অবৈধ সরকার হটাও — বন্দর রক্ষা করো – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

অবৈধ সরকার হটাও — বন্দর রক্ষা করো

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ |
বাংলাদেশ আজ এক সংকটপূর্ণ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। দেশের কৌশলগত বন্দরগুলো, সমুদ্রপথ এবং জাতীয় সম্পদকে কেন্দ্র করে শোনা যাচ্ছে গোপন সমঝোতা, বিদেশি চাপ এবং বিতর্কিত চুক্তির গুঞ্জন। এটি শুধু অর্থনৈতিক বা কৌশলগত বিষয় নয়; এটি জাতীয় মর্যাদা, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীনতার প্রশ্ন। এই পরিস্থিতি আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট বার্তা রাখে—জাতির স্বার্থ রক্ষায় জনতা সক্রিয়ভাবে দাঁড়াতে হবে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসুচী —“অবৈধ সরকার হটাও—বন্দর রক্ষা করো।” এটি কোনো স্লোগান নয় এটি জাতির অঙ্গীকার, জনগণের চেতনায় অটল প্রতিজ্ঞা। কারণ বন্দর মানে শুধু অর্থনীতি নয়, বন্দর মানে জাতীয় নিরাপত্তা, বন্দর মানে দেশের কৌশলগত স্বার্থ, এবং বন্দর মানে স্বাধীন ভবিষ্যৎ। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি চাপ এবং

বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ছায়া আমাদের বন্দরসমূহের ওপর পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জ শুধু অভ্যন্তরীণ নয়; এটি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও প্রভাব ফেলছে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে অন্যের দয়া নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রমাণ করে, এই দেশের মানুষ কখনো বিদেশি আগ্রাসনকে মেনে নেয়নি। আজও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দৃঢ়ভাবে বলছেন—জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে হস্তান্তর করা যাবে না। অবৈধ সরকারের অধীনে গোপন বা অস্বচ্ছ চুক্তি জাতি মানবে না। জনগণের অনুমোদনবিহীন কোনো সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হতে পারে না। বন্দর, সমুদ্রপথ, প্রতিটি কৌশলগত স্থাপনা—সবই দেশের জনগণের অধিকার। এই সম্পদ রক্ষায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব এই ঐক্য গড়ে তুলতে পারে, এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে

এগিয়ে নিতে পারে। সার্বিকভাবে, বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের স্বার্থ কখনো আপোসের বিষয় নয়। আমাদের বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তারা বলছে, দেশের কৌশলগত সম্পদ ও বন্দর রক্ষার জন্য প্রয়োজন—সংবিধানসম্মত গণতান্ত্রিক আন্দোলন, জনসচেতনতা, এবং জাতীয় ঐক্য। জাতীয় স্বার্থে একটাই সত্য—অবৈধ সরকার হটাতে হবে এবং বন্দর রক্ষা করতে হবে। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক আহ্বান নয়; এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ। জনগণকে একত্রিত করা, দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করা—এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব সবার, এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে জনগণকে সচেতন

ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অবৈধ সরকার হটাও—বন্দর রক্ষা করো। বাংলাদেশকে রক্ষা করো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান কত ছিল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর জীবনের প্রথম ইনকাম, কীভাবে? টানা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে কড়া বক্তব্য কিমের ভক্সওয়াগেন গাড়ি কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের পরিকল্পনা ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে ২ গেটম্যানের অবহেলায় কুমিল্লায় বাস-ট্রেনের সংঘর্ষ : র‌্যাব নিজেদের পরাজয়কে চুক্তি বলবেন না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া বার্তা হরমুজ সংকটে তেল উত্তোলন কমাচ্ছে কুয়েত স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ সরকার বনাম ব্যবসায়ী বক্তব্য যুদ্ধে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ সিলেটের বিশ্বনাথে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাউলগানের আসরে হামলা ও ভাঙচুর ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ রূপবদল ও সুবিধাবাদের মোড়কে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন ২৬ মার্চ-বাংলাদেশের জন্মদিন খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ