ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
ড. আসিফ নজরুল- আপনার এক অঙ্গে কতো রূপ?
গনতন্ত্র ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পলাশীর পতনের ঠিক ১৯২ বছর পরে বাংলার জেগে ওঠার উপখ্যান
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা?
” ছাত্রজনতার উপর গণহত্যা চালানো হইছে” এটা একটা ন্যারেটিভ।
এই এক ন্যারেটিভ এস্টাবলিশ করে গত ১৮-১৯ মাসে পুরা ওলট-পালট হয়ে গেলো দেশটা। কতো অর্বাচিন, অপ্রাসঙ্গিক, বেইল নাই বুদ্ধিভ্রষ্টরা সেই সুযোগে বিশাল কেউকেটা হয়ে বসে আছে। আগস্ট২৪ এর পূর্বে আর পরে কতো হত্যাকারী, লুটপাটকারী, অস্ত্র লুটকারী কতো অপরাধী নিজেদের নায়ক ভেবে বসে আছে বা সমমনাদের কাছে নায়ক/হিরো’র মতো সন্মান পাচ্ছে।
এই ন্যারেটিভ আর এর পক্ষে কথা বলায় একটা বড়সড় ফ্যানবেইজ, অনেক বটের লাইক কমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। এটা অনেকের কাছে বিশাল একটা অর্জন, এটাই তাদের সম্বল। এটা তাদের গ্রহনযোগ্য করছে, অন্তত লাইক কমেন্টের সংখ্যা গুনে এটাই তারা ভাবছে।
এই ক্ষমতায়ন আর গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে তারা যা
ইচ্ছা তাই করে ফেলতে পারবে বলে মনে করছে। তারা দিনকে রাত করে ফেলতে পারছে, তারা বিরুদ্ধমতের বিপক্ষে মব লেলিয়ে দিতে পারছে, তারা নিজেদের সর্বেসর্বা ভাবতে পারছে, কারণ নোবেল লরিয়েট ড ইউনুস তাদেরকে সেইভাবে ক্ষমতায়িত করেছেন। তারা মনে করছে এই জনপ্রিয়তা তাদেরকে দেশের ভালোমন্দ, সংস্কার সব কিছু বুঝে ফেলার সক্ষমতা দিয়েছে। তারা চাইলেই দেশকে বদলে ফেলে, সব ইতিহাস বদলে ফেলে, দেশকে কাবুল-পেশোয়ার-সিডনি বানিয়ে ফেলতে পারবে। এতো ক্ষমতার দম্ভ, এতো উগ্রতা, এতো প্রতারণা আর প্ররোচণা, অরাজকতা, যা ইচ্ছা তাই করে ফেলার মানসিকতা, জনমানুষের জীবন সংগ্রাম, দেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভাবমূর্তি, দেশের উন্নয়ন কিছুই তাদের কাছে ম্যাটার করছে না। এই সব কিছুর ভিত্তি
একটাই, “ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যা চালানো হইছে” ন্যারেটিভস। নিজেদের গোষ্ঠির মধ্যে এই বয়ানের ফলে অর্জিত জনপ্রিয়তার কারনে তারা নিজেদের “সবজান্তা শমসের” ভাবছে। শুধু মাত্র এই ন্যারেটিভস ভেঙ্গে যাবে দেখে, তারা সব কিছুর বিচার চাইলেও পুলিশহত্যা, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সারাদেশব্যাপি হত্যাযজ্ঞ, মবসন্ত্রাসের বিচার চায় না। যদিও, যে কোন বিবেক বিবেচনা ও বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষে সকল অন্যায় আর অপরাধের বিচার চাইবার কথা, কিন্তু এরা সেটা চাইবে না। এর বিচার চাইবে সেই অংশের, যা তাদের ন্যারেটিভের পক্ষে যায়, বা ন্যারেটিভের পালে হাওয়া দেয়। কারন এরা ভালো করেই জানে সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার চাইলে, বোধবুদ্ধির সাথে বিচার বিবেচনা করলে তাদের সেইই ন্যারেটিভ ভেঙ্গে যাবে, যা তাদের ক্ষমতায়িত
করেছিল, যা তাদের ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৬০ বর্গকিলোমিটারের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের “ভাগ্যনিয়ন্তা” বানিয়েছিল! আর নষ্ট-ভ্রান্ত-নীতিহীনেরা যখন একবার ক্ষমতার স্বাদ পায়, ভাগ্যনিয়ন্তা হয়ে ওঠার অহমিকায় পেয়ে বসে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক এনগেজমেন্ট, লাইক কমেন্ট, শেয়ার-এ নিজেকে ‘সর্বজনবিদিত’ দিগগজ ভাবতে শুরু করে, তখন তারা সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে এতোটাই আগ্রাসী হয়ে যায় যে, সেখান থেকে জন্ম নেয় “ফ্যাসিজম”, আর ব্যাক্তিরা হয়ে ওঠে একেকজন “ফ্যাসিস্ট”… লেখক পরিচিতি অনলাইন একটিভিস্ট
ইচ্ছা তাই করে ফেলতে পারবে বলে মনে করছে। তারা দিনকে রাত করে ফেলতে পারছে, তারা বিরুদ্ধমতের বিপক্ষে মব লেলিয়ে দিতে পারছে, তারা নিজেদের সর্বেসর্বা ভাবতে পারছে, কারণ নোবেল লরিয়েট ড ইউনুস তাদেরকে সেইভাবে ক্ষমতায়িত করেছেন। তারা মনে করছে এই জনপ্রিয়তা তাদেরকে দেশের ভালোমন্দ, সংস্কার সব কিছু বুঝে ফেলার সক্ষমতা দিয়েছে। তারা চাইলেই দেশকে বদলে ফেলে, সব ইতিহাস বদলে ফেলে, দেশকে কাবুল-পেশোয়ার-সিডনি বানিয়ে ফেলতে পারবে। এতো ক্ষমতার দম্ভ, এতো উগ্রতা, এতো প্রতারণা আর প্ররোচণা, অরাজকতা, যা ইচ্ছা তাই করে ফেলার মানসিকতা, জনমানুষের জীবন সংগ্রাম, দেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভাবমূর্তি, দেশের উন্নয়ন কিছুই তাদের কাছে ম্যাটার করছে না। এই সব কিছুর ভিত্তি
একটাই, “ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যা চালানো হইছে” ন্যারেটিভস। নিজেদের গোষ্ঠির মধ্যে এই বয়ানের ফলে অর্জিত জনপ্রিয়তার কারনে তারা নিজেদের “সবজান্তা শমসের” ভাবছে। শুধু মাত্র এই ন্যারেটিভস ভেঙ্গে যাবে দেখে, তারা সব কিছুর বিচার চাইলেও পুলিশহত্যা, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সারাদেশব্যাপি হত্যাযজ্ঞ, মবসন্ত্রাসের বিচার চায় না। যদিও, যে কোন বিবেক বিবেচনা ও বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষে সকল অন্যায় আর অপরাধের বিচার চাইবার কথা, কিন্তু এরা সেটা চাইবে না। এর বিচার চাইবে সেই অংশের, যা তাদের ন্যারেটিভের পক্ষে যায়, বা ন্যারেটিভের পালে হাওয়া দেয়। কারন এরা ভালো করেই জানে সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার চাইলে, বোধবুদ্ধির সাথে বিচার বিবেচনা করলে তাদের সেইই ন্যারেটিভ ভেঙ্গে যাবে, যা তাদের ক্ষমতায়িত
করেছিল, যা তাদের ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৬০ বর্গকিলোমিটারের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের “ভাগ্যনিয়ন্তা” বানিয়েছিল! আর নষ্ট-ভ্রান্ত-নীতিহীনেরা যখন একবার ক্ষমতার স্বাদ পায়, ভাগ্যনিয়ন্তা হয়ে ওঠার অহমিকায় পেয়ে বসে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক এনগেজমেন্ট, লাইক কমেন্ট, শেয়ার-এ নিজেকে ‘সর্বজনবিদিত’ দিগগজ ভাবতে শুরু করে, তখন তারা সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে এতোটাই আগ্রাসী হয়ে যায় যে, সেখান থেকে জন্ম নেয় “ফ্যাসিজম”, আর ব্যাক্তিরা হয়ে ওঠে একেকজন “ফ্যাসিস্ট”… লেখক পরিচিতি অনলাইন একটিভিস্ট



