ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনী পৌরসভায় অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্সের প্রতিবাদে মানববন্ধন
রাঙামাটিতে স্বর্ণের চালানসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার: নেপথ্যে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য
জামায়াত-শিবির নেতাদের প্রতারণা: শরিয়াসম্মত ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা
সরকারের দাবি সারের মজুদ পর্যাপ্ত, বাজারের চিত্র উল্টো: শুধু এক জেলার কৃষকের অতিরিক্ত ৩৭৫ কোটি টাকা ঢুকছে কার পকেটে?
উড়োজাহাজ থেকে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
চাঁদাবাজির থাবায় অচল মেহেরপুরের বড়বাজার, খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
লোডশেডিংয়ের সুযোগে গায়েব হচ্ছে ট্রান্সফর্মার, উল্টো জরিমানা গুণতে হয় গ্রাহকদের!
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ ট্রান্সফর্মার চোর চক্র। অন্ধকার নামলেই বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে দামী এই সরঞ্জাম। গত তিন মাসে উপজেলাটিতে অন্তত ২৮টি ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে গত দেড় মাসেই চুরি হয়েছে ২৫টি।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, খোয়া যাওয়া ২৮টি ট্রান্সফর্মারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। হঠাৎ একের পর এক ট্রান্সফর্মার চুরির কারণে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে নিয়মের ঘেরাটোপে পড়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্জন সড়ক কিংবা ফসলি জমির পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোকে টার্গেট করে চুরি করছে
চোর চক্র। দিন বা রাত—কোনো সময়ই নিরাপদ নয়। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে খুটি থেকে অনায়াসে ট্রান্সফর্মার নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। পড়ুন: বরুড়ায় একের পর এক পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, ছাত্রদল সভাপতিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা পল্লী বিদ্যুতের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এলাকায় ট্রান্সফর্মার চুরি হলে পুনরায় নতুন ট্রান্সফর্মার সংযোগের জন্য অর্ধেক মূল্য বহন করতে হয় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের। আর দ্বিতীয়বার একই স্থানে চুরি হলে পুরো টাকাই গ্রাহককে গুনতে হয়। এমনিতেই লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, তার ওপর নতুন ট্রান্সফর্মার বসাতে হাজার হাজার টাকা জরিমানাস্বরূপ চাদা বা অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকরা। স্থানীয় একাধিক শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগীরা জানান,
ট্রান্সফর্মার চুরির পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে টাকা তুলে নতুন ট্রান্সফর্মার এনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে হচ্ছে। ট্রান্সফর্মার চুরির বিষয়ে মতলব উত্তর থানায় ইতোমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। চোর চক্রটিকে শনাক্ত করতে পুলিশ টহল জোরদার করেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মতলব (উত্তর) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, বিট অফিসারের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এসব চুরি করা যন্ত্রাংশ কোথায় বিক্রি হচ্ছে এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ওয়াহিদুজ্জামানও জানান, পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। চোর চক্র অচিরেই ধরা পড়বে বলে আশাবাদী
তিনি। ইতিমধ্যে কয়েকটি চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছ। দ্রুত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় এনে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।
চোর চক্র। দিন বা রাত—কোনো সময়ই নিরাপদ নয়। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে খুটি থেকে অনায়াসে ট্রান্সফর্মার নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। পড়ুন: বরুড়ায় একের পর এক পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, ছাত্রদল সভাপতিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা পল্লী বিদ্যুতের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এলাকায় ট্রান্সফর্মার চুরি হলে পুনরায় নতুন ট্রান্সফর্মার সংযোগের জন্য অর্ধেক মূল্য বহন করতে হয় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের। আর দ্বিতীয়বার একই স্থানে চুরি হলে পুরো টাকাই গ্রাহককে গুনতে হয়। এমনিতেই লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, তার ওপর নতুন ট্রান্সফর্মার বসাতে হাজার হাজার টাকা জরিমানাস্বরূপ চাদা বা অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকরা। স্থানীয় একাধিক শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগীরা জানান,
ট্রান্সফর্মার চুরির পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে টাকা তুলে নতুন ট্রান্সফর্মার এনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে হচ্ছে। ট্রান্সফর্মার চুরির বিষয়ে মতলব উত্তর থানায় ইতোমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। চোর চক্রটিকে শনাক্ত করতে পুলিশ টহল জোরদার করেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মতলব (উত্তর) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, বিট অফিসারের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এসব চুরি করা যন্ত্রাংশ কোথায় বিক্রি হচ্ছে এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ওয়াহিদুজ্জামানও জানান, পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। চোর চক্র অচিরেই ধরা পড়বে বলে আশাবাদী
তিনি। ইতিমধ্যে কয়েকটি চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছ। দ্রুত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় এনে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।



