুত। তিনি জানান, গ্রেফতার ও নির্যাতন সত্ত্বেও দল ঐক্যবদ্ধ আছে এবং এই সংকটকাল তাদের আরও শক্তিশালী করবে। দ্বিমুখী ন্যায়বিচারের প্রতিবাদ ও নৈতিক
অবস্থান জুলাই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন জয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে আওয়ামী লীগের শত শত কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে, সেখানে একপাক্ষিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি কতটা যৌক্তিক? তিনি একটি জুডিশিয়াল কমিটির মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার না করে উল্টো ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে ‘দ্বিমুখী আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের সরাসরি অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখাননি। বরং তিনি বিষয়টিকে দলের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। নেতৃত্ব
কে দেবে, সেটা দলই নির্ধারণ করবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজেকে ক্ষমতার লোভ থেকে ঊর্ধ্বে রেখে একজন পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই সাক্ষাৎকারটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এক বিশাল মনোবল হিসেবে কাজ করবে। চরম বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি যেভাবে দলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড এবং তৃণমূলের ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন, তা প্রমাণ করে যে—ক্ষমতায় না থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এখনো এক অপরিহার্য ও প্রবল শক্তি।
মতে, দেশের একটি বিশাল অংশ—অর্ধেকের বেশি ভোটার—ভোটকেন্দ্রে যাননি। এই নীরবতাই প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণ বর্তমান প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখছেন না এবং তারা মূলত আওয়ামী লীগের সমর্থক। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ফেরার প্রশ্ন নয়, আওয়ামী লীগ দেশেই আছে।” উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার ১৬ বছর: এক অনন্য রেকর্ড সজীব ওয়াজেদ জয় গত দেড় বছরের অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির বিপরীতে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬-১৭ বছরের শাসনামলকে বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, উন্নয়ন, শৃঙ্খলা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়েছিল—তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো হয়নি।” তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের
যেকোনো সরকারই আসুক না কেন, আওয়ামী লীগের এই উন্নয়নের রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না এবং সাধারণ মানুষ সেই স্থিতিশীল সময়ের অভাব বোধ করবে। তৃণমূলের লড়াকু মানসিকতা ও দলের ঐক্য দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই বিদেশে অবস্থান করলেও তৃণমূল কর্মীরা যে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন, সাংবাদিকের এমন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত পোষণ করেন জয়। তিনি বলেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার, হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার মতো চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও দলের প্রতি অনুগত রয়েছেন। এই চরম প্রতিকূলতাই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি কতটা মজবুত। তিনি জানান, গ্রেফতার ও নির্যাতন সত্ত্বেও দল ঐক্যবদ্ধ আছে এবং এই সংকটকাল তাদের আরও শক্তিশালী করবে। দ্বিমুখী ন্যায়বিচারের প্রতিবাদ ও নৈতিক
অবস্থান জুলাই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন জয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে আওয়ামী লীগের শত শত কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে, সেখানে একপাক্ষিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি কতটা যৌক্তিক? তিনি একটি জুডিশিয়াল কমিটির মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার না করে উল্টো ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে ‘দ্বিমুখী আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের সরাসরি অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখাননি। বরং তিনি বিষয়টিকে দলের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। নেতৃত্ব
কে দেবে, সেটা দলই নির্ধারণ করবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজেকে ক্ষমতার লোভ থেকে ঊর্ধ্বে রেখে একজন পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই সাক্ষাৎকারটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এক বিশাল মনোবল হিসেবে কাজ করবে। চরম বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি যেভাবে দলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড এবং তৃণমূলের ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন, তা প্রমাণ করে যে—ক্ষমতায় না থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এখনো এক অপরিহার্য ও প্রবল শক্তি।



