ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
২০২৬-২৭ বাজেট: বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয়
বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর
অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক বিদেশি ঋণ ছাড়ের চেয়ে পরিশোধ বেশি
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিদেশি ঋণ পরিশোধে চাপ বাড়ছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর। পদ্মা রেল সংযোগ, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো কয়েকটি মেগা প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের কিস্তি শুরু হওয়ায় এ চাপ তৈরি হয়েছে। এতে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে যে পরিমাণ বিদেশিক ঋণ এসেছে, পরিশোধ করতে হয়েছে তার চেয়ে ২৮ কোটি ডলার বেশি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ-ইআরডির হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, গত প্রান্তিকে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫ কোটি ৬৫ লাখ ডলার।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সুদ-আসল মিলে বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ১১২ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। ঋণ পরিশোধ বাড়লেও
উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড় কমেছে। গত প্রান্তিকে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় অর্থছাড় কমেছে ৪৩ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ সময় অর্থছাড় হয়েছে ৮৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১২৮ কোটি ১৭ লাখ ডলার। আরও সংকটের কথা হচ্ছে, নতুন করে ঋণ প্রতিশ্রুতি কমেছে ৯৯ শতাংশ। এই সময়ে মাত্র ২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উন্নয়ন সহযোগীরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৮৮ কোটি ডলার। এ নিয়ে অবশ্য উদ্বেগের কারণ নেই বলে দাবি করেছেন ইআরডির কর্মকর্তারা। এক কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বহুপাক্ষিক এবং দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী
একাধিক খাতে বড় অঙ্কের ঋণ ও বাজেট সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড় কমেছে। গত প্রান্তিকে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় অর্থছাড় কমেছে ৪৩ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ সময় অর্থছাড় হয়েছে ৮৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এটি ছিল ১২৮ কোটি ১৭ লাখ ডলার। আরও সংকটের কথা হচ্ছে, নতুন করে ঋণ প্রতিশ্রুতি কমেছে ৯৯ শতাংশ। এই সময়ে মাত্র ২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উন্নয়ন সহযোগীরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৮৮ কোটি ডলার। এ নিয়ে অবশ্য উদ্বেগের কারণ নেই বলে দাবি করেছেন ইআরডির কর্মকর্তারা। এক কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বহুপাক্ষিক এবং দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী
একাধিক খাতে বড় অঙ্কের ঋণ ও বাজেট সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।



