৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ অক্টোবর, ২০২৪

৩টি সামরিক ট্যাংকসহ ইসরাইলের ১০ ভবন ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ অক্টোবর, ২০২৪ |
রকেট হামলার মাধ্যমে তিনটি ইসরাইলি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। ট্যাংকগুলো লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রাম মারুন আল-রাসের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় রকেট হামলার শিকার হয়। বুধবার এক বিবৃতিতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা ইসরাইলি মেরকাভা ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যেগুলো মারুন আল-রাস নামক গ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। হিজবুল্লাহর সর্বশেষ এ হামলাটি লেবাননের সীমান্ত এলাকায় চলমান সংঘাতের মধ্যেই ঘটেছে। যেখানে হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হিজবুল্লাহ এর আগে এক বিবৃতিতে জানায় যে, তাদের যোদ্ধারা অধিকৃত ফিলিস্তিনের উত্তরে ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি ও অবৈধ বসতিগুলো লক্ষ্য করে ৫০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। বুধবার আল-মায়াদিন টেলিভিশন জানায়, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, বুধবার

লেবানন থেকে ইসরাইলি অবস্থানে ৫০টি রকেট ছোঁড়া হয়েছে। যেগুলো লেবাননে ইসরাইলি আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে ছোঁড়া হয়েছে। ইসরাইলি চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, আল-মুতলা বসতিতে চালানো এ হামলায় অন্তত ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে, বুধবার সকালে একাধিক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করে যে, তাদের যোদ্ধারা শোমেরা ক্যাম্প, শতুলা এবং মিসগাভ আম বসতির সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে গাজার খান ইউনিস শহরে ইসরাইলি বাহিনী প্রবেশ করে আক্রমণ চালায়। মানা, আল-মানারা, এবং আল-সালাম এলাকাগুলো থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করার পর ওইসব এলাকা থেকে ৪০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত ৩৬১ দিনে গাজায় ইসরাইলি সামরিক আক্রমণে ৪১,৬৩৮ জন ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। ইসরাইলি

বাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই থেকে গাজার ৭০ শতাংশ আবাসিক ভবন এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলের বাসিন্দারা নজিরবিহীন মানবিক সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং সম্পূর্ণ অবরোধের শিকার হয়েছে। ইসরাইল সরকার স্বীকার করেছে যে, প্রায় এক বছর ধরে চলা আগ্রাসন সত্ত্বেও তারা হামাসকে ধ্বংস এবং গাজায় আটক ইসরাইলিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই ও ইরনা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পদ্মা ব্যারাজের হঠকারী প্রকল্প: বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ উপেক্ষিত, তিন দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা এবার ‘আমার টাকায়’ উচ্চমূলে বিদ্যুৎ কিনতে হবে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় উত্তাল ক্যাম্পাস: প্রক্টরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কার্যালয়ে তালা সুর থামছে একে একে: কনসার্ট বাতিলের মিছিলে কি মৌলবাদের পদধ্বনি? সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক প্রবেশাধিকারে চুক্তি: চীন-ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে? ট্রাম্প-শি বেইজিং সম্মেলনের খুঁটিনাটি: ইরান, তাইওয়ান সংকট থেকে শুরু করে বাণিজ্য-কূটনীতির ঐতিহাসিক অধ্যায় ‘ফিট নন’ লুকাকু, তবুও বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ দলে নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কী টিভি এডিটরস কাউন্সিলে জায়গা হয়নি নাজনীন মুন্নী? গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে? মাছ-মাংস, ডিম-সবজির দাম নাগালের বাইরে, সাধারণের দুর্ভোগ চরমে ট্রাম্প-শি বেইজিং সম্মেলনের খুঁটিনাটি: ইরান, তাইওয়ান সংকট থেকে শুরু করে বাণিজ্য-কূটনীতির ঐতিহাসিক অধ্যায় বিশ্বকাপ ফাইনালের বিরতিতে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা, ম্যাডোনা, বিটিএস ২০২৬ বিশ্বকাপ: এমবাপের নেতৃত্বে ফ্রান্সের শক্তিশালী দল ঘোষণা বাংলাদেশের শিশুদের কি ৬ মাস বয়সে হামের প্রথম টিকা দেয়া উচিৎ? সম্ভাব্য ৩ ডোজের হামের টিকা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের জন্য বন্দর খুলে দিচ্ছে বাংলাদেশ