ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আসলে ‘বাণিজ্য অস্ত্র’, দেশকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র: মাহবুব কামাল
‘নতুন বন্দোবস্তের’ ফল মিলতে শুরু করেছে, সরকার ঋণনির্ভর হয়ে পড়েছে: মোহাম্মদ আলী আরাফাত
নৌবাহিনী প্রধান ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান: বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট নিয়ে আইপিইউর উদ্বেগ, সমর্থন জানাল আরআরএজিও
‘নোবেলের টাকা ও কর নিয়ে ইউনূস মারাত্মক অ্যালার্জি আছে’, দাবি সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যানের
১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
অপরাধ জগতে নতুন আতঙ্ক দেখতে সাধারণ কলম, আসলে ভয়ংকর পিস্তল! পাকিস্তান থেকে জঙ্গিদের হাতে আসছে নতুন অস্ত্র
দেখতে অবিকল সাধারণ স্টিলের কলমের মতো। পকেটে গোঁজা থাকলে বোঝার উপায় নেই এটি আসলে একটি আগ্নেয়াস্ত্র। ঢাকার অপরাধ জগতে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে এই ‘পেন গান’ বা কলম-পিস্তল।
সম্প্রতি পুরান ঢাকায় এক যুবদল নেতাকে হত্যাচেষ্টায় এমন একটি অস্ত্রের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, সহজে বহনযোগ্য এই অস্ত্র পাকিস্তান থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে ঢুকছে এবং তা উগ্রবাদী ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর হাতে পৌঁছাচ্ছে।
যেভাবে উদ্ধার হলো কলম-পিস্তল
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩ এপ্রিল পুরান ঢাকার নয়াবাজারে দিনের বেলায় রাসেল নামের এক যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে গুলি করা হয়। এ ঘটনার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) লালবাগ জোন যাত্রাবাড়ী
ও কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে সায়মন ও সোহেল ওরফে কাল্লু নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। ডিবির কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার কাল্লুর কাছ থেকে একটি সিগারেটের প্যাকেটে লুকানো অবস্থায় একটি ‘পেন গান’ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, কালোবাজার থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকায় তাঁরা অস্ত্রটি কিনেছিলেন। ডিবি বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো নজির তাদের কাছে নেই। যেভাবে কাজ করে এই অস্ত্র উদ্ধার হওয়া কলম-পিস্তলটির ভেতরে কালির বদলে থাকে গুলি। এর ওপরের বোতাম (পুশ-বাটন) চাপলে বা নিব ঘুরিয়ে ট্রিগার টানলেই .২২ বা .২৫ বোরের গুলি বেরিয়ে আসে। অস্ত্রটি আকারে খুব ছোট হওয়ায় সহজেই পকেটে লুকিয়ে রাখা যায়। ফলে তল্লাশির সময়ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যদের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই অস্ত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো বা সিরিয়াল নম্বর (ঘোস্ট ওয়েপন) নেই। যার কারণে এটি সহজে শনাক্ত বা ট্র্যাক করা যায় না। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে জঙ্গি সংযোগ ও পাকিস্তানের উৎস গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বে এ ধরনের কলম-পিস্তল সবচেয়ে বেশি তৈরি ও ব্যবহৃত হয় পাকিস্তানে। দেশটির বিভিন্ন অবৈধ অস্ত্র কারখানায় (যেমন- দারা আদমখেল) এগুলো হরহামেশাই তৈরি হয়। সূত্র বলছে, অত্যন্ত সুকৌশলে ভূগর্ভস্থ চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে এই প্রাণঘাতী অস্ত্র সরাসরি বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। শুধু ঢাকা নয়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে এই অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিশেষ করে খুলনা অঞ্চলে চরমপন্থী ও
জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর কাছে এই অস্ত্র পৌঁছে যাওয়ার খবর নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে। গত বছর খুলনায় এক ব্যবসায়ীকে হত্যায় ঠিক এমন একটি কলম-পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবরে উঠে আসে। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও গুপ্তহত্যার (টার্গেট কিলিং) উদ্দেশ্যে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর হাতে এই অস্ত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অস্ত্রের মূল সরবরাহকারী এবং চোরাচালানের পথ (রুট) শনাক্ত করতে ডিবির একাধিক দল এখন ব্যাপকভাবে কাজ করছে।
ও কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে সায়মন ও সোহেল ওরফে কাল্লু নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। ডিবির কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার কাল্লুর কাছ থেকে একটি সিগারেটের প্যাকেটে লুকানো অবস্থায় একটি ‘পেন গান’ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, কালোবাজার থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকায় তাঁরা অস্ত্রটি কিনেছিলেন। ডিবি বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো নজির তাদের কাছে নেই। যেভাবে কাজ করে এই অস্ত্র উদ্ধার হওয়া কলম-পিস্তলটির ভেতরে কালির বদলে থাকে গুলি। এর ওপরের বোতাম (পুশ-বাটন) চাপলে বা নিব ঘুরিয়ে ট্রিগার টানলেই .২২ বা .২৫ বোরের গুলি বেরিয়ে আসে। অস্ত্রটি আকারে খুব ছোট হওয়ায় সহজেই পকেটে লুকিয়ে রাখা যায়। ফলে তল্লাশির সময়ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যদের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই অস্ত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো বা সিরিয়াল নম্বর (ঘোস্ট ওয়েপন) নেই। যার কারণে এটি সহজে শনাক্ত বা ট্র্যাক করা যায় না। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে জঙ্গি সংযোগ ও পাকিস্তানের উৎস গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বে এ ধরনের কলম-পিস্তল সবচেয়ে বেশি তৈরি ও ব্যবহৃত হয় পাকিস্তানে। দেশটির বিভিন্ন অবৈধ অস্ত্র কারখানায় (যেমন- দারা আদমখেল) এগুলো হরহামেশাই তৈরি হয়। সূত্র বলছে, অত্যন্ত সুকৌশলে ভূগর্ভস্থ চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে এই প্রাণঘাতী অস্ত্র সরাসরি বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। শুধু ঢাকা নয়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে এই অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিশেষ করে খুলনা অঞ্চলে চরমপন্থী ও
জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর কাছে এই অস্ত্র পৌঁছে যাওয়ার খবর নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে। গত বছর খুলনায় এক ব্যবসায়ীকে হত্যায় ঠিক এমন একটি কলম-পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবরে উঠে আসে। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও গুপ্তহত্যার (টার্গেট কিলিং) উদ্দেশ্যে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর হাতে এই অস্ত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অস্ত্রের মূল সরবরাহকারী এবং চোরাচালানের পথ (রুট) শনাক্ত করতে ডিবির একাধিক দল এখন ব্যাপকভাবে কাজ করছে।



