ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেতানিয়াহুর ভয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!
অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে রাশিয়া–ইউক্রেনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি
ইরান ইস্যুতে চীনকে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
উপযুক্ত সময়ে ইরানকে ‘খতম’ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধে আর্থিক ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করল ইসরাইল
যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কতজন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, জানাল ইরান
যে কারণে গাজা গণহত্যার দায় আমেরিকার
ফিলিস্তিনের গাজায় নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল। ইসরাইল সেনাদের বর্বরতা থেকে বাঁচতে পারছে না শিশু, নারী ও বৃদ্ধরাও। একের পর এক আক্রমণে বিশালসব দালান ধসিয়ে দিচ্ছে ইসরাইল সেনারা। গাজায় ফিলিস্তিনিদের কান্নার শব্দে বাতাস ভারি হয়ে উঠলেও সেই কান্না নাড়া দিচ্ছে না পশ্চিমাদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রকে। উল্টো, নির্মম বর্বরতায় ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে গাজায় গণহত্যায় মদদ দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। তাই গাজায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও এর দায় আমেরিকারই।
গাজায় গণহত্যার দায় কেন আমেরিকার নয়, বরং সেই প্রশ্ন তুলতে পারেন আপনি। কিভাবে? চলুন সেই হিসেব মেলায়-
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার মানুষকে হত্যার সঙ্গে জড়িত। বিশ্বের যে জায়গাতেই যুদ্ধ সেখানেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে পড়ে
যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধে অংশ নেবে এটা ধরে নিয়েই যেন সব সময় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। যা দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেটের দিকে তাকালেও দেখা যায়। কেননা, মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেট বলছে, বিশ্বের প্রায় ১০টি দেশের বাজেট এক করলে যেই অংক দাঁড়াবে তার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট ঢের বেশি। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক আধিপত্য রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তাছাড়া ৯/১১ পরবর্তী সময়ে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যে জন্য তারা আফগানিস্তানে লম্বা সময় সামরিক শাসন চালিয়েছে। বর্তমানে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে তাদের সিদ্ধান্তেই গণহত্যা চালানো হচ্ছে। কেননা, এ যুদ্ধে অর্থায়ন ও অস্ত্রের যোগান দিচ্ছে আমেরিকা। তবে গাজা যুদ্ধের পেছনে অবশ্যই, ধর্মীয় প্রভাব রয়েছে- কেননা, মুসলমানরা স্বাভাবিকভাবেই
প্যালেস্টাইনকে পবিত্র ভূমি হিসাবে শ্রদ্ধা করে, একইভাবে ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা এটিকে নিজেদের পবিত্র ভূমি হিসেবে মনে করে এর দখল নিতে চায়। তাছাড়া এ যুদ্ধের পেছনে ঐতিহাসিক প্রভাবও রয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দখলদারিত্বের সাত দশকেরও বেশি পুরনো ইতিহাস রয়েছে। পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে বসতি নির্মাণের করতে চায় তারা। তবে মার্কিনিদেরও দায় কম নয়। কেননা, এবারই প্রথম নয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হাজার হাজার নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যায় জড়িত। আফগানিস্তানে এবং পরবর্তীতে ইরাকে মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র কত গণহত্যার প্রক্সি দিয়েছে তার হিসেবে বলা কঠিন। তাই গাজা যুদ্ধে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই মর্কিনিদের।
যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধে অংশ নেবে এটা ধরে নিয়েই যেন সব সময় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। যা দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেটের দিকে তাকালেও দেখা যায়। কেননা, মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেট বলছে, বিশ্বের প্রায় ১০টি দেশের বাজেট এক করলে যেই অংক দাঁড়াবে তার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট ঢের বেশি। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক আধিপত্য রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তাছাড়া ৯/১১ পরবর্তী সময়ে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যে জন্য তারা আফগানিস্তানে লম্বা সময় সামরিক শাসন চালিয়েছে। বর্তমানে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে তাদের সিদ্ধান্তেই গণহত্যা চালানো হচ্ছে। কেননা, এ যুদ্ধে অর্থায়ন ও অস্ত্রের যোগান দিচ্ছে আমেরিকা। তবে গাজা যুদ্ধের পেছনে অবশ্যই, ধর্মীয় প্রভাব রয়েছে- কেননা, মুসলমানরা স্বাভাবিকভাবেই
প্যালেস্টাইনকে পবিত্র ভূমি হিসাবে শ্রদ্ধা করে, একইভাবে ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা এটিকে নিজেদের পবিত্র ভূমি হিসেবে মনে করে এর দখল নিতে চায়। তাছাড়া এ যুদ্ধের পেছনে ঐতিহাসিক প্রভাবও রয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দখলদারিত্বের সাত দশকেরও বেশি পুরনো ইতিহাস রয়েছে। পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে বসতি নির্মাণের করতে চায় তারা। তবে মার্কিনিদেরও দায় কম নয়। কেননা, এবারই প্রথম নয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হাজার হাজার নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যায় জড়িত। আফগানিস্তানে এবং পরবর্তীতে ইরাকে মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র কত গণহত্যার প্রক্সি দিয়েছে তার হিসেবে বলা কঠিন। তাই গাজা যুদ্ধে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই মর্কিনিদের।



