আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬ |
” ছাত্রজনতার উপর গণহত্যা চালানো হইছে” এটা একটা ন্যারেটিভ। এই এক ন্যারেটিভ এস্টাবলিশ করে গত ১৮-১৯ মাসে পুরা ওলট-পালট হয়ে গেলো দেশটা। কতো অর্বাচিন, অপ্রাসঙ্গিক, বেইল নাই বুদ্ধিভ্রষ্টরা সেই সুযোগে বিশাল কেউকেটা হয়ে বসে আছে। আগস্ট২৪ এর পূর্বে আর পরে কতো হত্যাকারী, লুটপাটকারী, অস্ত্র লুটকারী কতো অপরাধী নিজেদের নায়ক ভেবে বসে আছে বা সমমনাদের কাছে নায়ক/হিরো’র মতো সন্মান পাচ্ছে। এই ন্যারেটিভ আর এর পক্ষে কথা বলায় একটা বড়সড় ফ্যানবেইজ, অনেক বটের লাইক কমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। এটা অনেকের কাছে বিশাল একটা অর্জন, এটাই তাদের সম্বল। এটা তাদের গ্রহনযোগ্য করছে, অন্তত লাইক কমেন্টের সংখ্যা গুনে এটাই তারা ভাবছে। এই ক্ষমতায়ন আর গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে তারা যা

ইচ্ছা তাই করে ফেলতে পারবে বলে মনে করছে। তারা দিনকে রাত করে ফেলতে পারছে, তারা বিরুদ্ধমতের বিপক্ষে মব লেলিয়ে দিতে পারছে, তারা নিজেদের সর্বেসর্বা ভাবতে পারছে, কারণ নোবেল লরিয়েট ড ইউনুস তাদেরকে সেইভাবে ক্ষমতায়িত করেছেন। তারা মনে করছে এই জনপ্রিয়তা তাদেরকে দেশের ভালোমন্দ, সংস্কার সব কিছু বুঝে ফেলার সক্ষমতা দিয়েছে। তারা চাইলেই দেশকে বদলে ফেলে, সব ইতিহাস বদলে ফেলে, দেশকে কাবুল-পেশোয়ার-সিডনি বানিয়ে ফেলতে পারবে। এতো ক্ষমতার দম্ভ, এতো উগ্রতা, এতো প্রতারণা আর প্ররোচণা, অরাজকতা, যা ইচ্ছা তাই করে ফেলার মানসিকতা, জনমানুষের জীবন সংগ্রাম, দেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভাবমূর্তি, দেশের উন্নয়ন কিছুই তাদের কাছে ম্যাটার করছে না। এই সব কিছুর ভিত্তি

একটাই, “ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যা চালানো হইছে” ন্যারেটিভস। নিজেদের গোষ্ঠির মধ্যে এই বয়ানের ফলে অর্জিত জনপ্রিয়তার কারনে তারা নিজেদের “সবজান্তা শমসের” ভাবছে। শুধু মাত্র এই ন্যারেটিভস ভেঙ্গে যাবে দেখে, তারা সব কিছুর বিচার চাইলেও পুলিশহত্যা, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সারাদেশব্যাপি হত্যাযজ্ঞ, মবসন্ত্রাসের বিচার চায় না। যদিও, যে কোন বিবেক বিবেচনা ও বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষে সকল অন্যায় আর অপরাধের বিচার চাইবার কথা, কিন্তু এরা সেটা চাইবে না। এর বিচার চাইবে সেই অংশের, যা তাদের ন্যারেটিভের পক্ষে যায়, বা ন্যারেটিভের পালে হাওয়া দেয়। কারন এরা ভালো করেই জানে সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার চাইলে, বোধবুদ্ধির সাথে বিচার বিবেচনা করলে তাদের সেইই ন্যারেটিভ ভেঙ্গে যাবে, যা তাদের ক্ষমতায়িত

করেছিল, যা তাদের ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৬০ বর্গকিলোমিটারের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের “ভাগ্যনিয়ন্তা” বানিয়েছিল! আর নষ্ট-ভ্রান্ত-নীতিহীনেরা যখন একবার ক্ষমতার স্বাদ পায়, ভাগ্যনিয়ন্তা হয়ে ওঠার অহমিকায় পেয়ে বসে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক এনগেজমেন্ট, লাইক কমেন্ট, শেয়ার-এ নিজেকে ‘সর্বজনবিদিত’ দিগগজ ভাবতে শুরু করে, তখন তারা সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে এতোটাই আগ্রাসী হয়ে যায় যে, সেখান থেকে জন্ম নেয় “ফ্যাসিজম”, আর ব্যাক্তিরা হয়ে ওঠে একেকজন “ফ্যাসিস্ট”… লেখক পরিচিতি অনলাইন একটিভিস্ট

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়