ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ
কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
সরকার নির্বাচন নিয়ে উদাসীন: মেজর হাফিজ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কাজ ছিল নির্বাচন কমিশন গঠন করা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেটি করা হয়নি। নির্বাচন নিয়ে তারা উদাসীন। মনে হয় যেন তারা বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকবে।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রফেসর কে. আলী ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশ : পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর হাফিজ বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে আমরা আশা করে আছি, কিন্তু এ সরকারের কর্মকাণ্ডে আমরা কিছুটা হতাশ হয়ে গিয়েছি। তাদের এক একজন চার-পাঁচটা মন্ত্রণালয়ে বসে আছে। কিন্তু সেখানে কোনো কাজ দেখছি না। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এখনো
পর্যন্ত কোনো হাসপাতালে যায়নি। অসংখ্য ছাত্র চিকিৎসা পাচ্ছে না। এ সরকারের প্রথম কাজ ছিল যারা হতাহত হয়েছে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্তই থাকবে। এই দুর্বল সরকার এটা কি ঠিক করতে পারবে? একটা শক্তিশালী সরকার যদি দেশে আসে; তাহলে এ সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে তারা সক্ষম হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মদদে বাংলাদেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপরে গুলি চালিয়েছে এই দৃশ্য দেখলে বুক ফেটে যায়। কিন্তু তারপরেও কি আমরা শিক্ষা নিয়েছি! বিপ্লব হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা যারা ১৬ বছর সংগ্রাম করে এসেছি, আমাদের বারবার আহ্বান করা সত্ত্বেও
কোনো কিছু জানানো হচ্ছে না। যারা এই সরকারের দায়িত্বে আছেন, তারা খুবই জ্ঞানী-গুণী মানুষ। কিন্তু তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই। তাদের পক্ষে এ ধরনের একটা বিপ্লব বা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের সরকার পরিচালনা করা খুবই কঠিন।
পর্যন্ত কোনো হাসপাতালে যায়নি। অসংখ্য ছাত্র চিকিৎসা পাচ্ছে না। এ সরকারের প্রথম কাজ ছিল যারা হতাহত হয়েছে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্তই থাকবে। এই দুর্বল সরকার এটা কি ঠিক করতে পারবে? একটা শক্তিশালী সরকার যদি দেশে আসে; তাহলে এ সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে তারা সক্ষম হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মদদে বাংলাদেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপরে গুলি চালিয়েছে এই দৃশ্য দেখলে বুক ফেটে যায়। কিন্তু তারপরেও কি আমরা শিক্ষা নিয়েছি! বিপ্লব হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা যারা ১৬ বছর সংগ্রাম করে এসেছি, আমাদের বারবার আহ্বান করা সত্ত্বেও
কোনো কিছু জানানো হচ্ছে না। যারা এই সরকারের দায়িত্বে আছেন, তারা খুবই জ্ঞানী-গুণী মানুষ। কিন্তু তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই। তাদের পক্ষে এ ধরনের একটা বিপ্লব বা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের সরকার পরিচালনা করা খুবই কঠিন।



