ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
স্টাফ রিপোর্টার : গত ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত ৪৮তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের চূড়ান্ত গ্যাজেট নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সকল ধাপ—লিখিত, মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ২৩ জন চিকিৎসকের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, কেবল রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তারা এই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
ভুক্তভোগী চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, গ্যাজেট থেকে বাদ পড়া ২৩ জন চিকিৎসকের মধ্যে ১৫ জনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, ছাত্রজীবনে তারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে তাদের নিয়োগ বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্যাজেট থেকে বাদ পড়া এক চিকিৎসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা পিএসসির সকল নিয়ম মেনে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি। এমনকি চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষায়ও ফিট ঘোষিত হয়েছি। এরপরও শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে আমাদের নাম গ্যাজেটে রাখা হয়নি। এটি আমাদের মেধার অবমূল্যায়ন।” অপর এক চিকিৎসক বলেন, “পারিবারিক পরিচয় বা অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা কখনো একজন চিকিৎসকের অযোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। এটি সংবিধান স্বীকৃত সমান অধিকারের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।” দেশের উপজেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে যখন তীব্র চিকিৎসক সংকট চলছে, তখন উত্তীর্ণ
চিকিৎসকদের এভাবে বাদ দেওয়াকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় পেশাজীবীদের আটকানো হলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মেধাবীদের সরকারি চাকরিতে অনাগ্রহী করে তুলবে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ধাপে এসে এই চিকিৎসকদের বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এদিকে, ভুক্তভোগী চিকিৎসকরা অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তারা রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধ করে দ্রুত গ্যাজেট সংশোধনপূর্বক তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে তাদের নিয়োগ বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্যাজেট থেকে বাদ পড়া এক চিকিৎসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা পিএসসির সকল নিয়ম মেনে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি। এমনকি চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষায়ও ফিট ঘোষিত হয়েছি। এরপরও শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে আমাদের নাম গ্যাজেটে রাখা হয়নি। এটি আমাদের মেধার অবমূল্যায়ন।” অপর এক চিকিৎসক বলেন, “পারিবারিক পরিচয় বা অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা কখনো একজন চিকিৎসকের অযোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। এটি সংবিধান স্বীকৃত সমান অধিকারের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।” দেশের উপজেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে যখন তীব্র চিকিৎসক সংকট চলছে, তখন উত্তীর্ণ
চিকিৎসকদের এভাবে বাদ দেওয়াকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় পেশাজীবীদের আটকানো হলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মেধাবীদের সরকারি চাকরিতে অনাগ্রহী করে তুলবে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ধাপে এসে এই চিকিৎসকদের বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এদিকে, ভুক্তভোগী চিকিৎসকরা অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তারা রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধ করে দ্রুত গ্যাজেট সংশোধনপূর্বক তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



