শেখ হাসিনার শাসন ছিল দোজখের শাসন: রিজভী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

শেখ হাসিনার শাসন ছিল দোজখের শাসন: রিজভী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৩:৩৮ 269 ভিউ
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার শাসন ছিল দোজখের শাসন, আমরা এমন শাসনের পুনরাবৃত্তি কখনো চাই না। আজকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-কিশোররা নিজেদের জীবন দিয়ে শেখ হাসিনার মতো এক রক্ত পিপাসুকে বাংলাদেশ থেকে বিদায় করেছে। এই কারণেই আজকে দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারছে, আমরাও আপনাদের কাছে আসতে পেরেছি। মঙ্গলবার কুমিল্লার ভারত সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, এখন শেখ হাসিনা নেই, শেখ হাসিনার তাণ্ডব নেই, শেখ হাসিনার পুলিশ নেই, শেখ হাসিনার সেই

গোয়েন্দা পুলিশও নেই। আমরা এখন স্বস্তিতে-নির্ভয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারি। শেখ হাসিনা জানতেন প্রশাসন নিরপেক্ষ হলে তিনি আর ক্ষমতায় থাকবেন না, তাই তিনি বেছে বেছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ থেকে পুলিশ বাহিনী তৈরি করেছিলেন। বন্যার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বর্তমান যে ভয়াবহ বন্যার দুর্ভোগ চলছে তা ভারতের তৈরি কৃত্রিম সংকট। এই সংকটকালে পূর্বাঞ্চলের বন্যার্ত মানুষের জন্য এখন কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ত্রাণ নিয়ে ছুটে আসছেন মানুষ। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কেউই কিন্তু বসে নেই। দুর্গতদের সহায়তায় আজকে এক অভূতপূর্ব সংহতি দেখছে বাংলাদেশ। রিজভী বলেন, আমাদের ত্রাণ তৎপরতায় বিন্দু পরিমাণ কার্পণ্য নেই। বিগত ১৬ বছর জনগণের পাশে ছিলাম, এখনো আছি। আমরা

করোনার সময় মানুষের পাশে থেকেছি। একদিকে করোনার ভয়, একদিকে বন্যায় ভেসে যাওয়ার ভয়, আরেক দিকে পুলিশের গ্রেপ্তারের ভয়। আমাদের মনে সব সময় পুলিশের ভয়, এই বুঝি পুলিশ আসছে, এই বুঝি গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে। এমন আতঙ্কের মধ্যেও কাজ করেছি। বিপদ সামনে, বিপদ পেছনে, বিপদ ডানে-বামে, তারপরেও আমরা মানুষের পাশে থেকেছি। আমাদের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রাকৃতিক দুর্যোগে-বিপর্যয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এ এ জহির উদ্দিন তুহিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসীমউদ্দীন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবু,

সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনির হোসেন পারভেজ প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
৫ আগস্টের পর আমাদের অবস্থা খারাপ ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের জনসমর্থন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। “আওয়ামী লীগকে নিয়ে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ৬২ ভাগ মানুষের দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।” — জাহাঙ্গীর কবির নানক খুলনা বিভাগে বিএনপির বিপর্যয়ের নেপথ্যে চাঁদাবাজি-গ্রুপিং আর সাবেক মুসলিম লীগের ভোট দাঁড়িপাল্লায় ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ আওয়ামী লীগ-বিএনপি বিরোধ বাড়লে ‘নারীবিরোধী’ জামায়াত বড় সাফল্য পেতো: ব্রিটিশ এমপি রুপা হক অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ স্ক্রিনশট ফাঁস করে ‘প্রিয় তারেক রহমান’ সম্বোধনে ঢাবি শিক্ষক মোনামির আকুতিভরা পোস্ট ভাইরাল ধানমন্ডি ৩২ শে যাওয়া কি অপরাধ? “আমার মা কখনও কাউকে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দেননি, শুধুমাত্র যারা পুলিশ বা অন্যদের ওপর হামলা করছিল, তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া।” – সজীব ওয়াজেদ নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’ ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু গণতন্ত্রের নতুন সমীকরণ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক চাপ ও বিএনপির ‘কৌশলী’ দাবার চাল শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড! ৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ