ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
ইন্ডিয়া যদি আমাদের সাহায্য না করতো, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পারতো না দেশটা স্বাধীন করতে” –বীর মুক্তিযোদ্ধা
স্বামীর শেষ স্মৃতিটুকুও নিয়ে গেল সতিনের ছেলেমেয়েরা
‘হঠাৎ স্বামী স্ট্রোক করে মারা যাওয়ায় আমিও তার চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হই। অসুস্থ শরীর নিয়ে হাসপাতালেই একাকী বেঁচে থাকার লড়াই করি। আমার অনুপস্থিতিতে টিনের তৈরি কুড়ে ঘরের বারান্দার মাটি ও টিন তারা নিয়ে গেছে। জীবদ্দশায় স্বামী আমাকে এক জোড়া নাকের ফুল ও হাতের বালা দিয়েছিল। স্বামীর দেওয়া সেই শেষ স্মৃতিটুকুও ঘরের তালা ভেঙে নিয়ে গেছে তারা। ’
এসব ফেরত পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি বলে জানান, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌরসভার পাটাবুকা (জিয়ারমোড়) এলাকার মৃত সুলতান মাহমুদের বিধবা স্ত্রী মোছাঃ শিউলি বেগম (৫০)।
পুলিশ সেই ছেলেমেয়েদেরকে ডেকে সবকিছু ফিরিয়ে দিতে বলেন।
এ বিষয়ে সুলতানের বড় স্ত্রীর (সতিনের) ছেলে
নূর আলম বলেন, বাবার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র সবকিছু ওই মহিলাই রাতের আঁধারে আগের স্বামীর বাড়িতে নিয়ে গেছে। আমরা তার কোনোকিছুই চুরি করি নাই বলেও জানান আলম। পাঁচবিবি থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় কমিশনারসহ উভয়পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল। তারা সমাধানে না আসায় উভয়পক্ষকে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
নূর আলম বলেন, বাবার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র সবকিছু ওই মহিলাই রাতের আঁধারে আগের স্বামীর বাড়িতে নিয়ে গেছে। আমরা তার কোনোকিছুই চুরি করি নাই বলেও জানান আলম। পাঁচবিবি থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় কমিশনারসহ উভয়পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল। তারা সমাধানে না আসায় উভয়পক্ষকে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।



