১২ বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়েছে শাজাহান খানের ছত্রছায়ায় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

আরও খবর

বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে

থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস

ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয়

নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ

সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর

১২ বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়েছে শাজাহান খানের ছত্রছায়ায়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকের ছত্রছায়ায় গত ৪ বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি চাঁদাবাজি হয়েছে। ‘সড়ক পরিবহণে সংগঠন পরিচালনা ব্যয়’ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করে এই চাঁদাবাজিকে বৈধতাও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, সড়কে চাঁদাবাজিকে প্রাতিষ্ঠনিক রূপ দিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান। ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত ২৪৯ শ্রমিক ইউনিয়নের মাধ্যমে চাঁদা তোলা হয়েছে। এর একটি বড় অংশ নিয়মিত গেছে শাজাহান খানের পকেটে। ফেডারেশনের শীর্ষ নেতা হওয়ার সুবাদে পরিবহণ মালিক সমিতির অপর প্রভাবশালী নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছেন। তার ছিল মাস্তান বাহিনী। এ বাহিনীর কাছে বছরের পর বছর জিম্মি পরিবহণ মালিকরা। বিগত সময়ে বিএনপির নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক

সরকারের দাবিসহ অন্যান্য দাবিতে বৃহৎ পরিসরে আন্দোলনের ডাক দিলেই বন্ধ হয়ে গেছে সড়কের যান চলাচল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এই শাজাহান খান। সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে সড়ক পরিবহণ আইন প্রণয়নের অন্যতম বাধাও ছিলেন তিনি। এদিকে নির্বাচনি হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে শাজাহান খানের বার্ষিক আয় ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যা ২০২৪ সালে হয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। এ সময়ে তার আয় বেড়েছে প্রায় ৩২ গুণ। পরিবহণ শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ হানিফ খোকন বলেন, সড়ক পরিবহণ আইনে রাস্তা থেকে চাঁদা উঠানোর কোনো বিধান নেই। এরপরও পরিবহণ খাতে বেপরোয়া চাঁদাবাজির নেতৃত্বে ছিলেন শাজাহান খান। বিভিন্ন টার্মিনাল,

উপজেলা পর্যায়ে চাঁদা তুলে পাঁচ ভাগের এক ভাগ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের নামে গেছে। এই ফেডারেশনের সবকিছুই চলেছে শাজাহান খানের ইশারায়। ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পরিবহণ সেক্টরে ১২ হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছে শাজাহান খানের লোকজন। তিনি আরও বলেন, শাজাহান খান ও সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিবহণে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। চাঁদাবাজির আয়ে পরিবার, পরিজন, আত্মীয়স্বজনের নামে তারা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও সম্পদ করেছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে আমাদের আবেদন, অনতিবিলম্বে তদন্ত করে এসব অবৈধ সম্পত্তি জব্দ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হোক। সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই পরিবহণ খাতে অপ্রতিরোধ্য

হয়ে ওঠেন নেতা শাজাহান খান। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত পরিবহণ খাতে একচ্ছত্র প্রভাব ছিল তার। ২০০৯ সাল থেকে সড়কে বিক্ষিপ্ত আকারে নানা অঙ্কের চাঁদা তোলা হতো। করোনাকালে সরকার লকডাউন ঘোষণা করলে গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২০ সালের পহেলা জুন থেকে গণপরিবহণ চালুর সিদ্ধান্ত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে ২০২০ সালের জুন, জুলাই ও আগস্ট এই ৩ মাস সড়কে চাঁদা তোলা বন্ধ ছিল। এ সময় চাঁদা তোলার নতুন ফন্দি আঁটা হয়। প্রণয়ন করা হয় সড়ক পরিবহণ সংগঠন পরিচালনা ব্যয় বা সার্ভিস চার্জসংক্রান্ত নির্দেশিকা। এ নির্দেশিকা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি,

সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন, বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাউজানে যুবদল নেতা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা সবাই বিএনপির কর্মী বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয় নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর… যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও কে আসল বিজয়ী? প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ’র নির্দেশ হলরুম ভাড়া নিয়ে ব্যক্তিগত আয়োজনকে ‘অক্সফোর্ডের আমন্ত্রণ’ দাবিতে শিবির-এনসিপির মিথ্যাচার ডাচদের রুখে দিল জাপান, গ্যালারিতে মানবিক সৌন্দর্য দেখালেন সমর্থকরা কুরাসাওকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে ব্রাজিলের রেকর্ড ভাঙল জার্মানি পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ মরদেহ নিউইয়র্কে তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন ও রহমতুল্লাহর স্মরণে শোকসভা মহাখালী থেকে বাস ডিপো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা বিশ্বকাপের মঞ্চে চার দিনের মধ্যে ৩ বার ভাঙল যে রেকর্ড