ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ
শেখ হাাসিনা সরকারের এনসিডি সেবা বন্ধ, বিনামূল্যের ওষুধ বঞ্চিত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী
প্রকল্প বাতিল, অথচ হদিস নেই ১৫৪ কোটি টাকার!
রাজধানীর ৪০ ভাগ খুনের নেপথ্যেই রাজনীতি
বাস ভাড়া বাড়াল সরকার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় থমকে যাচ্ছে গার্মেন্টস খাত, ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভারতে
সেচ সংকটে বিপর্যয়: “কৃষি কার্ড” নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষক, বোরো ধানে চিটা পড়ার আশঙ্কা
অর্থনৈতিক চাপে ধুঁকছে বাংলাদেশ: ‘১৪ বোয়িং’ ক্রয়—মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জগদ্দল পাথর
চরম অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেই ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দীর্ঘমেয়াদে তা অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অভিযোগ উঠেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় স্বাক্ষরিত একটি মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বাধ্যবাধকতার ফলেই বর্তমান সরকারকে এই ক্রয় সিদ্ধান্তে যেতে হচ্ছে। এই চুক্তিকে দেশের স্বার্থবিরোধী হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করছেন অনেক অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তারা বলছেন, এতে দেশের কৌশলগত ও আর্থিক স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান-এর প্রশাসনের জন্য এই সিদ্ধান্ত একটি বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা
হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই মাসেই ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিতে হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ে ঘাটতি দেখা দিয়েছে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। এই প্রেক্ষাপটে ১৪টি বোয়িং বিমান ক্রয়ের সিদ্ধান্তকে “অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা” হিসেবে উল্লেখ করছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সংকট, শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যাহত এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপে রয়েছে—সেখানে বড় আকারের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিমান কেনা অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির পেছনে থাকা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে হওয়া এই বাণিজ্যিক সমঝোতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনা না
করেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, চুক্তির শর্তাবলী পর্যালোচনা না করেই বড় ধরনের আর্থিক দায় তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারপক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, যদি চুক্তিগত বাধ্যবাধকতার কারণেই এই ক্রয় করতে হয়, তাহলে তা পুনর্বিবেচনা বা পুনরায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত জ্বালানি সংকট নিরসন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ শক্তিশালী করা। এর পরিবর্তে বড় অঙ্কের বৈদেশিক ব্যয় দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। সমালোচকদের ভাষ্য, “এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এমন সময়ে ১৪টি বোয়িং ক্রয়
সিদ্ধান্ত অর্থনীতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসবে।” সব মিলিয়ে, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত এবং তার প্রভাব নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন বড় সিদ্ধান্তগুলোতে অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি।
হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই মাসেই ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিতে হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ে ঘাটতি দেখা দিয়েছে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। এই প্রেক্ষাপটে ১৪টি বোয়িং বিমান ক্রয়ের সিদ্ধান্তকে “অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা” হিসেবে উল্লেখ করছেন সমালোচকরা। তাদের মতে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সংকট, শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যাহত এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপে রয়েছে—সেখানে বড় আকারের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিমান কেনা অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির পেছনে থাকা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে হওয়া এই বাণিজ্যিক সমঝোতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনা না
করেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, চুক্তির শর্তাবলী পর্যালোচনা না করেই বড় ধরনের আর্থিক দায় তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারপক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, যদি চুক্তিগত বাধ্যবাধকতার কারণেই এই ক্রয় করতে হয়, তাহলে তা পুনর্বিবেচনা বা পুনরায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত জ্বালানি সংকট নিরসন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ শক্তিশালী করা। এর পরিবর্তে বড় অঙ্কের বৈদেশিক ব্যয় দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। সমালোচকদের ভাষ্য, “এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এমন সময়ে ১৪টি বোয়িং ক্রয়
সিদ্ধান্ত অর্থনীতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসবে।” সব মিলিয়ে, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত এবং তার প্রভাব নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন বড় সিদ্ধান্তগুলোতে অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি।



