ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
অবৈধ সরকার হটাও — বন্দর রক্ষা করো
বাংলাদেশ আজ এক সংকটপূর্ণ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। দেশের কৌশলগত বন্দরগুলো, সমুদ্রপথ এবং জাতীয় সম্পদকে কেন্দ্র করে শোনা যাচ্ছে গোপন সমঝোতা, বিদেশি চাপ এবং বিতর্কিত চুক্তির গুঞ্জন। এটি শুধু অর্থনৈতিক বা কৌশলগত বিষয় নয়; এটি জাতীয় মর্যাদা, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীনতার প্রশ্ন। এই পরিস্থিতি আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট বার্তা রাখে—জাতির স্বার্থ রক্ষায় জনতা সক্রিয়ভাবে দাঁড়াতে হবে।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসুচী —“অবৈধ সরকার হটাও—বন্দর রক্ষা করো।” এটি কোনো স্লোগান নয় এটি জাতির অঙ্গীকার, জনগণের চেতনায় অটল প্রতিজ্ঞা। কারণ বন্দর মানে শুধু অর্থনীতি নয়, বন্দর মানে জাতীয় নিরাপত্তা, বন্দর মানে দেশের কৌশলগত স্বার্থ, এবং বন্দর মানে স্বাধীন ভবিষ্যৎ।
বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি চাপ এবং
বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ছায়া আমাদের বন্দরসমূহের ওপর পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জ শুধু অভ্যন্তরীণ নয়; এটি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও প্রভাব ফেলছে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে অন্যের দয়া নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রমাণ করে, এই দেশের মানুষ কখনো বিদেশি আগ্রাসনকে মেনে নেয়নি। আজও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দৃঢ়ভাবে বলছেন—জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে হস্তান্তর করা যাবে না। অবৈধ সরকারের অধীনে গোপন বা অস্বচ্ছ চুক্তি জাতি মানবে না। জনগণের অনুমোদনবিহীন কোনো সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হতে পারে না। বন্দর, সমুদ্রপথ, প্রতিটি কৌশলগত স্থাপনা—সবই দেশের জনগণের অধিকার। এই সম্পদ রক্ষায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব এই ঐক্য গড়ে তুলতে পারে, এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে
এগিয়ে নিতে পারে। সার্বিকভাবে, বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের স্বার্থ কখনো আপোসের বিষয় নয়। আমাদের বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তারা বলছে, দেশের কৌশলগত সম্পদ ও বন্দর রক্ষার জন্য প্রয়োজন—সংবিধানসম্মত গণতান্ত্রিক আন্দোলন, জনসচেতনতা, এবং জাতীয় ঐক্য। জাতীয় স্বার্থে একটাই সত্য—অবৈধ সরকার হটাতে হবে এবং বন্দর রক্ষা করতে হবে। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক আহ্বান নয়; এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ। জনগণকে একত্রিত করা, দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করা—এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব সবার, এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে জনগণকে সচেতন
ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অবৈধ সরকার হটাও—বন্দর রক্ষা করো। বাংলাদেশকে রক্ষা করো।
বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ছায়া আমাদের বন্দরসমূহের ওপর পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জ শুধু অভ্যন্তরীণ নয়; এটি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও প্রভাব ফেলছে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না—বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে অন্যের দয়া নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রমাণ করে, এই দেশের মানুষ কখনো বিদেশি আগ্রাসনকে মেনে নেয়নি। আজও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দৃঢ়ভাবে বলছেন—জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে হস্তান্তর করা যাবে না। অবৈধ সরকারের অধীনে গোপন বা অস্বচ্ছ চুক্তি জাতি মানবে না। জনগণের অনুমোদনবিহীন কোনো সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থে হতে পারে না। বন্দর, সমুদ্রপথ, প্রতিটি কৌশলগত স্থাপনা—সবই দেশের জনগণের অধিকার। এই সম্পদ রক্ষায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব এই ঐক্য গড়ে তুলতে পারে, এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে
এগিয়ে নিতে পারে। সার্বিকভাবে, বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের স্বার্থ কখনো আপোসের বিষয় নয়। আমাদের বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তারা বলছে, দেশের কৌশলগত সম্পদ ও বন্দর রক্ষার জন্য প্রয়োজন—সংবিধানসম্মত গণতান্ত্রিক আন্দোলন, জনসচেতনতা, এবং জাতীয় ঐক্য। জাতীয় স্বার্থে একটাই সত্য—অবৈধ সরকার হটাতে হবে এবং বন্দর রক্ষা করতে হবে। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক আহ্বান নয়; এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ। জনগণকে একত্রিত করা, দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করা—এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব সবার, এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে জনগণকে সচেতন
ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অবৈধ সরকার হটাও—বন্দর রক্ষা করো। বাংলাদেশকে রক্ষা করো।



